ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্টের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Electrical Elements)
এই অংশে আমরা ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্টের বিভিন্ন প্রকারভেদ সম্পর্কে জানবো। একটি মৌলিক বিষয় হলো, একটি এলিমেন্ট একইসাথে একাধিক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। যেমন, একটি রেজিস্টর প্যাসিভ, লিনিয়ার এবং বাইলেটারাল এলিমেন্ট।
ইউনিলেটারাল এলিমেন্ট (Unilateral Elements)
- ইউনি (Uni) মানে এক এবং লেটারাল (Lateral) মানে দিক।
- এই এলিমেন্টগুলো শুধুমাত্র কারেন্টের একটি নির্দিষ্ট দিকে এক ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
- কারেন্টের দিক পরিবর্তন করলে এদের বৈশিষ্ট্য বা আচরণ পরিবর্তিত হয়ে যায়।
- উদাহরণ:
- ডায়োড (Diode): এটি ফরওয়ার্ড বায়াসে কারেন্ট প্রবাহিত হতে দেয় কিন্তু রিভার্স বায়াসে ব্লক করে। ডায়োডের মতো ইউনিলেটারাল এলিমেন্ট সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন Class 10 Biology: Control and Coordination Complete Guide in Hindi (এই বিষয়ে নয়, তবে সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রণ তন্ত্রের ধারণা)।
- ট্রানজিস্টর, থাইরিস্টর এবং অন্যান্য সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস।
বাইলেটারাল এলিমেন্ট (Bilateral Elements)
- বাই (Bi) মানে দুই এবং লেটারাল (Lateral) মানে দিক।
- এই এলিমেন্টগুলোর বৈশিষ্ট্য এবং কার্যকারিতা কারেন্টের দিক নির্বিশেষে একই থাকে।
- কারেন্ট যে দিক দিয়েই প্রবাহিত হোক না কেন, এদের আচরণে কোনো পরিবর্তন হয় না।
- উদাহরণ:
- রেজিস্টর (Resistor), ইন্ডাক্টর (Inductor), ক্যাপাসিটর (Capacitor)
- ট্রান্সফরমার (Transformer) - এটি প্যাসিভ এলিমেন্ট হলেও এসি সাপ্লাই উভয় অর্ধচক্রেই একইভাবে কাজ করে।
লাম্পড ও ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Lumped & Distributed Networks)
এটি এলিমেন্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণিবিভাগ, যা নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। নেটওয়ার্কের এই ধারণা ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম ডিজাইনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ, যেমনটি উত্পাদন যোজনা এবং সুবিধার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়।
লাম্পড নেটওয়ার্ক (Lumped Network)
- লাম্প (Lump) মানে পিণ্ড বা একত্রিত করা।
- সেই নেটওয়ার্ক যেখানে প্রতিটি প্যারামিটার (যেমন R, L, C) একটি নির্দিষ্ট স্থানে পৃথকভাবে শনাক্ত এবং সংজ্ঞায়িত করা যায়।
- একটি লাম্পড নেটওয়ার্কে রেজিস্ট্যান্স, ইন্ডাক্ট্যান্স এবং ক্যাপাসিট্যান্সের মান নির্দিষ্ট থাকে এবং এদের আলাদাভাবে পরিমাপ করা সম্ভব।
- গুরুত্বপূর্ণ: সমস্ত নেটওয়ার্কের সূত্র এবং উপপাদ্য (যেমন KVL, KCL, থেভেনিন, নর্টন) শুধুমাত্র লাম্পড নেটওয়ার্কের জন্যই প্রযোজ্য।
- উদাহরণ:
- ডিসি নেটওয়ার্ক
- কম্পিউটারের IC বা মাদারবোর্ড
- শর্ট এবং মিডিয়াম ট্রান্সমিশন লাইন
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network)
- সেই নেটওয়ার্ক যেখানে ইলেকট্রিক্যাল প্যারামিটারগুলো (R, L, C) শারীরিকভাবে পৃথকযোগ্য নয়। এরা সার্কিট জুড়ে বিস্তৃত থাকে।
- প্রতিটি প্যারামিটারকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা অসম্ভব; শুধুমাত্র সামগ্রিক (কিউমুলেটিভ) মান জানা যায়।
- এই নেটওয়ার্কের জন্য কেভিএল, কেসিএল ইত্যাদি সূত্র সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
- উদাহরণ:
- লং ট্রান্সমিশন লাইন (Long Transmission Line)
ভোল্টেজ ও কারেন্ট সোর্স (Voltage & Current Sources)
এটি অ্যাক্টিভ এলিমেন্টের একটি প্রধান শ্রেণিবিভাগ। সোর্স প্রধানত দুই প্রকার: ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও ডিপেন্ডেন্ট। এই সোর্সগুলোর কার্যকারিতা বোঝার জন্য কম্পিউটার সিস্টেম আর্কিটেকচার: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ, অ্যাসেম্বলি এবং মাইক্রোপ্রোগ্রামড কন্ট্রোল বিষয়টিও সহায়ক হতে পারে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্স (Independent Source)
ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্স আবার দুই প্রকার:
১. আইডিয়াল সোর্স (Ideal Source)
এটি একটি তাত্ত্বিক ধারণা।
- আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স:
- এটি লোডের রেজিস্ট্যান্স (RL) নির্বিশেষে সর্বদা একটি ধ্রুবক বা নির্দিষ্ট ভোল্টেজ প্রদান করে।
- এটির অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স (Internal Resistance) শূন্য (Rs = 0)।
- গ্রাফ প্লট করলে এটি একটি সোজা অনুভূমিক রেখা হবে, যা দেখায় যে কারেন্ট (IL) যাই হোক না কেন, ভোল্টেজ (VT) স্থির থাকে।
২. প্র্যাকটিক্যাল সোর্স (Practical Source)
বাস্তবে আমরা এই সোর্সগুলো ব্যবহার করি (যেমন ব্যাটারি, সেল)।
- এদের কিছু পরিমাণ অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স (Rs) থাকে।
- লোডের কারেন্ট বৃদ্ধি পেলে এই অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্সের কারণে টার্মিনাল ভোল্টেজ কিছুটা কমে যায় (ভোল্টেজ ড্রপ), যা আইডিয়াল সোর্সের ধারণার বিপরীত।
ডিপেন্ডেন্ট সোর্স (Dependent Source)
- এই সোর্সগুলোর আউটপুট (ভোল্টেজ বা কারেন্ট) সার্কিটের অন্য কোনো প্যারামিটার (ভোল্টেজ বা কারেন্ট) এর উপর নির্ভরশীল। এগুলোর নামকরণ সেই নির্ভরশীলতা অনুসারে হয়। এগুলোকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। এই ধারণাটি অ্যারে এবং ম্যাট্রিক্স অপারেশনের সাথেও তুলনা করা যেতে পারে, যেমন মাল্টিডাইমেনশনাল এবং 2D অ্যারে: কোডিং, ইনপুট এবং ম্যাট্রিক্স মাল্টিপ্লিকেশন বিষয়ে আলোচিত হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত শ্রেণিবিভাগ (Summary of Classification)
সোর্স (Sources) ├── ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্স (Independent Sources) │ ├── আইডিয়াল (Ideal) │ │ ├── ভোল্টেজ সোর্স (Voltage Source) │ │ └── কারেন্ট সোর্স (Current Source) │ └── প্র্যাকটিক্যাল (Practical) │ ├── ভোল্টেজ সোর্স (Voltage Source) │ └── কারেন্ট সোর্স (Current Source) └── ডিপেন্ডেন্ট সোর্স (Dependent Sources) ├── ভোল্টেজ সোর্স (Voltage Source) │ ├── ভিডিভিএস (VDVS/VCVS) │ └── সিডিভিএস (CDVS/CCVS) └── কারেন্ট সোর্স (Current Source) ├── ভিডিসিএস (VDCS/VCCS) └── সিডিসিএস (CDCS/CCCS)
আনএকাডেমি লেটস ক্র্যাক ইট আনএকাডেমি
লেটস ক্র্যাক ইট হ্যালো এবং ভেরি গুড ইভনিং
আমার সকল প্রিয় ইঞ্জিনিয়াররা
। আনএকাডেমি এবং ইঞ্জিনিয়ারস
কি পাঠশালা-তে আপনাদের অনেক অনেক স্বাগত।
আমি রঞ্জন। আপনারা দেখছেন বেসিক
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং -এর এই সেশনটি,
ইঞ্জিনিয়ারস কি পাঠশালা-তে সরাসরি। তাহলে
চলুন আজকের সেশন শুরু করা যাক। আশা করি
আপনারা সকল ইঞ্জিনিয়াররা একদম ফুল
এনার্জি লেভেলের সাথে তৈরি আছেন। ঠিক
আছে? রবিবার আপনারা নিশ্চয়ই খুব
ভালোভাবে কাটিয়েছেন এবং আজকের
সন্ধ্যাটা পড়াশোনার মাধ্যমে
দারুণভাবে শেষ করি, একদম ফুল ফর্মে। তাহলে
চলুন, ভেরি ভেরি গুড ইভনিং। আই এম গেমিং।
নমস্কার ডিয়ার! ভেরি গুড ইভনিং মাই
ডিয়ার। তাই না? দীপক এবং আর যত ছাত্রছাত্রী
উপস্থিত আছেন, আমি সবার অ্যাটেনডেন্স
নিয়ে নিয়েছি । আপনাদের আজকের হাজিরা
এখন শুরু হচ্ছে । অমন, ভেরি গুড ইভনিং মাই
ডিয়ার! ঠিক আছে ? তাহলে, আশা করি আপনারা একদম
দারুণভাবে এনার্জেটিক হয়ে তৈরি আছেন
। গতকাল যে টপিকটি পড়ছিলাম,
সেখান থেকেই আমরা আজ এগিয়ে নিয়ে যাব এবং
সেটা শেষ করব। আর একটি নতুন টপিক, যেমনটা
এখানে লেখা আছে, 'ক্লাসিফিকেশন অফ
ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্টস' যা আপনাদের চলছিল,
এখন সেটিকেই আগে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে
প্রথমে শেষ করব, তারপর আপনাদের পরবর্তী টপিকে
নিয়ে যাব। ঠিক আছে? তাহলে চলুন , আজ আমরা কী কী
পড়ব? গতকালকের ক্লাসে আমরা ক্লাসিফিকেশনের
অংশটি দেখেছিলাম। এভাবে প্লাগ ইন
করে আমরা গতকাল সেশনটি শুরু করেছিলাম। ঠিক
আছে? কিন্তু তাতে বিদ্যুতের শক
লাগেনি। এখন আরও পড়তে থাকি। তো এই
বেসিকগুলো আমি আপনাদের জানিয়েছিলাম
যে আপনাদের এই চ্যাপ্টারে কী কী পড়তে হবে।
এগুলো নিয়ে আর বিস্তারিত আলোচনার
প্রয়োজন নেই। সরাসরি আপনাদের
এলিমেন্টসের ক্লাসিফিকেশনে নিয়ে আসি। ঠিক
আছে? তো আমরা ক্লাসিফিকেশনের এই পয়েন্ট
পর্যন্ত নোট করেছিলাম। এখন এটি লেখা বাকি
আছে, এবং বোঝাও বাকি আছে। ঠিক আছে। শোভিদ,
ম্যাথমেটিক্সের ভিডিওগুলোও আপনারা পেতে
শুরু করবেন। ডিয়ার, প্লেলিস্টও
আপনারা পেয়ে যাবেন। ডিয়ার, প্লেলিস্টও
এতে ধীরে ধীরে তৈরি হয়ে যাবে । আপনাদের
সমস্ত লেকচার আপডেট করা অবস্থায়
আপনারা পাবেন। তাই না? ইউনিলেটারাল
থেকে পড়তে হবে স্যার। আই এম গেমিং লিখেছে।
ওকে ডিয়ার, অবশ্যই। সেখান থেকেই শুরু
করছি। হরি ওম, ভেরি গুড ইভনিং মাই ডিয়ার।
ম্যাথসের ক্লাসও তো হবে, তাই না অমন?
ম্যাথসের ক্লাসও আছে। তাই না? ঠিক আছে
। অফিশিয়াল বয় আদিত্য, তুমিও আছো তাই
না? সবার উপস্থিতি নেওয়া হচ্ছে,
মানে। চলুন তবে শুরু করা যাক, আমি চট করে
পেনটা নিয়ে আসি । হ্যাঁ, গত ক্লাসে আমরা
অ্যাক্টিভ, প্যাসিভ, লিনিয়ার, নন-
লিনিয়ার পর্যন্ত দেখেছিলাম,
আমরা এই পর্যন্ত পৌঁছেছিলাম।
দেখেছিলাম যে অ্যাক্টিভ এলিমেন্ট কী,
প্যাসিভ এলিমেন্ট কী, লিনিয়ার কী, নন-
লিনিয়ার কী। এই সব এলিমেন্টগুলো
সম্পর্কে আমরা জেনেছিলাম। ঠিক আছে, তাহলে
আজ সেখান থেকেই এগিয়ে যাই। আমাদের টপিক তো
একই আছে ক্লাসিফিকেশন অফ
ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্টস। ইলেকট্রিক্যাল
এলিমেন্টসের শ্রেণিবিভাগ। ঠিক আছে? চলুন,
এই শ্রেণিবিভাগের মধ্যে কাল
যেখানে শেষ করেছিলাম, আজকের
বিষয়বস্তু অর্থাৎ ভোল্টেজ ও
কারেন্ট সোর্সের আইডিয়াল এবং
প্র্যাকটিক্যাল সম্পর্কে সব জানতে হবে, এই
পুরো বিষয়টি আমাদের এই এক ঘণ্টার মধ্যে
ভালোভাবে শেষ করতে হবে। ঠিক আছে? তবে এটা
গুরুত্বপূর্ণ যে আপনারা যেন ভালোভাবে
বুঝতে পারেন। তাই যেখানেই কোনো পয়েন্টে
সন্দেহ হবে, তৎক্ষণাৎ আমাকে
জিজ্ঞাসা করে নেবেন। কমেন্ট সেকশনে তখনই
লিখে দেবেন। আমি আপনাদের কমেন্টগুলো
অনবরত দেখছি। ঠিক আছে? আই এম গেমিং লিখেছেন
যে স্যার সোলার সেলের বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
আপনি গতকাল শেষেও এটি বলেননি। তাই না?
