অপরিচিতা গল্প: সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ
গল্পটি 'অপরিচিতা', রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কালজয়ী ছোটগল্প। এটি লেখা হয়েছে সাধু ভাষায় এবং প্রথম প্রকাশিত হয় সবুজপত্র পত্রিকার কার্তিক সংখ্যায়। গল্পটি অনুপমের (উত্তম পুরুষ) নিজের জবানিতে বর্ণিত, যেখানে সে তার ব্যর্থ বিবাহের কাহিনী বলেছে।
প্রধান চরিত্র
- অনুপম: নায়ক, মাত্র এমএ পাস করা একজন ভীতু ও ব্যক্তিত্বহীন যুবক।
- কল্যাণী: নায়িকা, দৃঢ়চেতা ও বলিষ্ঠ নারী, যিনি যৌতুকের অপমান মেনে নেননি।
- শম্ভুনাথ সেন: কল্যাণীর বাবা, একজন সৎ ও মর্যাদাবান ডাক্তার।
- মামা (পাকনা মামা): অনুপমের অভিভাবক, কৃপণ ও চালাক, যিনি যৌতুককে গুরুত্ব দেন।
- হরিশ: অনুপমের বন্ধু, যিনি কল্যাণীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
গল্পের সারসংক্ষেপ
প্রেক্ষাপট
অনুপম একজন মামার তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠা ছেলে। সে নিতান্তই ভালো মানুষ, কিন্তু ব্যক্তিত্বহীন। মামা তার জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেয়।
কল্যাণীর সন্ধান
অনুপমের বন্ধু হরিশ কানপুরে কাজ করত। সেখানে কল্যাণী ও তার বাবা শম্ভুনাথ সেনের সাথে তার পরিচয় হয়। হরিশের মাধ্যমে অনুপমের সাথে কল্যাণীর বিয়ের প্রস্তাব আসে।
মামার শর্ত
মামা যৌতুকের বিষয়ে খুব সতর্ক ছিলেন। তিনি শম্ভুনাথের সাথে দেনাপাওনার একটি তালিকা স্থির করেন, কত টাকা ও সোনা দিতে হবে।
বিয়ের দিন ঘটনা
বিয়ের দিন মামা শেকরা (স্বর্ণকার) নিয়ে কল্যাণীর বাড়িতে যান। তিনি বিয়ের আগে বরের হাত থেকে সমস্ত গহনা মেপে দেখতে চান। শম্ভুনাথ রাজি হন এবং গহনা এনে দেন। মামা সব মেপে দেখেন, কিন্তু একটি ইয়ারিংয়ে খাদ আছে বলে সন্দেহ করেন।
ঘটনার মোড়
শম্ভুনাথ অপমানে লাল হয়ে ওঠেন। তিনি বুঝতে পারেন, এই লোকেরা তার মেয়েকে অসম্মান করছে। তিনি বিয়ে ভেঙে দেন এবং অনুপমসহ সকলকে বিদায় করে দেন। তিনি বলেন: "ঠাট্টা সম্পর্ককে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।"
মূল প্রতিপাদ্য ও শিক্ষণীয় বিষয়
১. যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
- রবীন্দ্রনাথ এই গল্পে স্পষ্টভাবে যৌতুক প্রথার নিন্দা করেছেন। শম্ভুনাথ সেন দেখিয়েছেন যে, মর্যাদার চেয়ে অর্থ বড় নয়।
- গল্পটি শিক্ষা দেয়, যৌতুকের দাবি করা একটি অপরাধ এবং মেয়ের বাবার জন্য অপমানজনক।
২. নারীর বলিষ্ঠ জাগরণ
- কল্যাণী এখানে নীরব সাক্ষী নয়। সে মায়ের আদেশ মেনে ব্রত গ্রহণ করে এবং শেষ পর্যন্ত বিবাহ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এটি নারী শিক্ষা ও নারীর আত্মমর্যাদার প্রতীক। কল্যাণী দেখায় যে মেয়েরা নিজেদের সম্মান রক্ষা করতে পারে।
৩. ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ
- অনুপম একটি প্রতীকী চরিত্র। তার ব্যক্তিত্ব নেই। সে মায়ের ও মামার আদেশে চলে।
- তার অক্ষমতা দেখিয়ে রবীন্দ্রনাথ বাস্তব সমাজের এক শ্রেণির পুরুষের চিত্র এঁকেছেন, যারা ভুলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না।
গুরুত্বপূর্ণ উক্তি
"আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব একথা যারা মনে করে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না।"
এটি গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ। এটি যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ।
কেন এটি প্রাসঙ্গিক?