সেটি একটি সেল এবং যেকোনো সেল বা ব্যাটারি বা
জেনারেটর সব অ্যাক্টিভ ক্যাটাগরির
মধ্যেই পড়ে। সেল নাম থেকেই হয়তো আপনারা
ইঙ্গিত পেয়ে যাওয়ার কথা ছিল । তাই না? আমি
তাতে কিছুটা সূত্র রেখেছিলাম যে
সোলার সেল। তাই সেল নাম থেকেই বোঝা যাওয়ার
কথা। শগুন ভেরি গুড ইভিনিং ডিয়ার।
সুতরাং হ্যাঁ এটি একটি অ্যাক্টিভ
এলিমেন্ট। এটি একটি অ্যাক্টিভ
এলিমেন্ট। নীলয় ভেরি গুড ইভিনিং ডিয়ার
। লাভ ইউ টু মাই ডিয়ার। চলুন। তাহলে
শ্রেণিবিভাগে আমরা এখন পরের পয়েন্টে
পৌঁছাই। পরের পয়েন্টটি কী ভাই?
শ্রেণিবিভাগে আমাদের পরবর্তী
পয়েন্ট হলো এটি, আমার মনে হয় এটি পাঁচ নম্বর
পয়েন্ট হবে। তাই না? এটি পঞ্চম পয়েন্ট
হবে। পঞ্চম পয়েন্ট ইউনিলেটারাল
এলিমেন্ট। তাই না? পঞ্চম পয়েন্ট হবে
ইউনিলেটারাল এলিমেন্টসের। এগুলো কী ধরনের
এলিমেন্ট? এগুলো ঠিক কেমন এলিমেন্ট?
আচ্ছা চলুন। একটা কাজ করি। এই শব্দটিকে
দুটি টুকরোয় ভাগ করে ফেলি। দুটি অংশে
এটাকে ভেঙে ফেলি। ঠিক আছে? এতে কিছুটা
ধারণা পাওয়া যাবে। তাহলে ইউনি। ইউনি
মানে কী? এক। লেটারাল মানে কী? দিক। ঠিক
আছে? এটাকে দুটি অংশে ভেঙে ফেলি । ঠিক আছে?
আশুতোষ। এটি কোন নতুন চ্যানেল? এটি
গেট একাডেমি প্লাস চ্যানেল যার নাম এখন
পরিবর্তন হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স কি পাঠশালা
হয়েছে। তাই না? ইউনিভার্সিটির জন্য যা আমরা
একদম শুরু থেকে পড়ছিলাম। তাই এটাকে দুই ভাগে
ভাগ করে ফেলি। একটা অংশে লিখলাম ইউনি
এবং অন্য অংশে লিখলাম ল্যাটারাল। মন
দিয়ে দেখুন। ইউনি মানে আপনারা সবাই
জানেন, যার অর্থ হলো এক এবং ল্যাটারাল
মানে হলো দিক। বাহ! এটা তো একটা
অ্যালবামের নাম হয়ে গেল। ঠিক আছে? যাই
হোক। ওয়ান ডিরেকশন এলিমেন্টের
ক্লাসিফিকেশন চলছে। তাহলে কি এমন কোনো
এলিমেন্ট আছে যা শুধু এক দিকেই ছুটে চলে?
মানে, আপনার ঘরে লাগানো রেজিস্টরটি কি
এমন যে আপনি আজ এখানে একটা রেজিস্টর
লাগিয়ে গেলেন। ঠিক আছে? ধরে নিন ঘরের উত্তর-
পূর্ব বা উত্তর- পশ্চিম দিকে। ঠিক আছে? কাল
সকালে যখন আপনি আসবেন, তখন কি এমন হতে পারে যে
ওটিকে দক্ষিণ- পূর্ব দিকে পাবেন? তাহলে
হ্যাঁ ভাই, ওটা এক দিকে দৌড়াচ্ছে। এমন
কি কখনো হয়? এমনটা তো হয় না। এই
এলিমেন্টগুলো তো আর কোথাও যায় না। যেখানে
রেখে যান সেখানেই থাকে, তাই না? পরদিন
সকালে আপনি ঘরের দরজা খুললেন, আর
রেজিস্টরটি...ও ভাই সাহেব, ওটা তো জানলা দিয়ে
বাইরে চলে গেছে । এমনটা হয় না। এলিমেন্টগুলো
সেখানেই থাকে। কিছু একটা রাশি আছে যার
প্রবাহের ব্যাপারে এরা এই দিকের কথা
বলছে। যদি দিকের কথা বলে, তার মানে
নিশ্চয়ই কোনো মুভমেন্ট হচ্ছে। তার
মানে কোনো প্রবাহ হচ্ছে। আর কোন জিনিসটা
প্রবাহিত হতে পারে, সবার আগে সেটা বোঝা
জরুরি। ঠিক আছে? আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। অনেক
ভালোবাসা প্রিয় আশুতোষ। ভেরি গুড
ইভিনিং আরিয়ান, রোহিত, চারু, তাই না
যোগেন্দ্র? একেবারেই যোগেন্দ্র,
একদমই। ধীরে ধীরে প্লেলিস্টও
তৈরি হয়ে যাবে বা তৈরি করা হবে । প্লেলিস্ট
আপনাদের জন্য থাকবে, ঠিক আছে। প্লেলিস্ট
নিয়ে একদম চিন্তা করবেন না আর আপাতত সব
লেকচার নম্বর অনুযায়ী টাইটেলে দেখতে
পাবেন, তো নম্বর অনুযায়ী সিকোয়েন্সেও
পেয়ে যাবেন, সেটাকেও ফলো করতে পারেন, ঠিক
আছে? ঠিক আছে, তাহলে এখন একটু এটা দেখি, তাহলে
আমরা বুঝতে পারছি যে রেজিস্টর
কোথাও যাচ্ছে না। ক্যাপাসিটর
কোথাও যাচ্ছে না। তাহলে যাচ্ছে কে? কে
এক দিকে মুভ করছে? কোনো রাশি মুভ করছে। কোনো
রাশি আছে যা প্রবাহিত হতে পারে। যার
প্রবাহিত হওয়ার প্রবণতা আছে। কার?
কারেন্টের। চার্জ মূলত প্রবাহিত হয়।
আর চার্জের প্রবাহকে বলা হয় কারেন্ট। I = dq/
dt সময়ের সাপেক্ষে চার্জের
প্রবাহের হার। কারেন্ট। তো কারেন্টের
সাপেক্ষে এখানে এলিমেন্টের
ক্লাসিফিকেশন করা হচ্ছে। কীভাবে? তো ওয়ান
ডিরেকশন মানে কারেন্টের একই দিকে তারা এক
ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে
এবং কারেন্টের দিক বদলে দিলে তাদের
বৈশিষ্ট্যও বদলে যায়। কীভাবে? আগে এই
বিষয়ে কিছুটা লিখে নিই, তারপর আবার বুঝিয়ে
বলছি। সেইসব ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্ট,
সেইসব ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্ট যা
প্রদর্শন করে একটি নির্দিষ্ট,
একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য এবং
ধর্ম, এবং ধর্ম, কারেন্ট প্রবাহের একটি
নির্দিষ্ট দিকে, যেখানে এই ধর্মগুলো,
যেখানে এই ধর্মগুলো পরিবর্তিত হয়
সাপ্লাইয়ের দিকের সাথে, সাপ্লাইয়ের
দিকের সাথে, এমন এলিমেন্টগুলো হলো, হলো
ইউনিলেটারাল অথবা ইউনিডাইরেকশনাল
এলিমেন্ট, অথবা ইউনিডাইরেকশনাল এলিমেন্ট।
অর্থাৎ, অর্থাৎ এমন সব এলিমেন্ট যা
কারেন্ট প্রবাহের একটি নির্দিষ্ট
দিকে এক ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে;
কিন্তু কারেন্টের দিক বদলে দিলে,
ভাইসাব এদের বৈশিষ্ট্য বদলে যাবে, ওরা
বদলে যাবে। ঠিক আছে, ওই যে ' ওয়াক্ত বদল
দিয়ে হালাত বদল দিয়ে'-র মতো যে দৃশ্য শোনেন না,
ঠিক সেই অবস্থা হবে। যেমন রেজিস্টর একটা
সাধারণ এলিমেন্ট, বা চলুন ঠিক আছে,
অন্য একটা এলিমেন্টের কথা বলি যেটা
আমার কাছে এখানে রাখা আছে । এটা কী? এটি
একটি ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্ব। আজকাল
এগুলো খুব দুর্লভ, ভাইসাব । সাধারণত
এগুলো পাওয়া যায় না। এটি একটি
ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্ব। ঠিক আছে? এখন এই
ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্বটি, আপনারা সবাই
জানেন যে এটি এসি সাপ্লাইতে চলা বাল্ব। তাই
এটিকে যখন আমি সাপ্লাইয়ের সাথে কানেক্ট
করব, এটি জ্বলতে শুরু করবে। আপনারা কি এতে
পোলারিটির দিকে খেয়াল রাখেন? যে না
সাহেব, এখানে প্লাস থাকতে হবে আর এখানে
মাইনাস থাকতে হবে। এটা উল্টে দিলে বাল্বটি
জ্বলবে না। এমনটা তো নয়, তাই না? এই
ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্বটি হোল্ডারে
লাগানোর সাথে সাথেই এটি জ্বলবে। এটিকে
যদি আপনি উল্টো করেও হোল্ডারে লাগান, তবুও এটি
জ্বলবে। এতে কোনো সমস্যা নেই। ঠিক আছে?
তো এতে কোনো সমস্যাই নেই। তাই এটি এমন
একটি এলিমেন্ট যার বৈশিষ্ট্য এবং ধর্ম বদলায়
না। সাপ্লাইয়ের দিক আপনি যাই
দিন, এটি একইভাবে কাজ করবে। কিন্তু
ইউনিলেটারাল এমন এলিমেন্ট হয় যাদের
ক্ষেত্রে সাপ্লাইয়ের দিকটাও খুব
গুরুত্বপূর্ণ। সাপ্লাই প্রবাহের দিক
বদলে দিলে এদের কাজ করার ধরন বদলে যাবে।
এদের বৈশিষ্ট্য হয়তো
পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে। যেমন স্যার,
উদাহরণ দিন। আচ্ছা, উদাহরণের জন্য
চলুন। কী উদাহরণ নেওয়া যায়? কী উদাহরণ
নেওয়া যায়? এটাকে কি উদাহরণের জন্য
রাখা যায়? চলুন, একেই উদাহরণ হিসেবে লিখি।
এটি উদাহরণ হিসেবে আমার মনে হয় ঠিক
থাকবে। কে এটি? এটি হলো একটি ডায়োড। চেষ্টা
তো এটাই যে ডায়োডটি তৈরি হয়ে যাক। দেখুন
। একটি পিএন জাংশন ডায়োড। ঠিক আছে? কেন
আমি এটাকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করলাম?
আপনি দেখবেন এর বৈশিষ্ট্যগুলো আলাদা আলাদা।
ভাই পিএন জাংশনে তো আপনারা
পড়েইছেন যে স্যার এটাকে ফরওয়ার্ড
বায়াস এবং রিভার্স বায়াস —এই দুই ফর্মে
আমরা বায়াসিং দিতে পারি। তাই না? তো যদি আমরা
এটাকে ফরওয়ার্ড বায়াস করি।
চলুন ধরে নিই এভাবে। এটি পি সাইড। এটি এন
সাইড। তো, আমি এটাকে এভাবে পজিটিভ
সাপ্লাই দিলাম এবং এদিক থেকে নেগেটিভ
সাপ্লাই দিলাম । ঠিক আছে? চলুন তাহলে এখান
থেকে। পজিটিভ এবং এখান থেকে নেগেটিভ
ফরওয়ার্ড বায়াস কন্ডিশনে
এখানে ভালোভাবে কন্ডাকশন শুরু
হয়ে যাবে। কিন্তু এতে সাপ্লাই উল্টে
দিলে এটি রিভার্স বায়াস মোডে কাজ করবে।
আদর্শ অবস্থায় যদি আপনি পিএন জাংশন ডায়োড
নিয়ে পড়েন, তবে দেখবেন যে একটি পিএন জাংশন
ডায়োড আদর্শ অবস্থায় কেবল ফরওয়ার্ড
বায়াসে সাড়া দেয়। রিভার্স বায়াসে কোনো
আউটপুট দেয় না। যে সামান্য আউটপুট গ্রাফে
দেখতে পাওয়া যায়। তাই না? এর গ্রাফ যদি আপনি
রিভার্স বায়াসের জন্য ট্রেস করেন, তবে
সেটি এমন দেখাবে। একেবারে সরু
একটি সূক্ষ্ম রেখা দেখা যাবে এবং তারপর
সরাসরি ব্রেকডাউন হয়ে যাবে। তো এই যে
ছোট্ট রেখাটি দেখা যায়, সেটি কিসের জন্য হয়?
শুধুমাত্র মাইনরিটি চার্জ
ক্যারিয়ারের জন্য। যে মাইনরিটি
চার্জ ক্যারিয়ারগুলো এর ভেতরে থাকে।
পরবর্তীতে ষষ্ঠ ও সপ্তম অধ্যায়ে যখন
আমরা বেসিক ইলেকট্রনিক্স পড়ব, তখন এ
বিষয়ে বিস্তারিত জানাব। তো
মাইনরিটি চার্জ ক্যারিয়ারগুলোর
কারণে এমন হয়, মেজরিটি চার্জ ক্যারিয়ারগুলো
কোথাও যায় না। মেজরিটিগুলো তো একে অপরের
থেকে দূরে সরে যায়। ঠিক আছে? তাই কোনো
কারেন্ট প্রবাহিত হয় না । অর্থাৎ
সাপ্লাইয়ের এক দিকে এটি একভাবে কাজ
করবে। সাপ্লাইয়ের অন্য দিকে এর
কার্যকারিতা ও আউটপুট বদলে যাবে।
সেমিকন্ডাক্টর একদম ঠিক আছে। তাই না? মালিয়া
ইয়েস ডিয়ার ভিএসএসইউটি ইয়েস
ইউনিভার্সিটি সিভিল থেকে। ঠিক আছে। চান্দ
জিজ্ঞেস করেছে যে স্যার ফিজিক্স ও
ম্যাথস লেকচার কবে শুরু হবে? ধীরে ধীরে
আপনারা লেকচারগুলো দেখতে পাবেন।
এখানে সব বিষয়ের লেকচারই
আপনারা পেয়ে যাবেন। ঠিক আছে? তো এর উদাহরণ
হিসেবে আমরা কাকে নিতে পারি? ভাই এর উদাহরণ
হিসেবে আমরা নিতে পারি। এখন দেখুন, পিএন
জাংশন ডায়োডের যদি এই অবস্থা হয়, তবে
ট্রানজিস্টর আপনারা কীভাবে পড়েন?
ট্রানজিস্টরের টু-ডায়োড অ্যানালজি
পড়েন। পিএন এবং এনপি মিলিয়ে পিএনপি, এনপিএন
—এভাবে ট্রানজিস্টর তৈরি হচ্ছে। তো
ডায়োডের যদি এই অবস্থা হয়, তবে ট্রানজিস্টরেরও
একই অবস্থা হবে । অবশ্যই, একদম সঠিক কথা।
তাহলে ডায়োডস আপনারা লিখে নিন। তাই না?
ট্রানজিস্টরস লিখে নিন ইত্যাদি বা এক
কথায় অল সেমিকন্ডাক্টর বলে নিন। কথা তো
একই। তো ইউনি- ল্যাটারাল হলো এমন এলিমেন্ট
যা শুধুমাত্র একটি দিকে কাজ করার জন্য তৈরি
। একই দিকের সাপ্লাই অফ কারেন্টে
একভাবে কাজ করার জন্য তৈরি । কারেন্টের
ডিরেকশন বদলে দেবেন। এদের বৈশিষ্ট্য
পরিবর্তিত হয়ে যাবে। এরা অন্যভাবে কাজ
করবে। যেমন একটি সুইচের মতো কাজ করছে এই
পিএন জংশন ডায়োড। তাই না? আপনি যখন এটিকে
অন করেন অর্থাৎ যখন এটিকে ফরওয়ার্ড
বায়াস করেন তখন এটি একটি অন সুইচের মতো কাজ
করে যে ভাই সুইচটি কানেক্টেড আছে
। কিন্তু যেই আপনি এটিকে রিভার্স
বায়াস করেন, এই সুইচটি খুলে যায়। ওপেন
সুইচের মতো ওপেন সার্কিটের মতো
আচরণ করছে। ঠিক আছে? হ্যালো সতীশ। হ্যাঁ
প্রিয়। তাই না? স্যার বিটেকের স্টুডেন্ট
স্যার দিতে পারবে তো ফার্স্ট
সেমিস্টারের? হ্যাঁ অবশ্যই দিতে পারবে।
আপনি যদি ফার্স্ট সেমিস্টারের
হন, বিটেক করছেন , তাহলে অবশ্যই এটি আপনার জন্য
। পিডিএফ-এর জন্য ধর্মপাল লিখেছে। তাই না?
তো পিডিএফগুলো ধীরে ধীরে পাওয়া যাবে।
তবে আপনাদের জন্য গ্রুপ তৈরি
হওয়ামাত্রই গ্রুপে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
ততক্ষণ পর্যন্ত আমি এই সমস্ত পিডিএফ
যা প্রতিদিনের ক্লাসের, গতকালের
ক্লাসের এবং আজকের ক্লাসের, এই দুটো
ক্লাসের পিডিএফ আমি নিজের কাছে সেভ
করে রাখব। যেদিন গ্রুপ তৈরি হবে, সেদিন
পুরোটা তারিখ অনুযায়ী আপনাদের
পাঠিয়ে দেব। ততক্ষণ আপনারা এই নোটসগুলো
তৈরি করতে থাকুন। তাই না? ততক্ষণ কপিতে
লিখতে থাকুন। তো ইউনি- ল্যাটারাল
বিষয়টি সবার কাছে পরিষ্কার? এর উদাহরণ
পরিষ্কার যে এটা কী? পরবর্তীতে
নিয়ে যাচ্ছি। নেক্সট ইজ। চলুন নেক্সট-এ
যাই। পঞ্চমটির পর ষষ্ঠ নম্বরে যাই। ষষ্ঠ
পয়েন্টটি আমাদের হলো বাই- ল্যাটারাল।
এলিমেন্টস। তো গতকাল যে প্রশ্নপত্রটি
আমি আপনাদের দেখিয়েছিলাম, আজ সেই একই
প্রশ্নপত্র আবার দেখাব। ঠিক আছে?
গতকালকের পেপারের কিছু প্রশ্ন বাকি
ছিল। একই প্রশ্নপত্র আমি আপনাদের
দেখাব। সেই একই পয়েন্টগুলো যেগুলোর
অর্ধেক আপনারা করতে পারছিলেন । অর্ধেকটা পড়া
বাকি ছিল। এখন এই ক্লাসিফিকেশন
শেষ হওয়ার পর সেটাও তৈরি হয়ে যাবে। ঠিক আছে?
এটা কমপ্লিট করি। সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা
অবশ্যই দেখতে পারেন প্রিয়। ফার্স্ট ইয়ার
তো কমন তাই না? তাই টেনশনের কোনো কারণ নেই।
ঠিক আছে? জেএনটিইউএইচ ইউনিভার্সিটি
অফ হায়দ্রাবাদ । ধীরে ধীরে আপনারা
আপনাদের ইউনিভার্সিটির যে নাম লিখছেন
না, আপনাদের ইউনিভার্সিটির পেপার থেকেও
আমি দেখাতে শুরু করব ভবিষ্যতে।
সামান্য একটু কন্টেন্ট পড়ি, তারপর প্রশ্নে
আত্মবিশ্বাস আসবে। সো হোয়াট
অ্যাবাউট দ্য বাইলেটারাল? ভাই, বাই মানে
হলো দুই আর ল্যাটারাল হলো দিক। এইমাত্রই
দেখলাম যে ইউনি মানে এক ছিল, বাই মানে দুই।
দুই মানে উভয় দিক। তাই কারেন্ট যে দিক
দিয়েই যাক, এই মহাশয় তেমনই থাকবেন। এদের
কোনো কিছু যায় আসে না। কোনো মানেই নেই। ঠিক
আছে? এদের বৈশিষ্ট্য এবং কাজে কোনো
পার্থক্য হয় না । যেমন রেজিস্টর। ঠিক
আছে? এতে আমি কারেন্ট এখান থেকে পাঠাচ্ছি
। বলো ভোল্টেজ ড্রপ হবে না রাইজ হবে? তোমরা
বলবে স্যার ভোল্টেজ ড্রপ হবে। ঠিক আছে?
এটা ভোল্টেজ ড্রপ করিয়ে দেবে। ঠিক আছে?
এই রেজিস্টরেই কারেন্ট উল্টো দিক থেকে
পাঠাচ্ছি আমি। কোনো কি পার্থক্য পড়বে?
যেমন আমি এইমাত্র বাল্ব নিয়ে আপনাদের
সাথে কথা বলছিলাম। এটার ব্যাপারে কথা
বলছিলাম আপনাদের সাথে। এর কাজে কোনো কি
পার্থক্য পড়ছিল? না। এটা কোন
ফেনোমেননের ওপর কাজ করছে? এর ফেনোমেনন
হলো রেজিস্ট্যান্স হিটিং। এর যে
ফেনোমেনন সেটা হলো রেজিস্ট্যান্স
হিটিং। এর ভেতরে একটা ফিলামেন্ট
লাগানো আছে। এই পাতলা ফিলামেন্টটা
টাংস্টেন দিয়ে তৈরি, এটা কীভাবে লাগানো
থাকে? কীভাবে? এখন যখন এলিমেন্টসে
যাব, আগামীকালের ক্লাসে
এলিমেন্টসে যাব তখন আপনারা দেখবেন যে
ফিলামেন্টটা এভাবে সংযুক্ত থাকে। এমনই তো,
তাই না? এমন বিভিন্ন জায়গা থেকে একে
সাপোর্ট দেওয়া থাকে। আর এটা একটা পাতলা
ফিলামেন্ট। এতে কী করা হয়েছে? এর এরিয়া
একদম কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। একদম পাতলা
একটা ফিলামেন্ট। এটাকে জোরে
ঝাঁকালে হতে পারে এর ভেতরের ফিলামেন্ট
ভেঙে যাবে। ক্রস সেকশন এরিয়া কমিয়ে
দেওয়া হয়েছে। কন্ডাক্টরের দৈর্ঘ্য
বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্প্রিংয়ের
মতো গঠন তৈরি করা হয়েছে। কয়েলের মতো
পেঁচিয়ে পুরোটা তৈরি করা হয়েছে যাতে
কন্ডাক্টরের দৈর্ঘ্য বেড়ে যায়। এরিয়া
পুরোপুরি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এই
দুটি জিনিসই রেজিস্ট্যান্স বাড়ানোর জন্য
যথেষ্ট। এখন যত বেশি রেজিস্ট্যান্স
, তত ভালোভাবে এটি হিট এবং লাইট উভয়ই
ডিসিপেট করবে। তাই এই মহাশয় আলো তো দেনই,
সাথে তাপও দিয়ে দেন। ঠিক আছে? ঠিক আছে? তাই
এদের এনার্জি আউটপুট তাপের আকারেও থাকে।
সেইজন্য মোট যে এনার্জি ইনপুট আমরা দিই, তার
তুলনায় আউটপুট অনেকটা নষ্ট হয়ে যায়। কারণ
বাল্ব থেকে যে আমাদের তাপ নিতেই হবে এমন
নয়। বাল্ব থেকে সাধারণত আমরা আলোই পেতে চাই।
যদি তাপের প্রয়োজন হয়, তবে আমরা তাপের
জন্য অন্য ডিভাইস ব্যবহার করি।
হিটার আলাদাভাবে ব্যবহার করি।
তাই না? নাইক্রোম হিটার যা আসে,
তা ব্যবহার করি । এই ছোট বাল্ব থেকে তো আর কেউ
তাপ নিতে চাইবে না। তবে এর পেছনে কিছু
ব্যবহারিক ব্যাখ্যাও আছে । কিন্তু পরে
আমরা এ নিয়ে কথা বলব। ঠিক আছে? দুই নম্বরের
প্রশ্ন তাই না বিনয়? হ্যাঁ। তো চলুন
বাইল্যাটেরাল এলিমেন্ট, অর্থাৎ সেই
এলিমেন্ট যেখানে কারেন্টের
ডিরেকশনে কিছু যায় আসে না। যেকোনো দিক
থেকে আপনি কারেন্ট পাঠান, এদের
চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন
হবে না। আমাকে একটু বলবেন কি, ট্রান্সফর্মার
কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে?
বাইল্যাটেরাল নাকি ইউনিল্যাটেরাল
? ট্রান্সফর্মার সেই
ইলেকট্রিক্যাল এলিমেন্টগুলো যাদের
বৈশিষ্ট্য এবং ধর্ম এবং ধর্ম একই থাকে
নির্বিশেষে এর সাপ্লাইয়ের দিকের,
সাপ্লাইয়ের দিকের তোয়াক্কা না
করে যাদের বৈশিষ্ট্য একই থাকে তাদের বলা
হয় বাইল্যাটেরাল এলিমেন্ট বলা
হয়, এর উদাহরণ আপনারা ভেবে বলুন। ঠিক আছে?
তত্ত্বগুলো আমি বলে দিয়েছি । উদাহরণ
আপনারা ভেবে দেখবেন। সতীশ, পিডিএফটি ধীরে
ধীরে গ্রুপ তৈরি হলেই আমি আপনাদের
পাঠিয়ে দেব। ঠিক আছে? গ্রুপের লিংকও
চলে আসবে এবং পিডিএফও আমি ততক্ষণ পাঠিয়ে
দেব। যাইহোক, ইতিমধ্যে আপনাদের জন্য
এখানে একটি ফর্ম আছে, পিন করা কমেন্টে Google
ফর্ম আছে, সেটিও আপনারা পূরণ করে নেবেন। ঠিক
আছে? তো বাইল্যাটেরাল এলিমেন্ট,
হ্যাঁ। আর ততক্ষণ আপনারা নোটস তৈরি করে
নিন। অথবা যদি মনে হয় যে স্যার স্ক্রিনশট
নিতে হবে, আপনি সরুন, তাহলে আমাকে বলবেন,
আমি সরে যাব। পুরোটা লেখার পর আপনারা একটা
স্ক্রিনশট নিয়ে নেবেন, এতে আপনাদের কাজ
কিছুটা সহজ হবে । তাই না? তো সাপ্লাইয়ের
দিক যাই হোক না কেন, এদের চারিত্রিক
বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন হয় না। কারা ভাই
এমন এলিমেন্ট? এদের উদাহরণ তো ট্রান্সফর্মার
সম্পর্কে আপনারা লিখেছেন,
বাইল্যাটেরাল। ঠিক আছে, ঠিক আছে, খুব ভালো!
আর এর উদাহরণে শগুন লিখেছে রেজিস্টর,
ইনডাক্টর, ক্যাপাসিটার। ঠিক আছে। বিনয়
লিখেছে ট্রান্সফর্মার তো মিউচুয়াল
ইন্ডাকশনের ওপর কাজ করে। কিন্তু কথা
হচ্ছে ইউনিল্যাটেরাল এবং
বাইল্যাটেরাল নিয়ে। এতে বলুন । প্রথম কথা তো
এটা এলিমেন্টই নয়। প্রথম কথা তো এটা
এলিমেন্টই নয়। এলিমেন্ট মানে হলো
এলিমেন্টারি। যেমন আমার উপরে যদি ফ্যান
লাগানো থাকে, তবে সেই ফ্যান এলিমেন্ট নয়।
সেই ফ্যানের ব্লেডটা হলো এলিমেন্ট।
বেয়ারিং তার একটা এলিমেন্ট । এমন আলাদা
আলাদা এলিমেন্ট বা কম্পোনেন্ট
আছে। ঠিক আছে? তো বাইল্যাটেরাল
এলিমেন্ট, যাই হোক আপনারা তবুও যদি
ট্রান্সফর্মারকে এই ক্যাটাগরিতে
রাখতে চান। এর উদাহরণ কী হতে পারে? হ্যাঁ,
আপনাদের উত্তর সঠিক। রেজিস্টর,
ইনডাক্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি। মনে
বারবার আসছে নিশ্চয়ই, স্যার আপনি এই
ইনডাক্টর, ক্যাপাসিটর কেন লিখছেন?