- আজও আমাদের সমাজে যৌতুক প্রথা বিদ্যমান।
- গল্পটি আমাদের শেখায় যে আত্মমর্যাদা অর্থের চেয়ে বড়।
- নারীরা যদি সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয় তবে তারা অত্যাচার মেনে নেবে না।
মূল কাহিনীর ধারা
প্রথম অংশ: অনুপমের আত্মপরিচয়
- বয়স 27 বছর, কিন্তু জীবন এখনো দৈর্ঘ্যে বা গুণে বড় নয়।
- তিনি নিজেকে একটি ফুলের সাথে তুলনা করেন, যার উপর ভ্রমর এসে বসেছিল।
- তার পিতা ছিলেন উকিল, কিন্তু টাকা ভোগ করার সময় পাননি।
- অনুপমের মামা তার জীবনের প্রধান এজেন্ট।
দ্বিতীয় অংশ: কল্যাণীর বর্ণনা
- হরিশ তাকে রসিক মানুষের মত বর্ণনা করে: "খাসা মেয়ে"।
- কল্যাণীর বয়স ১৫ বছর, তখনকার যুগে বিয়ের জন্য দেরি হয়ে যাওয়া বয়স।
- তার বাবা শম্ভুনাথ গরীব হলেও বংশে ধনী ছিলেন। তিনি তার মেয়েকে যোগ্য বর খুঁজে পাননি।
তৃতীয় অংশ: বিবাহের প্রস্তুতি
- মামা সমস্ত দেনাপাওনা স্থির করে ফেলেন।
- বিবাহের সময় বরযাত্রী (মামা ও অনুপমের আত্মীয়) কল্যাণীর বাড়িতে যায়।
- মামা শেকরা নিয়ে যান এবং বিয়ের আগেই গহনা মেপে নিতে চান।
চতুর্থ অংশ: ঘটনার নাটকীয় মোড়
- মামা একটি ইয়ারিংয়ে খাদ আছে বলে সন্দেহ করেন।
- শম্ভুনাথ অপমানে রেগে যান এবং বিবাহ ভঙ্গ করেন।
- অনুপম কিছুই বলতে পারে না; তার ব্যক্তিত্বের অভাব স্পষ্ট হয়।
প্রশ্নোত্তর
- গল্পটির নায়ক কে?, অনুপম
- নায়িকা কে?, কল্যাণী
- অনুপমের বয়স কত?, 27 বছর
- কল্যাণীর বয়স কত?, 15 বছর
- যৌতুক নিয়ে কার বিশেষ মত ছিল?, অনুপমের মামা
- বিয়ের আয়োজন কেমন ছিল?, নিতান্ত মধ্যম রকমের
- মামা নিজেকে কী মনে করতেন?, অসামান্য চতুর
- অনুপমের দৃষ্টিতে দেনাপাওনার বিষয় কী ছিল?, স্থূল (মূল অংশ)
- হরিশ কোথায় কাজ করত?, কানপুরে
- মেয়েটির সম্পর্কে বিনুদা কী বলেছিল?, "খাটি সোনা"
শেষ কথা
অপরিচিতা শুধুমাত্র একটি প্রেমের গল্প নয়। এটি একটি সামাজিক প্রতিবাদ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে দেখিয়েছেন যে, যৌতুক প্রথা একটি কুসংস্কার এবং নারীর মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। কল্যাণীর চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বলিষ্ঠ নারী চরিত্রের একটি। আপনি যদি দেখতে চান যে বাংলা সাহিত্যে যৌতুক এবং সম্পর্কের প্রতারণার বিষয়টি আরও কীভাবে ফুটে উঠেছে, তাহলে মিথ্যে ভালোবাসা: সম্পর্কের প্রতারণা, ক্ষোভ ও বিষাদগীতি বিশ্লেষণটি দেখতে পারেন। আবার রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক আরেক সাহিত্যিকের কাজের ব্যাখ্যা জানতে ইংলিশ ফার্স্ট: মিথস অফ বেঙ্গল - কবিতা ও বেহুলার গল্পের ব্যাখ্যা পড়তে পারেন।
[মিউজিক] চলতেছে। এখানে ওয়াইফাইটা কানেক্ট করে দাও। ওকে ডান
করো ওকে আসসালামু আলাইকুম এই এটা এটা লাগানো নাই কেন পর্দা ইয়া করো ভাই
কেন? ওকে আসসালামু আলাইকুম। স্বাগত সবাইকে। ওকে আসসালামু আলাইকুম স্যার। ওয়ালাইকুম আসসালাম।
কেমন আছো তোমরা? হোপফুলি ভালো আছো এবং সুন্দর সুস্থ আছো। আমাকে দেখতে পাচ্ছ কিনা এই বাতিটা একটু
ইয়ে করে দাও আরেকটু এদিকে যাবে ঠিক আছে আমাকে একটু জানাও এবং সবাই একটু জয়েন করে ফেল সবাইকে একটু মেনশন দিয়ে
দাওতো আজকে আমাদের যে ক্লাসটা হবে সেটা ঠিক আছে
যাচ্ছে ঠিক আছে ওকে এটা উপরের দিকে আরেকটু উঠবে না বাকিটা একটু উপরের দিকে উঠে