রেজিস্টর লিখছেন তা বোঝা যায়। কেন
ইনডাক্টর এবং ক্যাপাসিটর? এখন পড়ব তো, বরং
ক্লাসটা তো এদের নিয়েই। ঠিক আছে? চলুন।
পরবর্তী বাইল্যাটারাল এলিমেন্ট হয়ে
গেল। আর মাত্র দুটি পদক্ষেপ দূরে আছি আমরা
এবং তারপর এটা সম্পন্ন হয়ে যাবে। তাহলে
নেক্সট হলো কোন পয়েন্টে ছিলাম? ছয় নম্বরটাতে
ছিলাম, তাই না? ওকে, সাত নম্বরটা লিখি।
লাম্পড, এটা মনোযোগ দিয়ে বুঝবেন। এতে
অনেক শিক্ষার্থী আটকে যায়।
শেষের যে দুটি পয়েন্ট আমি লেখাবো, এটা
একটু মনোযোগ দিয়ে বুঝবেন এবং এতে একটু
বেশি খেয়াল দিতে হবে। ঠিক আছে? লাম্পড এবং
ডিস্ট্রিবিউটেড এলিমেন্টও হয় এবং
নেটওয়ার্কও হয় । উভয় বিষয়ের ক্ষেত্রেই এর
সংজ্ঞা থাকে। ঠিক আছে? লাম্পড এলিমেন্ট,
ডিস্ট্রিবিউটেড এলিমেন্ট। লাম্পড
নেটওয়ার্ক, ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক।
এগুলো কী? চলুন, আমি নেটওয়ার্কের
আকারে আপনাকে এটা বোঝাচ্ছি। ঠিক আছে? লাম্পড
নেটওয়ার্ক যদি আমি বলি, কোন নেটওয়ার্ককে
বলা হয়? আগে সংজ্ঞাটা লিখিয়ে দিই।
তারপর শান্তভাবে আপনাকে বুঝিয়ে
দিচ্ছি। সেই ইলেকট্রিক্যাল নেটওয়ার্কগুলো
যেখানে প্যারামিটারগুলো হয় সহজে অথবা
পৃথকভাবে আলাদা করা যায় তাদেরকে বলা হয়
লাম্পড নেটওয়ার্ক। এটার মানে কী?
লাম্পড সম্পর্কে আরও দুই-তিনটি বিষয়
বলব। আপাতত এতটুকু আগে বুঝে নিই যে
এখানে যা লেখা আছে, তার মানে কী? এখন লাম্পড
আসলে কী ভাই? লাম্পড মানে ট্রান্সফরমার
প্যাসিভই হবে, তাই না? শগুন লিখেছে যে
স্যার, গতকালের ক্লাসে ট্রান্সফরমার
প্যাসিভ এলিমেন্টের উদাহরণ।
গতকালকের ক্লাসে রেজিস্টরও
প্যাসিভ এলিমেন্টের উদাহরণ ছিল এবং
এখন সেটি বাইল্যাটারালেরও উদাহরণ।
সুতরাং একটি এলিমেন্ট একাধিক
শ্রেণিতে শ্রেণীবদ্ধ হতে পারে। এটা
খেয়াল রাখবেন। ঠিক আছে? এতে একদমই কোনো
অসুবিধা নেই। সুতরাং একটি এলিমেন্ট
একাধিক শ্রেণিতে শ্রেণীবদ্ধ
হতে পারে। এটা একদমই সম্ভব। তাই
রেজিস্টরকেই আমরা লিনিয়ারে শ্রেণীবদ্ধ
করেছি, রেজিস্টরকেই আমরা
বাইল্যাটারালও বলেছি। রেজিস্টরকেই
প্যাসিভ হিসেবেও শ্রেণীবদ্ধ
করেছি। তাই এটা একদম ঠিক আছে। এটি অবশ্যই
সম্ভব। তাই না? আপনার একাধিক এলিমেন্ট মানে
একটি এলিমেন্ট একাধিক শ্রেণিতে আসতে
পারে। সুতরাং ট্রান্সফরমার একটি প্যাসিভ
এলিমেন্টও। নিজস্ব শক্তি সে সিস্টেমকে
দিতে পারে না। সে অন্য কারো কাছ থেকে নেওয়া
শক্তিকে স্টেপ আপ বা স্টেপ ডাউন করে
আউটপুট আকারে প্রদান করতে পারে। ঠিক আছে?
এবং সেই সাথে, প্যাসিভ তো এই কারণেই।
কিন্তু সেটি বাইল্যাটারালও । সরবরাহের উভয়
দিকেই সে একই রকম কাজ করবে। তার কোনো
সমস্যা নেই। তাই তো আমরা এটাকে এসি
সাপ্লাইয়ের সাথে সংযুক্ত করি। এখন এই
ল্যাম্পড (Lumped) জিনিসটা কী ভাই? সবার আগে
ল্যাম্প (Lump) শব্দের মানে কী? ইংরেজি এই শব্দ
'ল্যাম্প'(Lump) টাকে আগে বুঝে নিই। 'ল্যাম্প'(
Lump) শব্দের অর্থ কী? ল্যাম্প কী? গঠন। একটা ছোট
জায়গায় অনেকগুলো জিনিসের
একত্রিত হওয়া। ল্যাম্প (পিণ্ড) । আচ্ছা। ঠিক
আছে। তাহলে এই ল্যাম্পের সাথে এর
সম্পর্ক কী? ইলেকট্রিক্যাল নেটওয়ার্কে কী
হয় যে অনেকগুলো প্যারামিটার, প্যারামিটার
যেমন কী কী? চলো এই পয়েন্টটাও বুঝে নিই।
স্যার, আপনি যে ' প্যারামিটার' শব্দটি
লিখেছেন, সেটা কোথায় গেল? এটার মানে বলুন, আপনি
এখানে কী বোঝাতে চাইছেন? তো লেখক এখানে
বলতে চাইছেন যে R, L, C বা ধরুন ভোল্টেজ কিংবা
কারেন্ট, এই সবকিছুই। ঠিক আছে?
সাধারণভাবে দেখলে আমি একটা সার্কিটের কথা
বলছি, যদি আমার কাছে এমন একটা নেটওয়ার্ক
থাকে যেখানে আমি আপনাকে বলি যে বলুন
রেজিস্ট্যান্স কত? তখন আপনি একটি
নির্দিষ্ট পরিমাণ তার ম্যাগনিটিউড
জানতে পারবেন। আপনি বলবেন, স্যার এই পুরো
সার্কিটের মধ্যে ৪০ ওহম রেজিস্ট্যান্স
আছে। তাহলে সেটা একটা ফিক্সড
প্যারামিটার। এটা রেজিস্টীভ প্যারামিটার
হয়ে গেল। আমি যদি আপনাকে বলি এই সার্কিটে
ইনডাক্ট্যান্স কত তা বলুন। তখন আপনি বলবেন,
স্যার ১০ হেনরি ইনডাক্ট্যান্স আছে। আমি যদি
আপনাকে শুধু বলি ক্যাপাসিট্যান্স
কত বলুন। তখন আপনি বলবেন যে, স্যার ৫০
মাইক্রো ফ্যারাড ক্যাপাসিট্যান্স
আছে। তাহলে এটা একটা ফিক্সড প্যারামিটার।
এবং যেকোনো নেটওয়ার্ক যার ভেতরে এই
ফিক্সড প্যারামিটারগুলোকে আলাদাভাবে
শনাক্ত করা যায় । এই ধরনের নেটওয়ার্ককে
আমরা ল্যাম্পড নেটওয়ার্ক বলি । ঠিক আছে? আর
এগুলোই ল্যাম্পড প্যারামিটারও
হয়। তাই না? আর এই ল্যাম্পড নেটওয়ার্কের
জায়গায় যদি কেউ আপনাকে ল্যাম্পড
এলিমেন্টের উদাহরণ জিজ্ঞেস করে,
তাহলে এরাই হয়। এরাই হলো ল্যাম্পড
এলিমেন্ট। এদেরকে সামগ্রিকভাবে
আপনি আলাদাভাবে শনাক্ত করতে
পারেন। তো একটা সার্কিট আছে। যদি ধরে নিই,
ধরুন এমন একটা সার্কিট আছে। ঠিক আছে? এমন
একটা সার্কিট আছে। আপনার মনে একটা অদ্ভুত
প্রশ্ন আসছে যে, স্যার এটা কোন ধরনের সার্কিট?
এতে তো কোনো এলিমেন্টই দেখা যাচ্ছে না
। এর ভেতরে তো কিছুই নেই। আমি যদি আপনাকে বলি
যে এটাকে একটা প্র্যাকটিক্যাল সার্কিট
হিসেবে ধরুন। এটাকে আইডিয়াল বলে ধরবেন না।
এটাকে প্র্যাকটিক্যাল কেস হিসেবে ধরে
নিন। এবং এখানে একটা তার লাগানো আছে।
একটা বড় তার এবং কয়েকশ কিলোমিটার বা
কয়েক হাজার কিলোমিটারের এই পুরো
সার্কিটটি। এটা ধরুন ১৫,০০০ কিলোমিটারের
সার্কিট। ঠিক আছে? ১৫,০০০ কিলোমিটারের
পুরো ভারত থেকে বাইরে ঘুরে আসা একটি সার্কিট
যাকে আমি এভাবে দেখিয়েছি। এবং এটি তার দিয়ে
তৈরি। এটি তামার পরিবাহী । এর 'রো'-এর মান
আমি আপনাকে জানিয়ে দিই। ঠিক আছে? তো এখন
কী হবে? আমি আপনাকে বলব, চলুন বলুন এই
পুরো লাইনের রেজিস্ট্যান্স কত হবে? আপনার
সময় লাগবে। হিসাব করতে হবে । আর সেটা
নির্ভর করছে কার ওপর? এর দৈর্ঘ্যের ওপর
। যে ভাই, এর দৈর্ঘ্য কত? এর প্রস্থচ্ছেদের
ক্ষেত্রফল কত? এমন অনেক কিছু পরীক্ষা করার
পর, অনেক হিসাবের পরে তবেই কিছু
রেজিস্ট্যান্স পাওয়া যাবে যার মান আবার
পরিবর্তিত হতে পারে। আগামীকাল যদি
এখান থেকে আরও একটা নতুন তার টানা হয়।
রেজিস্ট্যান্সের মান বদলে যাবে। তাই এটি 'লাম্পড
' নয়। এটি ' লাম্পড' কখন হতো ? যখন এই
সার্কিটে আমি আপনাকে আগেই বলে দিতাম। এটি
যতই কিলোমিটার লম্বা হোক না কেন, এতে একটা
জিনিস নির্দিষ্ট থাকত। আমি
আপনাকে বলে দিতাম যে রেজিস্ট্যান্সটি
হলো ৫০০ ওহমের। এখন এটি নির্দিষ্ট।
এখন আমি যদি ধরে নিই, এর পরে এই তারটিকে আমি
যতদূরই টানি না কেন, আমি জানি যে এত ওহমের
রেজিস্ট্যান্স নির্দিষ্ট। তাই সার্কিটে
এটি নির্দিষ্ট । একটা পরিমাণ আলাদা করা যায়।
খুব সহজেই আপনি বলতে পারবেন যে, আচ্ছা এটি ৫০০
ওহমের এলিমেন্ট। এখানে আপনি
বলতে পারবেন না । এখানে পুরো হিসাব করতে হবে
। তারের পুরুত্ব, দৈর্ঘ্য,
সবকিছুর জন্য। ঠিক আছে? তাই এটি
গুরুত্বপূর্ণ। এইজন্যই আমরা এদের 'লাম্পড'
বলি। সেই নেটওয়ার্কগুলোকে বলি যেখানে
উপাদান বা প্যারামিটারগুলো আলাদাভাবে
শনাক্ত করা যায় । তো, ধরুন আমি এমন একটি
নেটওয়ার্ক তৈরি করলাম। দেখুন, আপনার
সামনে এভাবে একটি নেটওয়ার্ক
তৈরি করছি। ঠিক আছে? একে আপনি কী বলবেন? একে
আপনি বলবেন লাম্পড। আপনি বলবেন, হ্যাঁ
স্যার এটি একটি লাম্পড নেটওয়ার্ক।
কেন? সবকিছু নির্দিষ্ট করা আছে। ৫০ ওহমের
রেজিস্ট্যান্স আছে। ৫ হেনরির ইনডাক্ট্যান্স
আছে। ৬ মাইক্রোফ্যারাডের ক্যাপাসিটর
আছে। সবকিছু, সব প্যারামিটার একেবারে
আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায় । এমন নয় যে সব
কিছুতেই ইনডাক্ট্যান্স ,
ক্যাপাসিট্যান্স থাকতেই হবে। কিন্তু যতটুকু
আছে, যতগুলো প্যারামিটার আছে, সেগুলো সবই
আলাদাভাবে জানা সম্ভব। আপনাকে যদি কেউ
জিজ্ঞেস করে, আচ্ছা বলুন তো এতে
ইনডাক্ট্যান্স কত? তাহলে বাকি সব উপেক্ষা করে
আপনি সরাসরি এটার ওপর ফোকাস করবেন। আপনি
বলবেন ৫ হেনরির ইনডাক্ট্যান্স আছে। ঠিক আছে?
কেউ যদি আপনাকে বলে রেজিস্ট্যান্স
কত? আপনি শুধু এটার ওপর ফোকাস করবেন। বলবেন,
ভাই, পুরো সার্কিটটির ৫০ ওহম
রেজিস্ট্যান্স আছে। ঠিক আছে? সব ঠিক আছে তো?
এতদূর পর্যন্ত ঠিক আছে? কিন্তু এর বদলে, এর
পরিবর্তে আমি যদি এমন নেটওয়ার্ক
আঁকি যেটা একটু আগে আপনাকে বলছিলাম। তাই
না? এইভাবে যদি এমন বড় কোনো নেটওয়ার্ক
এঁকে দিই। এটি ভারত থেকে শুরু করে ভারতের
বাইরে এবং অনেক দূর পর্যন্ত একটি সম্পূর্ণ
সংযোগ তৈরি করা হয়েছে। এবং এর মধ্যে কিছুই
সংজ্ঞায়িত নয় । লাইনের মধ্যে ইন্ডাকট্যান্সও
হয়তো হচ্ছে। কিছু ক্যাপাসিট্যান্সও
থাকবে। কোথাও কোথাও আমরা চার্জও করছি
হয়তো। এই সবকিছুই সংজ্ঞায়িত নয়
। শুধু এটুকুই বলে দেবে যে এই লাইনের টোটাল
ইম্পিডেন্স হলো ভাইসাহেব ৬০০০ ওহম।
ব্যাস এছাড়া আর কিছু জানি না এর সম্পর্কে। তাই
আপনাকে কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে এই লাইনের
রেজিস্ট্যান্স কত ছিল? জানি না । আপনি বলবেন
আচ্ছা চলো তারের দৈর্ঘ্য খুঁজি। এর
এরিয়া খুঁজে বের করি। এর রো ( rho) খুঁজে বের
করি। যা পরিবর্তিতও হতে পারে। এটি
ভেরিয়েবল যা ভ্যারি করতে পারে। তাই কোনো
প্যারামিটার ফিক্সড নয়। আমাদের কাছে
টোটাল হিসেবে উত্তর আছে যে হ্যাঁ ভাই
টোটাল এত হতে পারে। কিন্তু আলাদাভাবে
কোনো প্যারামিটার সম্পর্কে তথ্য
চাইলে তা উপলব্ধ নেই। কিউমুলেটিভ
ফর্মে আউটপুট উপলব্ধ আছে। তাই এটি ল্যামড
নয়। তাহলে এটি ডিস্ট্রিবিউটেড । তাই না? এই
ধরনের নেটওয়ার্ককে ডিস্ট্রিবিউটেড
বলা হয়। তো এখন এর উদাহরণ কী হতে পারে? লেখক
তাই না? মারাঠি হিন্দি বিষয় মনে পড়ে গেল। কী
ব্যাপার। ঠিক আছে। তো এই পর্যন্ত
ল্যামড নেটওয়ার্ক কি আপনাদের কাছে
পরিষ্কার? যেমন এর উদাহরণের ক্ষেত্রে চলুন
আমি আপনাদের একটু সাহায্য করি যে কী
উদাহরণ হবে। এমন যেকোনো নেটওয়ার্ক
যার মধ্যে এই সব জিনিস সংজ্ঞায়িত
আছে। মানে সবার প্রথম উদাহরণ হিসেবে আপনি
ডিসি নেটওয়ার্কই বলতে পারেন।
যতগুলো ডিসি নেটওয়ার্ক আছে। যেমন
আপনার কম্পিউটারের আইসি (IC) হয়ে গেল
। তাই না? আপনার কম্পিউটারের মাদারবোর্ড
হয়ে গেল। মাদারবোর্ডগুলো হয়ে গেল।
সবকিছুর মধ্যে সংজ্ঞায়িত। সবকিছুর মধ্যে
একদম ফিক্সড থাকে। জানা থাকে যে কত
পরিমাণের রেজিস্ট্যান্স ।
রেজিস্ট্যান্স আপনি দেখতেও পাবেন।
রেজিস্ট্যান্সের ম্যাগনিটিউড আপনি দেখতে
পাবেন। কত কতর আছে। এভরিথিং ইজ ফিক্সড (
সবকিছুই নির্দিষ্ট)। সব জানা থাকে যে
তার ভেতরে কত ওহম মানের লাগানো আছে। কত
মানের ইনডাক্টর লাগানো আছে। কত
মানের ক্যাপাসিট্যান্স লাগানো আছে।
সবকিছু জানা থাকবে এর ভেতরে । ঠিক আছে? ডিসি
নেটওয়ার্ক সব এই ক্যাটাগরিতে
আসবে। আর কোনো ট্রান্সমিশন লাইন কি আসে এই
ক্যাটাগরিতে? হ্যাঁ আসে। শর্ট
ট্রান্সমিশন লাইন যেটা সেটা আসে এই
ক্যাটাগরিতে। কোন ট্রান্সমিশন
লাইন? শর্ট এবং মিডিয়ামও আসে। মিডিয়াম রেঞ্জ
। ট্রান্সমিশন লাইন তাই না? তো কারণ এর মধ্যে
জিনিসগুলো ফিক্সড থাকে। এর মধ্যে
মোটামুটি জানা থাকে আমাদের। শর্ট রেঞ্জ আছে
। ওয়েল ডিফাইন্ড ( সুসংজ্ঞায়িত)
থাকে। জানা থাকে আমাদের ডিস্টেন্স।
সবকিছু কন্ডাক্টরের জানা থাকে। তাই
মোটামুটি একেও আপনি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত
করে নেন। কিন্তু লং রেঞ্জ
ট্রান্সমিশন লাইনের দিকে যখন যাবেন, তখন
সেটা এর উদাহরণের মধ্যে আসবে না।
লং রেঞ্জ, যার উদাহরণ আমি এখনই এখানে
বলছিলাম। তাহলে সেটাকে কী বলব স্যার?
সেটাকে ডিস্ট্রিবিউটেড বলব। তবে
ডিস্ট্রিবিউটেড -এ যাওয়ার আগে ল্যাম্পড
সম্পর্কে আপনাদের আরও একটি বিষয়
জানিয়ে রাখি। এর সম্পর্কে একটি
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আমি আপনাদের
লিখিয়েই দিই যে, "সমস্ত নেটওয়ার্ক ল (
সূত্র) এবং থিওরেম ( উপপাদ্য)
প্রযোজ্য, শুধুমাত্র প্রযোজ্য
ল্যাম্পড নেটওয়ার্কের ওপর।" এটা মনে
রাখবেন, যত নেটওয়ার্ক ল এবং থিওরেম আছে
। আপনারা যা খুশি পড়ুন, কেভিএল (KVL) পড়ুন,
কেসিএল (KCL) পড়ুন, থেবনিন, নর্টন, এসপিটি,
ম্যাক্সিমাম পাওয়ার ট্রান্সফার,
কম্পেনসেশন, রেসিপ্রোসিটি, মিলম্যানস—যত
কিছুই পড়ুন না কেন, এই সবকিছুই শুধুমাত্র
ল্যাম্পড নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেই
প্রযোজ্য। এর মধ্যে একটি ল বা থিওরেমও
ডিস্ট্রিবিউটেড -এর ওপর প্রযোজ্য হয় না
। কেন প্রযোজ্য হয় না? কারণ যার মধ্যে
কোয়ান্টিটি বা রাশিই সংজ্ঞায়িত নয়,
তার ওপর কোনো ল বা থিওরেম কীভাবে কাজ
করবে? কারণ ল এবং থিওরেম একটি
নির্দিষ্ট সম্পর্ক ( ডেফিনিট
রিলেশনশিপ) প্রদর্শন করে। যেকোনো কিছুর
জন্য, ভোল্টেজ, কারেন্ট, রেজিস্ট্যান্স
—এই সবকিছুর জন্য একে একটি নির্দিষ্ট
সম্পর্কের আকারে জানানো হয়, প্রকাশ করা
হয়। তাই যেখানে জিনিসগুলোই নির্দিষ্ট নয়,
যেখানে বিষয়গুলো অনির্দিষ্ট
আকারে রয়েছে, সেখানে আপনারা সেগুলোকে কোনো
ডেফিনিটিভ ল বা থিওরেমের ভিত্তিতে
আবদ্ধ করতে পারবেন না। এই কারণেই এই
সমস্ত ল এবং থিওরেম, আপনি ওহমের সূত্র
থেকে শুরু করুন, কেভিএল, কেসিএল, থেবনিন, নর্টন,
যাই পড়ুন না কেন , কোনো একটি ল বা থিওরেম
ডিস্ট্রিবিউটেড -এর ওপর কার্যকর হতে পারে না।
সেটা শুধুমাত্র ল্যাম্পড-এর
ওপরই খাটে। তাহলে প্রথম সীমাবদ্ধতা
এখান থেকেই চলে এল যে, আমরা যে কোনো ল বা
থিওরেম প্রয়োগ করি, তা শুধুমাত্র
ল্যাম্পড নেটওয়ার্কের জন্যই বৈধ।
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের জন্য বৈধ নয়।
ঠিক আছে? এবার একটু ডিস্ট্রিবিউটেড
সম্পর্কেও লিখে নিই। হ্যালো ডিয়ার
। আচ্ছা। সাহিল বাবা গেমিং, ওকে ওকে ওকে। আমি
লক্ষ্য করিনি ডিয়ার, আপনি কি কিছু জিজ্ঞেস
করছিলেন? আমি আসলে বোর্ডের দিকে ছিলাম তো,
তাই হয়তো সেই সময় দেখতে পাইনি। মোবাইল
মাদারবোর্ডের ইন্টারনাল পার্ট, তাই না?
প্রভাকর লিখেছে। ঠিক আছে, ঠিক আছে,
ঠিক আছে, কোনো সমস্যা নেই। আপনি জিজ্ঞেস
করুন না, ডাউট জিজ্ঞেস করুন। আই এম গেমিং,
কোনো সমস্যা নেই ইয়ার, তুমি ডাউট জিজ্ঞেস
করো। লং ট্রান্সমিশন লাইন,
ডিস্ট্রিবিউটেড , শগুন লিখেছে। হ্যাঁ, তো এবার
সময় এসে গেছে লং ট্রান্সমিশন লাইনের সংজ্ঞা
লেখার। চলুন লিখি আট নম্বর পয়েন্ট এবং
ক্লাসিফিকেশনের শেষ পয়েন্ট, ডিস্ট্রিবিউটেড
নেটওয়ার্কস। সুতরাং শেষের দুটো আমি
নেটওয়ার্কের আকারে আপনাদের বলেছি। শুরুতে
আমি যতগুলো সংজ্ঞা লিখিয়েছি তা
সবই এলিমেন্টসের ক্লাসিফিকেশন
এবং শেষের দুটো নেটওয়ার্কের ক্লাসিফিকেশন।
এখন ডিস্ট্রিবিউটেড -এর ক্ষেত্রে
আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে সমস্ত
কোয়ান্টিটিকে এমনভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে
কোনো একটি নির্দিষ্ট কোয়ান্টিটিকে
আলাদাভাবে শনাক্ত করা অসম্ভব। কেবল
কিউমুলেটিভ ফর্মে জানা যেতে পারে যে
মোট পরিমাণ কত হবে। এখানে প্রতিটি
কোয়ান্টিটি বা প্রতিটি প্যারামিটারকে
আলাদাভাবে শনাক্ত করা সম্ভবই নয়।
সুতরাং সেই ইলেকট্রিক্যাল নেটওয়ার্কগুলো
সেই ইলেকট্রিক্যাল নেটওয়ার্কগুলো
যেখানে ইলেকট্রিক্যাল প্যারামিটারগুলো
যেখানে ইলেকট্রিক্যাল প্যারামিটারগুলো
নয় নয় শারীরিকভাবে পৃথকযোগ্য
শারীরিকভাবে পৃথকযোগ্য নয় তাদের বলা হয়
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কস। এর সবচেয়ে বড়
উদাহরণ কোনটি? এর প্রথম এবং সবচেয়ে বড়
উদাহরণ এইমাত্র আমরা ট্রান্সমিশন
লাইন নিয়ে কথা বলছিলাম, তাই না ? লং
ট্রান্সমিশন লাইন। লং ট্রান্সমিশন
লাইন হলো প্রথম উদাহরণ, লং ট্রান্সমিশন
লাইনে আর, এল, সি- কে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়
না, তাই না? অবশ্যই বিনয়, দুই মাস যথেষ্ট
। যাদের পরীক্ষা জানুয়ারিতে
আছে, আপনারা নিরাপদ অবস্থানে আছেন
। জানুয়ারিতে পরীক্ষা হলে ঠিক আছে, কিন্তু
যদি ডিসেম্বরে পরীক্ষা হয় তবে একটু দ্রুত
পড়তে হবে। জানুয়ারিতে পরীক্ষা হলে
আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।
আপনার বিইই (BEE) সম্পূর্ণ হয়ে যাবে, তাই না?
এসি নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন লাইন, শগুন খুব
ভালো, সঠিক। তাই না প্রভাকর? একেবারে সঠিক
উত্তর। ট্রান্সমিশন লাইনের দিকেও
খেয়াল রাখবেন। লং ট্রান্সমিশন
লাইন। ঠিক আছে? এসি নেটওয়ার্কস।
এসি নেটওয়ার্কের অধিকাংশ
সাধারণত ডিফল্টভাবে ডিস্ট্রিবিউটেড
বিভাগে আসে। কিন্তু সব এসি নেটওয়ার্ক নয়,
কিছু নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক আছে
যা ল্যাম্পড (Lumped ) ক্যাটাগরিতেও পড়ে। ঠিক আছে?
এই কারণে আমরা সাধারণ ফর্মে পুরো এসি
নেটওয়ার্ক লিখছি না। সুতরাং হ্যাঁ,
কিছু এসি নেটওয়ার্ক, কিছু এসি
নেটওয়ার্ক যার মধ্যে এটিও অন্তর্ভুক্ত
হবে এবং যেমন সাবস্টেশনগুলো । তাই না?
সাবস্টেশন ইত্যাদি। ইত্যাদি, তো এই
পর্যন্ত বলুন, ক্লাসিফিকেশনের বিষয়টি সবার
কাছে পরিষ্কার? আপনারা কি সব পয়েন্ট
সঠিকভাবে ক্লাসিফাই করতে পারবেন?
কোথাও আটকে যাবেন না তো? ক্লাসিফিকেশন
থেকে প্রশ্ন আসলে কি উত্তর দিতে পারবেন?
সুনীল, হ্যাঁ, প্রথম বর্ষের আরজিপিপিভি (RGPV)-
এর পুরো সিলেবাস। সিলেবাস নিয়ে
যদি কোনো পয়েন্টে মনে হয় যে স্যারের
ইউনিভার্সিটির সিলেবাস কভার হচ্ছে কি না,
তবে প্রথম দিনের লেকচারটি
অবশ্যই একবার দেখবেন। সেখানে আমি
বিস্তারিতভাবে পুরো সিলেবাসটি
জানিয়েছি যে কোন কন্টেন্ট কোন
চ্যাপ্টারে ভাগ করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি ১০
টি চ্যাপ্টারে বিভক্ত এবং প্রতিটি
চ্যাপ্টারের ভেতর কী কী পড়ব, তা আমি বলেছি।
তাই একবার সেই লেকচারটি অবশ্যই দেখবেন
। প্রথম লেকচারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তাতে আমি শুধুমাত্র বিইই (BEE)-এর
ভূমিকা বুঝিয়েছি, যাতে আপনারা
আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস
অনুযায়ী চেক করে নিতে পারেন যে কতটা
আপনাদের জন্য জরুরি আর কতটা বাদ দেবেন। এটা
আপনাদের পরিষ্কার হয়ে যাওয়া উচিত।
তাই না? তাই ওটা অবশ্যই দেখবেন । বাকি হ্যাঁ,
আরজিপিপিভি (RGPV)- এর সিলেবাস কভার করা থাকবে
। ঠিক আছে? তো আপনারা এটার উত্তর দিতে
পারবেন। না শগুন, মিডিয়াম এবং শর্টগুলো
ল্যাম্পড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে। চলুন,
এবার পরবর্তী অংশ শুরু করি যা আজকের মূল
বিষয়ও ছিল। ছোট্ট একটি বিষয় কিন্তু
বেশ আকর্ষণীয় এবং এখান থেকেও প্রশ্ন আসে।
বিষয়টি হলো ভোল্টেজ এবং কারেন্ট সোর্স
। এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে যদি আপনি কাউকে
জিজ্ঞেস করেন যে স্যার, এটার একটা উদাহরণ
দেবেন কি, তখন উল্টো দিকের মানুষটি
ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা বলতে শুরু করে।
ঠিক আছে? ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে,
তাই না? হ্যাঁ। তাহলে সম্ভব। মানে আপনারা
শেষ পর্যায়ে থাকবেন। আপনারা শেষ
পর্যায়ে থাকবেন। তাই না? ডিসেম্বরের
শেষ সপ্তাহ মানে আপনারা শেষ পর্যায়ে
থাকবেন। ধর্মপাল, মুখস্থ হয়ে গেল
ইয়ার। মুখস্থ মানে কি? বুঝেশুনে পড়তে
থাকুন আর পড়াতে থাকুন, দেখবেন সবকিছু
এমনিতেই আয়ত্ত হয়ে যাবে। আপনাদেরও হয়ে
যাবে। চলুন, এবার ভোল্টেজ এবং কারেন্ট
সোর্স সম্পর্কে একটু দেখা যাক। এরা
আসলে কারা ভাই? হ্যাঁ, আমি আপনাদের কী
বলছিলাম যে কারেন্ট সোর্স এমন একটি জিনিস
যার উদাহরণে পৌঁছালেই উল্টো দিকের
মানুষটি বলে যে, ঠিক আছে আজ আর থাক। ঠিক আছে?
তাই এটি সবার বোঝা খুব জরুরি । এই সোর্সগুলো
সম্পর্কেই ভবিষ্যতে আপনারা ল এবং
থিওরেমের মধ্যে পড়তে চলেছেন। তাই
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে এগুলোর
ব্যাপারে বিস্তারিত যেন আপনাদের জানা
থাকে। আপনারা যখন একটি নতুন মোবাইল কেনেন,
সেদিন পুরো রাত সেটার ফিচারগুলো
দেখতেই কাটিয়ে দেন। ঠিক আছে? একটি নতুন
মোবাইল বিশেষ করে আমাদের মতো ইঞ্জিনিয়াররা
যখন কেনেন, তখন তাদের প্রথম কাজ হয়
মোবাইলের সেটিংসে ঢুকে পড়া। আর তারপর
দেখে নেন কী কী ফিচার আছে। এর পুরো র্যাম, রম
সব তন্ন তন্ন করে ফেলে এরা। তাই না? তো এমনই
হাল থাকে। ঠিক তেমনই এদের অবস্থাও।
ভবিষ্যতে আপনারা নেটওয়ার্ক ল
এবং থিওরেমে যেতে চলেছেন। কিন্তু তার আগে
এগুলো হলো টুলস । এগুলো সেই নতুন মোবাইলের
সেটিংসেরই মতো । তাই এই সব সেটিংস খুব
ভালো করে শিখে নিই যাতে দ্বিতীয়বার এ
ব্যাপারে আর কথাই বলতে না হয় । তো আপনাকে
বলবে আরে ভাইসাব তোমার ফোনে ওই ফ্লিপ
করার অপশনটা আছে না, ওটা দিয়ে সাউন্ড
কমিয়ে নেওয়া যায়। পারেন কি? সেটিংস অন করা
আছে কি? ৪ দিন আগেই অন করা আছে । স্যার যেদিন
কিনেছিলাম সেই রাতেই আমি এই ফিচারটা চালু
করে নিয়েছিলাম । তো ঠিক তেমনই এগুলো, এদের
ব্যাপারে একদম নিশ্চিত থাকুন যে মাঝরাতে কেউ
যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করে বলুন ভোল্টেজ
সোর্সের আইডিয়াল কন্ডিশনে
রেজিস্ট্যান্স কত হয়, আপনি অনায়াসেই বলে
দেবেন। সবকিছু এমন থাকা উচিত, এই ভিডিওটি
একদম দুর্দান্ত হবে । ঠিক আছে?
সংগ্রাম, আজ দেরি হয়ে গেছে, কোনো সমস্যা
নেই প্রিয়। রবিবার কীভাবে দেরি হলো? আগে
এটা বলো, রবিবারে যে দেরি করে সে
নিশ্চয়ই কোথাও ঘুরতে গিয়েছিল । তাহলে,
ভোল্টেজ এবং কারেন্ট সোর্স কী? সবার আগে
এগুলো হলো অ্যাক্টিভ এলিমেন্টস।
এগুলো হলো অ্যাক্টিভ এলিমেন্টস যা
সিস্টেমকে এনার্জি প্রদান করে।
এসব তো আমরা জেনেই গেছি। সিস্টেমের
বদলে আমি নেটওয়ার্ক শব্দটি
ব্যবহার করছি। কারণ আমরা নির্দিষ্টভাবে
সার্কিট এবং নেটওয়ার্ক নিয়ে কথা বলছি।
এর ক্লাসিফিকেশন কীভাবে করা
উচিত? চলুন এর ক্লাসিফিকেশন বুঝে নিই।
সোর্স, সোর্সগুলোকে কীভাবে
ক্লাসিফাই করা যায়? সোর্সগুলোকে
চলুন দুটি ক্যাটাগরিতে ক্লাসিফাই করি
। এর একটি ছোট ফ্লো চার্ট দেখি। চলুন
দেখি। সোর্স এর দুটি ক্লাসিফিকেশন,
সবার প্রথম কোন রঙ নেব? চলুন সবুজ দিয়েই
লিখে নিই। সবার প্রথম যে ক্লাসিফিকেশন
তা হলো ইন্ডিপেন্ডেন্ট । দ্বিতীয়টি
হলো ডিপেন্ডেন্ট। ইন্ডিপেন্ডেন্ট
সোর্স এবং ডিপেন্ডেন্ট সোর্স। মন দিয়ে
দেখতে থাকুন। আমরা এখানে সোর্সের
সম্পূর্ণ কুন্ডলী তৈরি করতে চলেছি।
কোন গ্রহে কী বসে আছে সব এতে লেখা থাকবে। মন
দিয়ে বুঝবেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং
ডিপেন্ডেন্ট দুটি ক্যাটাগরিতে
একে ক্লাসিফাই করে নিই। এবার যখন আমরা
ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্সে যাই ইন্ডিপেন্ডেন্ট
সোর্সে যখন যাই, তখন একে আবার দুটি
ক্যাটাগরিতে ক্লাসিফাই করব । কী কী সেই
দুটি? তাহলে একটি হবে একটি হবে আইডিয়াল,
অন্যটি হবে প্র্যাক্টিক্যাল । ঠিক আছে? এই
ডিপেন্ডেন্টদের কী হবে? এদের কিছু হয় না। এতে
কেবল একটিই ক্যাটাগরি থাকে।
ডিপেন্ডেন্টের পর একে সরাসরি চারটি ভাগে
ভেঙে দিন। এই সবের ব্যাপারে আমি ধীরে ধীরে
আপনাদের বিস্তারিত বলতে থাকব।
ডিপেন্ডেন্ট সোর্সকে সবার আগে দুটি অংশে
পড়ুন যে সবার প্রথম হলো ভোল্টেজ সোর্স
এবং দ্বিতীয়টি হলো কারেন্ট সোর্স। ফ্লো
চার্ট থাকলে কী হয় জানেন তো? খুব বেশি থিওরি
মুখস্থ করার প্রয়োজন পড়ে না । ফ্লো চার্টে
আপনি সবকিছু জানতে পারবেন যে কোনটি কোথা
থেকে উদ্ভূত, কোনটি কার ক্যাটাগরি,
কোনটি কার সাব- পার্ট, তা বুঝতে পারবেন। ঠিক
আছে? এখন এখানে আমি আইডিয়াল এবং
প্র্যাকটিক্যালকে যে ক্লাসিফাই করলাম, সেগুলো
আবার দুটি ক্যাটাগরিতে চলে যায়। কোন
দুটি ক্যাটাগরিতে? এখন এগুলোর
মধ্যেও চলে আসবে ভোল্টেজ সোর্স এবং
কারেন্ট সোর্স । উভয়ের মধ্যেই একই রকম
ক্লাসিফিকেশন। ঠিক আছে? হ্যাঁ। তাই
আইডিয়ালের মধ্যেও ভোল্টেজ সোর্স,
কারেন্ট সোর্স, প্র্যাকটিক্যালের মধ্যেও
ভোল্টেজ সোর্স, কারেন্ট সোর্স । আমি এখন এসি,
ডিসি নিয়ে কথাই বলছি না। এই পুরো
ক্লাসিফিকেশনে আমি ডিসি এবং এসি শব্দগুলোই
ব্যবহার করছি না কারণ চ্যাপ্টারের
নামই ডিসি সার্কিট। তাই আমরা এখন
ওটাতেই থাকব। তাই আইডিয়ালের
জায়গায় আমি লিখলাম ভোল্টেজ সোর্স
এবং কারেন্ট সোর্স। আজকের ক্লাসে আমাদের
পুরো ফোকাস এই দুটির ওপরই থাকবে। এবং
প্র্যাকটিক্যালের ক্ষেত্রেও লিখব ভোল্টেজ
সোর্স এবং কারেন্ট সোর্স । ঠিক আছে? এখন
এগুলোর মধ্যে আপনি যদি ডিপেন্ডেন্ট
সোর্সের ক্লাসিফিকেশন করেন। তাহলে
এতে আরও ক্লাসিফিকেশন চলে আসে যে
ভোল্টেজ সোর্সকেও আপনি দুটি
ক্যাটাগরিতে ভাগ করবেন। আমি এটি সংক্ষেপে
লিখে দিচ্ছি কারণ ডিপেন্ডেন্ট
সোর্সকে আমরা আলাদা একটি টপিক হিসেবে
পড়তে যাচ্ছি। তাই এখানে এ নিয়ে বেশি কথা
বলব না। সিডিভিএস (CDVS) এবং ভিডিএস (VDS)
একইভাবে কারেন্ট সোর্সকেও আপনি
দুটি ক্যাটাগরিতে ক্লাসিফাই করে
নিন। আমি এখন কমেন্টগুলো ঠিকমতো দেখতে
পাচ্ছি না। আমি এখনই এটা ড্র করে দেখছি। তাই
আমরা লিখব এটাকে কোন কোন ক্যাটাগরিতে,
লিখব ভিডিসিএস ( VDCS) এবং সিডিসিএস (CDCS)।
এগুলো সব কী কী? আমি এখনই বলব। সবকিছুই
আপনাদের বলব। কিছুই বাদ যাবে না। হ্যাঁ।
এতটুকু এখনকার জন্য যথেষ্ট। ক্লাসিফিকেশনের
এই অংশটা এখনকার জন্য এনাফ। হ্যাঁ,
এখানে সঠিক কথা এবং ভুল কথা নিয়েও আলোচনা
চলছে। ঠিক আছে। অজয় রান্না করতে দেরি করে
ফেলেছেন। একটু দেরিই হোক না। আরও ১০ মিনিট
দেরি হোক। এটা শেষ করে তারপর রান্না করবেন।
হ্যাঁ। তো এখন দেখুন কী কী আছে । এখান থেকেই
শুরু হয় সোর্সের। সোর্সকে আপনি
দুটি ক্যাটাগরিতে ক্লাসিফাই
করেছেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং
ডিপেন্ডেন্ট। ডিপেন্ডেন্ট সোর্স নাম
থেকেই বোঝা যাচ্ছে। ডিপেন্ডেন্ট
সোর্স অন্য কোনো প্যারামিটার,
অন্য কোনো পরিমাণের ওপর নির্ভর করে।
এটা নিয়ে আমরা এখন কথা বলব না। এটা পুরো আলাদা
একটি টপিক। আলাদাভাবে পড়ব। আপাতত এই
দিকে ফোকাস করুন। বাম দিকে । তো
ইন্ডিপেন্ডেন্টের পর আমরা এটিকে দুটি
ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি। আইডিয়াল এবং
প্র্যাকটিক্যাল । তাত্ত্বিকভাবে
যত ধরনের অনুমান করা হয়, তা সব আইডিয়াল
ক্যাটাগরির সোর্সের ওপর ভিত্তি করেই
করা হয়। অর্থাৎ সোর্সটিকে
আমরা তার একদম আইডিয়াল কন্ডিশনে
নিয়ে বুঝি যে, সেটি কীভাবে কাজ করে। ঠিক
আছে? তো আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল
। আইডিয়াল সোর্সের ক্ষেত্রেও।
এখন আমাদের কাছে দুই ধরনের সোর্স আছে।
একটি হলো ভোল্টেজ সোর্স, অন্যটি
কারেন্ট সোর্স । এই দুটি জিনিসই আছে।
আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল —উভয়ের
ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। ঠিক আছে? যদি
ডিপেন্ডেন্ট সোর্সে যাই, তবে এই ভোল্টেজ ও
কারেন্ট সোর্সের বাইরেও আমাদের
দেখতে হয় যে সেগুলো কোন কোন মানের ওপর
নির্ভর করছে। ঠিক? যেহেতু আজকের ক্লাসে
আমি এদের সম্পর্কে বলছি না। তাই আমি এটি
বিস্তারিত বলছি না। এখন আর এর ফুল ফর্ম বা
বাকি কিছু বলছি না। আপাতত শুধু এখানেই ফোকাস
করি। তো ইন্ডিপেন্ডেন্টের মধ্যে
আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল —উভয়েরই
কারেন্ট এবং ভোল্টেজ সোর্স থাকে। তাই
কারেন্ট সোর্স আইডিয়াল হতে পারে, আবার
প্র্যাকটিক্যালও হতে পারে। ঠিক? সাধারণত আমরা
যে সার্কিটগুলোতে যা ব্যবহার করি,
যা সামনাসামনি দেখতে পাই, যেমন বাজার থেকে
কেনা কোনো ব্যাটারি বা সেল, সেটি এক
ধরনের প্র্যাকটিক্যাল সোর্স,
আইডিয়াল নয়। যেমন এটি দেখুন । এখানে ধরে নিন
যে, আমার কাছে একটি সেল লাগানো আছে।
ঠিক আছে? এই যে দেখুন। এই সেলটি যেটা
লাগানো আছে, এটি আপনি বাজার থেকে কিনে
এনেছেন। এটি কোন ধরনের সোর্স? এটি একটি
প্র্যাকটিক্যাল সোর্স। এটি আইডিয়াল নয়।
পার্থক্য কী? আসুন আগে দুটির পার্থক্য বুঝে
নিই। ঠিক আছে? হ্যালো প্রভাকর।
আচ্ছা, কোনো স্প্যামিং চলছে নাকি? আমি
লক্ষ্য করিনি। ঠিক আছে। রাহুল, আমি কি একবার
আবার বলব? ঠিক আছে। বাবর, অবশ্যই, অবশ্যই
প্রিয়, আমরা অবশ্যই সময় বাড়িয়ে নেব।
আর হ্যাঁ, দেখুন , আবার বলে দিচ্ছি,
সোর্সগুলোকে মূলত দুটি ক্যাটাগরিতে
ভাগ করা হয়— ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং
ডিপেন্ডেন্ট। ঠিক আছে, ডিপেন্ডেন্ট
সোর্স অন্য কোনো কোয়ান্টিটির
ওপর নির্ভর করে, যেমন এর ফুল ফর্ম হলো '
কারেন্ট ডিপেন্ডেন্ট ভোল্টেজ সোর্স',
তাই এটি ভোল্টেজ সোর্স হলেও
সার্কিটের কোনো কারেন্টের ওপর
নির্ভর করছে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্স কোনো
কিছুর ওপরই নির্ভর করে না। এরা নিজেরাই
নিজেদের মধ্যে উৎস হিসেবে কাজ করে, সার্কিটে
শক্তি প্রদান করার নিজস্ব ক্ষমতা এদের
থাকে, তাই এরা শক্তি সরবরাহ করতে পারে।
এদেরকেও দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। একটি
আদর্শ, অন্যটি ব্যবহারিক ( প্র্যাকটিক্যাল
)। আদর্শের ক্ষেত্রে কিছু অনুমান থাকে যা
আমরা আদর্শ হিসেবে ধরে নিই । যেমন
পরিবাহীর ক্ষেত্রে আপনি ধরে নেন যে
পরিবাহীতে কোনো রোধ থাকা উচিত নয়। কোনো
ভোল্টেজ ড্রপও হওয়া উচিত নয়। তো ভাই এমন
পরিবাহী কি আদৌ আছে? সেটা সুপার কন্ডাক্টর হয়।
ঠিক আছে? সুপার কন্ডাক্টিং অবস্থায় নিয়ে
গেলে তবেই এমনটা হবে। সাধারণত এমনটা
হয় না। তাই আদর্শ এবং ব্যবহারিকের
ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটা থাকে। স্যার
ব্যাটারি কি ভোল্টেজ সোর্স নয়? অঞ্জনি এটা
জানতে চেয়েছে। এখন এই বিষয়টিরই
উত্তর দিতে হবে । ঠিক আছে রাহুল ? তো এখানে
পর্যন্ত পরিষ্কার? তাহলে এখন এই
দুটির ব্যাপারে বিস্তারিত
পড়তে যাচ্ছি। মন দিয়ে দেখতে থাকুন। তো সবার
প্রথমে শুরু করছি ভোল্টেজ সোর্স
সম্পর্কে। ভোল্টেজ সোর্স । ঠিক আছে?
ভোল্টেজ সোর্স কী হয়? ভোল্টেজ সোর্স বা ইএমএফ-
এর উৎস, এই বিষয়টি একটু বড় । এটি
আগামীকালের ক্লাস পর্যন্ত গড়াবে। এতে
কোনো সমস্যা নেই। এটা পড়ব। তবে এটি
ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। একে
তাড়াহুড়ো করে একদমই পড়া যাবে না। ভোল্টেজ
সোর্স কী হয়? ভোল্টেজ সোর্স মানে বিভবের
উৎস, অর্থাৎ যা কোনো সার্কিটের
যেকোনো দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য
বা বিভবান্তর সৃষ্টি করতে পারে। সেটাই
হলো ভোল্টেজ সোর্স, যার কারণে
সার্কিটে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়া
উচিত। ঠিক আছে? অবশ্যই আপনারা সন্দেহ থাকলে
জিজ্ঞেস করতে পারেন। তাই না? অবশ্যই আপনারা
সন্দেহ থাকলে জিজ্ঞেস করতে পারেন।
ভোল্টেজ সোর্স । এটি একটি। উৎস । উৎস মানে
সক্রিয় ( অ্যাক্টিভ)। এটি একটি
সক্রিয়। উৎস যা প্রদান করে। একটি বিভব
পার্থক্য। যা বিভব পার্থক্য প্রদান করে।
যেকোনো দুটি বিন্দুর মধ্যে । সার্কিটের,
সার্কিটের যেকোনো দুটি বিন্দুর মধ্যে
বিভব পার্থক্য বা বিভবান্তর যা প্রদান করতে
পারে। সেটাই হলো ভোল্টেজ সোর্স। তবে
এতেও আদর্শ ও ব্যবহারিক দুই ধরনের হয়ে থাকে
। কী হয় আদর্শ ভোল্টেজ সোর্স? চলুন দেখা যাক।
তাই না? তো ধীরাজ লিখেছে যে অনিশ স্যার
ক্লাস নেবেন। হ্যাঁ। সেজন্য সময়টা একদম
নির্দিষ্ট যে ৯:৩০ থেকেই আপনাদের পরের
ক্লাসটিও শুরু হয়ে যাবে। তাই সময় এখন
বাড়াচ্ছি না। ধীরে ধীরে ভবিষ্যতে আমরা
এই জিনিসটি পরিকল্পনা করব । তবে আপাতত ঠিক
আছে? তো এখন দেখুন ভোল্টেজ সোর্সে প্রথম
শর্ত হলো আদর্শ ভোল্টেজ সোর্স । ঠিক আছে?
প্রথম কেস আদর্শ ভোল্টেজ সোর্স। মন দিয়ে
দেখবেন। আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স
। ঠিক? একটি আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স
লোডে কত রেজিস্ট্যান্স লাগানো আছে তার
ওপর নির্ভর করে না। এর কাছে এটা ম্যাটার করে না
যে লোডে কত রেজিস্ট্যান্স লাগানো আছে। এর
মধ্য দিয়ে কত কারেন্ট প্রবাহিত
হচ্ছে। তাতে কোনো পার্থক্য পড়ে না। এটি
সিস্টেমে ক্রমাগত একই ভোল্টেজ
প্রদান করতে থাকবে। আবার একবার মনোযোগ
দিয়ে বুঝুন। একটি আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স
একটি ধ্রুবক ভোল্টেজ প্রদান করতে
থাকবে। টার্মিনালে কত লোড লাগানো আছে
তা নির্বিশেষে? আপনি লোডের মান পরিবর্তন করে
দিন। লোড রেজিস্ট্যান্স পরিবর্তন করুন
। আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স কোনো ড্রপ
ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ
পটেনশিয়াল দেবে। কোনো ড্রপ ছাড়াই।
ঠিক আছে? শগুন লিখেছে যে স্যার
ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্স দুটি অংশে বিভক্ত।
আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল । কিন্তু স্যার,
আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল উভয়
ক্ষেত্রেই তো একই। তাই উভয় ক্ষেত্রেই
আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল ভোল্টেজেরও
আইডিয়াল ফর্ম থাকে। কারেন্ট সোর্সেরও
আইডিয়াল ফর্ম থাকবে। প্র্যাকটিক্যালেও
ভোল্টেজ সোর্সের প্র্যাকটিক্যাল
ফর্ম এবং কারেন্ট সোর্সেরও
প্র্যাকটিক্যাল ফর্ম থাকবে। তাই এটি এভাবে
বিভক্ত। তাই না? চলুন দেখি। তাহলে
আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স কী হবে? আসুন
কিছুটা সংজ্ঞা লিখে নিই। সময় কম আছে। আজ
এটিকে সংজ্ঞায়িত করে নিই। আগামী
ক্লাসে এটিকে বিস্তারিত বুঝব। এন
আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্স এন আইডিয়াল
ভোল্টেজ সোর্স উইল প্রোভাইড আ কনস্ট্যান্ট
অর ফিক্সড ভোল্টেজ অর ফিক্সড
ভোল্টেজ টু দ্য লোড ইরিস্পেক্টিভ
অফ দ্য ম্যাগনিটিউড অফ অফ লোড
রেজিস্টর ইরিস্পেক্টিভ অফ দ্য
ম্যাগনিটিউড অফ লোড রেজিস্টর। এটি
আমি আপনাদের তাত্ত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করে
বলছি। আপাতত আপনারা এতটুকু লিখে নিন।
তারপর এটি ভালো করে বুঝি। তো একটি আইডিয়াল
ভোল্টেজ সোর্স থেকে আপনি যে পরিমাণই
কারেন্ট ড্র করুন না কেন। আপনি যে
পরিমাণই কারেন্ট ড্র করুন। আপনার
লোডটি সার্কিটে কীভাবে কাজ করে
তা একটু বুঝি। আপনার লোড কী পরিমাণ
কারেন্ট ড্র করছে তাতে কিছু যায় আসে না।
লোড কী পরিমাণ কারেন্ট ড্র করছে তাতে কোনো
পার্থক্য তৈরি হয় না। আপনার সেই আইডিয়াল
ভোল্টেজ সোর্সটি সম্পর্কে আমরা
আগামী ক্লাসে সিম্বলসহ আরামসে আলোচনা
করব। তো যদি ধরে নিই যে এখানে একটি লোড
রেজিস্টর লাগানো আছে। এটি হলো RL
ভেরিয়েবল। অর্থাৎ এর মান পরিবর্তন হতে
পারে। এখন এটি যদি একটি আইডিয়াল
ভোল্টেজ সোর্স হয়, তবে লোডের ম্যাগনিটিউড
আপনি যতই পরিবর্তন করুন না কেন। এর মান
যদি VS হয়, তবে টার্মিনাল ভোল্টেজের
তুলনায় এর ম্যাগনিটিউডে কোনো পরিবর্তন
হবে না। টার্মিনাল ভোল্টেজে আপনি
যতই পরিবর্তন করুন। দেখো এখান থেকে এ
পর্যন্ত এটাকে VT বলো বা VL বলো। তাই না? লোড
ভোল্টেজ বা টার্মিনাল ভোল্টেজ, তুমি
এটাকে যা খুশি বলতে পারো। এতে তুমি যাই
পরিবর্তন করো না কেন। কীভাবে পরিবর্তন হবে? I-
এর মান এবং RL-এর মান অনুযায়ী তুমি এতে
পরিবর্তন করো। এই VS-এর মানে কোনো পরিবর্তন
হবে না। VS একদম নির্দিষ্ট বা ফিক্সড। সেটা
তোমাকে আউটপুটে ততটাই পটেনশিয়াল
প্রদান করতে থাকবে। ঠিক আছে? সবাই এটা লিখে
নিয়েছ। হ্যাঁ রাহুল, নিউমেরিক্যাল
বা গাণিতিক সমস্যাগুলো আগে ভালো করে
বুঝে নিই। তারপর এই বিষয়ে তো অনেক
নিউমেরিক্যাল সমাধান করতে হবে। পরিষ্কার?
সৌরভ লিখেছে, স্যার বোঝার জন্য কিছু
প্রশ্নও করান। তাত্ত্বিক অংশটা আগে, তাই
তোমাকে দ্রুত বলছি যাতে তুমি এর প্রশ্নগুলো
সমাধান করতে পারো। তাই না? যাতে তুমি এর
প্রশ্নগুলোও সমাধান করতে পারো। এখনো এটা
পড়া বাকি আছে। যখন তুমি ধীরে ধীরে এটা বুঝতে
শুরু করবে, তখন হঠাৎ করেই তুমি প্রশ্ন সমাধান
করতে পারবে। এখন অনেক প্রশ্ন আছে এই
চ্যাপ্টারে, সেখানে পৌঁছাবো। একটি
আদর্শ ভোল্টেজ উৎস একটি ধ্রুবক প্রদান
করবে, তাই না? বা লোড রেজিস্টরের
মান নির্বিশেষে লোডে একটি
নির্দিষ্ট ভোল্টেজ প্রদান করবে।
তাহলে একটি আদর্শ ভোল্টেজের
জন্য যদি তুমি গ্রাফ তৈরি করতে যাও, একটি
আদর্শ ভোল্টেজ উৎসকে যদি গ্রাফের
মাধ্যমে প্রকাশ করো, তবে এটি দেখতে এমন
হবে। দেখো, দেখো । যদি এখানে আমি V-কে I-এর
সাপেক্ষে দেখাই, তাই না? ধরে নাও এখানে IL
এই দিকে বাড়ছে, তাহলে একটি নির্দিষ্ট
লোডের জন্য এটি এমন কার্ভ দেখাবে, এই
ধরনের কার্ভ। আদর্শ, এই দেখো, এমন গ্রাফ দেখা
যাবে। এটি একটি আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের গ্রাফ।
এটি আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের জন্য যে IL-এর মান
যাই হোক না কেন, তোমার V হবে VT = VS- এর ক্ষেত্র। VT = VS
বা VL = VS এই শর্তটি থাকবে। সর্বদা তুমি
একদম ধ্রুবক বা নির্দিষ্ট পরিমাণ আউটপুট
পেতে থাকবে। এখানে কোনো ধরনের ড্রপ বা
পতন দেখতে পাওয়া যাবে না। কেন? কারণ আমরা
এটা ধরে নিই যে এই ভোল্টেজ উৎসের ভেতরে
কোনো অভ্যন্তরীণ রোধ নেই। নেট
অভ্যন্তরীণ রোধ বা ইন্টারনাল
রেজিস্ট্যান্স হলো শূন্য। এর কারণ আমি পরের
ক্লাসে বলব যে কেন এমন এবং কেন এর কোনো
অভ্যন্তরীণ রোধ নেই। অর্থাৎ এর যতটা
পটেনশিয়াল আছে, সম্পূর্ণ পটেনশিয়াল এটি
তোমার লোডকে প্রদান করতে পারে। আর যদি
এটি প্রদান করতে পারে, তাহলে এর মানে
গ্রাফটি একদম সোজা বা ধ্রুবক চলবে। এই
গ্রাফে কোনো ধরনের পতন আসবে না। কোনো ধরনের
ড্রপ বা পতন তুমি দেখতে পাবে না। ঠিক
আছে? আজ তৃতীয় ক্লাস রঞ্জন। আজ তৃতীয় ক্লাস
। ঠিক আছে? এখানে পর্যন্ত পরিষ্কার?
তাহলে এই হলো শর্ত। আচ্ছা, তাহলে আজকের
ক্লাসের পরের সেশনের সময় হয়তো আপনাদের
হয়ে গেছে। আমার মনে হয় আপনাদের পরের ক্লাসটি
অনীশ স্যারের হবে। তাই আপনারা সেটা
অ্যাটেন্ড করে নেবেন। আজকের সেশনটি আমি
এখানেই শেষ করছি। আশা করি আপনারা এতদূর
পর্যন্ত নোট তৈরি করে রেখেছেন।
এটাকে আগামীকালের ক্লাসে আমি আরও
বিস্তারিতভাবে পড়াব। তারপরে আপনাদের দিয়ে
প্রশ্ন সমাধান করাব। দেখবেন খুব ভালো লাগবে
। আপনারা সহজেই প্রশ্নের উত্তর দিতে
পারবেন। ঠিক আছে। সংগ্রাম, যদি আপনি
সিরিজেও এর সাথে এই লোডে কোনো
রেজিস্ট্যান্স , এখন এই লোড ৫ ওহমের, এটাকে
বদলে ১০ ওহম করে দিন, কোনো পার্থক্য পড়বে
না। আপনার সোর্সটি ততটাই ভোল্টেজ দিতে
থাকবে, এটা ফিক্সড। ততটাই পটেনশিয়াল,
টার্মিনাল পটেনশিয়াল প্রদান করবে, এর
VS এবং VT উভয়ই সমান থাকবে। আপনি যত খুশি
কারেন্ট ড্র করুন, এটি ফিক্সড পরিমাণ
ভোল্টেজ প্রদান করবে, এই কারণেই আমরা
একে এভাবে লিখি । ঠিক আছে, চলুন, তাহলে আজকের
সেশন আমরা এখানেই শেষ করছি।
আগামীকালের ক্লাসে আপনাদের সবার
সাথে দেখা হবে এবং আরও ভালোভাবে ইন-
ডেপথ পড়ব। বিস্তারিত পড়ব এবং সেরা উপায়ে
এটি শেষ করব। ঠিক? আগামী সেশনে আপনাদের
সবার সাথে দেখা হবে। স্যার প্রশ্ন করান।
প্রশ্ন আগামীকালের ক্লাসে, কারণ
এখন এই টপিকটি শেষ হয়নি। যখন এই টপিকটি শেষ
হয়ে যাবে তখন আমি আপনাদের প্রশ্ন করাব।
আজকের ক্লাসেও প্রশ্ন রাখা আছে। তাই না?
এখানে আপনাদের জন্য প্রশ্ন আছে। কিন্তু
এখন সেটা করব না । আগামীকালের ক্লাসে
নিশ্চিতভাবে করব। যখন আপনারা
আইডিয়াল এবং প্র্যাকটিক্যাল উভয় কারেন্ট
ভোল্টেজ সোর্স পড়ে নেবেন, তখন প্রশ্ন সমাধান
করতে মজা লাগবে । ঠিক আছে? তাই একটু অপেক্ষা
করি, তারপর প্রশ্ন সমাধান করব।
আগামীকালের সেশনে আপনাদের সবার সাথে দেখা
হবে। ততদিন ভালো থাকুন এবং সব সেশন উপভোগ
করতে থাকুন। সেরা উপায়ে পড়াশোনা করুন।
আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।
ইউনিলেটারাল এলিমেন্ট (যেমন ডায়োড) শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দিকে কারেন্ট প্রবাহিত হতে দেয় এবং দিক পরিবর্তন করলে এর আচরণ বদলে যায়। অন্যদিকে, বাইলেটারাল এলিমেন্ট (যেমন রেজিস্টর) কারেন্টের দিক নির্বিশেষে একই বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
লাম্পড নেটওয়ার্ক কম্পিউটারের IC বা মাদারবোর্ডের মতো ছোট সার্কিটে বেশি দেখা যায়, যেখানে R, L, C আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়। ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক লম্বা ট্রান্সমিশন লাইনে দেখা যায়, যেখানে প্যারামিটারগুলি সার্কিট জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং পৃথক করা সম্ভব নয়।
আইডিয়াল ভোল্টেজ সোর্সের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স শূন্য, তাই লোডের কারেন্ট যাই হোক না কেন এটি ধ্রুবক ভোল্টেজ সরবরাহ করে। প্র্যাকটিক্যাল ভোল্টেজ সোর্সের (যেমন ব্যাটারি) কিছু অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স থাকে, যার কারণে লোড কারেন্ট বাড়লে টার্মিনাল ভোল্টেজ কমে যায়।
ডিপেন্ডেন্ট সোর্সের আউটপুট সার্কিটের অন্য কোনো ভোল্টেজ বা কারেন্টের উপর নির্ভরশীল। এগুলি চার প্রকার: ভোল্টেজ-নিয়ন্ত্রিত ভোল্টেজ সোর্স (VCVS), ভোল্টেজ-নিয়ন্ত্রিত কারেন্ট সোর্স (VCCS), কারেন্ট-নিয়ন্ত্রিত ভোল্টেজ সোর্স (CCVS), এবং কারেন্ট-নিয়ন্ত্রিত কারেন্ট সোর্স (CCCS)।
কারণ লাম্পড নেটওয়ার্কের প্যারামিটারগুলি (R, L, C) নির্দিষ্ট স্থানে পৃথকভাবে সংজ্ঞায়িত, তাই Kirchhoff এর সূত্রগুলি সরাসরি প্রয়োগ করা যায়। ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কে প্যারামিটারগুলি বিস্তৃত থাকায় এগুলি পৃথক করা অসম্ভব, তাই সূত্রগুলি সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
হ্যাঁ, একটি এলিমেন্ট একাধিক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি রেজিস্টর একইসাথে প্যাসিভ, লিনিয়ার এবং বাইলেটারাল এলিমেন্ট। এটি কারেন্টের দিক নির্বিশেষে একই রকম আচরণ করে, তাই বাইলেটারাল এলিমেন্টের উদাহরণ।
কারণ ট্রান্সফরমার এসি সাপ্লাইয়ের উভয় অর্ধচক্রেই একইভাবে কাজ করে, অর্থাৎ কারেন্টের দিক পরিবর্তন করলেও এর আচরণ অপরিবর্তিত থাকে। এটি প্যাসিভ এলিমেন্ট হলেও বাইলেটারাল বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে।
Keep this summary
Save it to LunaNotes and it becomes a real note in your library — editable, searchable, and ready to turn into flashcards or a diagram. Free to start.
Save to LunaNotesOr summarise for another video.
32K+ people have turned 65K+ videos into notes
“Very useful tool. I'm using it for the last couple weeks and I'm loving it so far. Makes learning on YouTube a great experience.”
This summary and transcript were automatically generated using AI with the Free YouTube transcript summary tool by LunaNotes.
Related summaries
एक शॉट लेक्चर: यूनिट 1 इलेक्ट्रॉनिक्स: सेमीकंडक्टर, डायोड & एप्लीकेशन
यह वन-शॉट लेक्चर फंडामेंटल ऑफ इलेक्ट्रॉनिक्स इंजीनियरिंग की यूनिट 1 को कवर करता है जिसमें सेमीकंडक्टर डायोड, डायोड एप्लीकेशन और स्पेशल पर्पस डिवाइसेज शामिल हैं। इसमें पीएन जंक्शन, डिप्लीशन लेयर, रेक्टिफायर, क्लिपर-क्लैंपर, और जेनर डायोड के साथ न्यूमेरिकल को विस्तार से समझाया गया है।
ক্যাপাসিট্যান্স ও ক্যাপাসিটর: FEEE কোর্সের সম্পূর্ণ গাইড
এই ভিডিওতে ইলেকট্রিক্যাল ক্যাপাসিট্যান্সের সংজ্ঞা, একক (ফ্যারাড, স্ট্যাটফ্যারাড), মাত্রা ও প্রভাবকসমূহ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পেপার, মাইকা, সিরামিক, ইলেকট্রোলাইটিক ও ভেরিয়েবল ক্যাপাসিটরের প্রকারভেদ, সিরিজ ও প্যারালাল কম্বিনেশনের সূত্র এবং সার্কিটে ভোল্টেজ স্থিতিশীলকরণসহ ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
उत्पादन योजना और सुविधा निर्णय | PPC, क्षमता और लेआउट रणनीतियाँ
यह वीडियो 'प्रोडक्शन प्लानिंग एंड फैसिलिटी डिसीजन' पर 9वां लेक्चर है, जो Cocoar परीक्षा की तकनीकी श्रृंखला का हिस्सा है। इसमें PPC (रूटिंग, लोडिंग, शेड्यूलिंग, डिस्पैचिंग, एक्सपिडिटिंग), एग्रीगेट प्लानिंग (लेवल, चेज़, मिक्स्ड रणनीतियाँ), क्षमता मापन (डिज़ाइन, प्रभावी, वास्तविक), बॉटलनेक विश्लेषण, और सुविधा स्थान चयन (फैक्टर रेटिंग, ग्रैविटी केंद्र, ब्रेक-ईवन) को कवर किया गया है। वीडियो में विस्तृत उदाहरण और MCQ अभ्यास भी शामिल हैं।
इलेक्ट्रॉनिक्स इंजीनियरिंग यूनिट 1: डायोड्स का कम्प्लीट वन शॉट
इस वन शॉट लेक्चर में सेमीकंडक्टर डायोड, डायोड एप्लीकेशन और स्पेशल पर्पस डिवाइसेस जैसे टॉपिक्स को डिटेल में कवर किया गया है। न्यूमेरिकल्स, पीवाईक्यू और महत्वपूर्ण थ्योरी के साथ परीक्षा के लिए संपूर्ण तैयारी करें।
ऑर्गेनिक केमिस्ट्री की बेसिक समझ | कार्बन, कोवेलेंट बॉन्ड, हाइड्रोकार्बन
सुनील भैया इस वीडियो में ऑर्गेनिक केमिस्ट्री को आसान और मजेदार तरीके से समझाते हैं। आप ऑर्गेनिक कंपाउंड की परिभाषा, कार्बन की टेट्रावेलेंसी, कैटिनेशन, और सैचुरेटेड-अनसैचुरेटेड हाइड्रोकार्बन के बीच का अंतर सीखेंगे, साथ ही IUPAC नामकरण की बेसिक जानकारी भी मिलेगी।
Most viewed summaries
A Comprehensive Guide to Using Stable Diffusion Forge UI
Explore the Stable Diffusion Forge UI, customizable settings, models, and more to enhance your image generation experience.
Kolonyalismo at Imperyalismo: Ang Kasaysayan ng Pagsakop sa Pilipinas
Tuklasin ang kasaysayan ng kolonyalismo at imperyalismo sa Pilipinas sa pamamagitan ni Ferdinand Magellan.
Mastering Inpainting with Stable Diffusion: Fix Mistakes and Enhance Your Images
Learn to fix mistakes and enhance images with Stable Diffusion's inpainting features effectively.
Pamamaraan at Patakarang Kolonyal ng mga Espanyol sa Pilipinas
Tuklasin ang mga pamamaraan at patakaran ng mga Espanyol sa Pilipinas, at ang epekto nito sa mga Pilipino.
How to Install and Configure Forge: A New Stable Diffusion Web UI
Learn to install and configure the new Forge web UI for Stable Diffusion, with tips on models and settings.
Found this summary useful?
Take it with you. One click puts it in your own LunaNotes library.
Save to LunaNotes