রিফ্লেক্ট হচ্ছে ভালো ওকে ঠিক
আছে ভাইয়া [মিউজিক] ভাইয়া নতুন সেটাপ নাকি? জি নতুন সেটাপ।
ঠিক আছে। ওকে শুরু করি। দেখছো স্টুডেন্ট কিন্তু দিন দিন দিন দিন কইমা যাইতেছে। মানে লাইভে কোড শেষ হইতে হইতে অবস্থাটা
দেখবা যে আরো মানে নাজেহাল অবস্থা হয়ে যাবে। হ্যা ভাই আপনার শরীরের কি অবস্থা? শরীরের
অবস্থা মানে মানে শারীরিক কি অবস্থা সেটা বল। আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ আছি ভালো আছি আল্লাহ ভালো রেখেছেন
শুকরিয়া আমি প্রথম দিন থেকে আছি মিমি মিমি অনেক অনেক ভালোবাসা বস হাই ভোল্টেজ ক্লাস চাই তো এটা
কি লো ভোল্টেজ ক্লাস কিরে চল আমরা শুরু করি আমাদের আজকে অপরিচিতা কি অপরিচিত হ্যা তো এখানে দেখো
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে অনেক আলোচনা প্রকৃত নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার ছদ্দনাম ভানুসিংহ
ঠাকুর। আচ্ছা কেউ কেউ বলতে পারবা কবিরের ছদ্দনাম কেন থাকে? ছদ্দনাম মানে কি? মানে নামের আড়ালে
আরেকটা নাম থাকে। নামের আড়ালে কি থাকে? আরেকটা নাম থাকে। এখন রবীন্দ্রনাথ তার ছদ্দনাম রেখেছে ভানু। ভানু সিংহ ঠাকুর।
প্রশ্ন হচ্ছে কেন? কবিরা প্রায়শয় লিখতে গেলে যে কোোন কারণে তারা তাদের লেখা নিজের নামটাকে গোপন রাখে। সেটা অনেক কারণ হতে
পারে। হতে পারে যে এমন একটা লেখা লিখছে যে লেখাটার দ্বারা তিনি সমালোচিত হতে পারেন কিংবা যেই লেখাটা মানুষ স্বাভাবিক
ভালোভাবে নিবে না এবং তৎকালীন সময় এমন একটা বিষয় নিয়ে তিনি লিখবেন যেটা সরকার রাষ্ট্রের বিপক্ষে তখন তিনি তার নিজেকে
আড়াল করার জন্য তিনি ছদ্দনামে লিখেন এখন ছদ্দনাম আর উপাধি এই দুটো জিনিসের ভিতরে কিন্তু পার্থক্য আছে সেটা কি তোমরা জানো
যেমন রবীন্দ্রনাথের উপাধি হচ্ছে কি রবীন্দ্রনাথের উপাধি হচ্ছে বিশ্বকবি এখন ছদ্দনাম হচ্ছে ভানুসিংহ ঠাকুর উপাধি হচ্ছে
মানুষজন তাকে দেয় আর ছদ্দনাম হচ্ছে তিনি তার নিজের নিজের নাম গোপন করে যে নামটা রাখেন আমি কি বুঝাইতে পারছি ব্যাপারটা
আচ্ছা এরপর আস জন্ম তারিখ 7 মে 1861 জনা ঠাকুর ঠাকুর পরিবারে তিনি হচ্ছে জন্মগ্রহণ করেন কোন পরিবারে এখান থেকে
প্রশ্ন উত্তর হচ্ছে ঠাকুর পরিবার রবীন্দ্রনাথ কোন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ঠাকুর পরিবারে তিনি জন্ম তখনকার
সম্ভ্রান্ত ফ্যামিলি ছিল এই ঠাকুর পরিবার এবং তার পিতার নাম ছিল হচ্ছে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম ছিল
সারদা দেবী এবং সারদা দেবী বাংলাদেশের খুলনার মেয়ে ছিল হ্যা খুলনা ওকে আর পিতামহের নাম ছিল দারকানার ঠাকুর অর্থাৎ
দাদার নাম তো এখানে অনেকগুলো কথাবার্তা আছে অনেকগুলো কথাবার্তা আছে এরপর হচ্ছে বিভিন্ন কর্মজীবন এগুলোতে আমরা না যাই তা
আমরা তার একটু সাহিত্য কর্মের দিকে আমরা একটু ফোকাস করি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম হ্যা আচ্ছা
ঠিক আছে এবার আস এখানে রবীন্দ্রনাথের যে কাব্যগ্রন্থ রয়েছে কাব্যগ্রন্থের ভিতর রয়েছে মানসী সোনারতরি চিত্রা চৈতালী আমি
কোন একটা ক্লাসে একবার বলছিলাম যে এটা পরবর্তীতে দেখলাম যে ফেসবুকে মোটামুটি অনেকেই এটা এটা ভাইরাল হয়ে গেছে সেটা
হচ্ছে যে রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ এই কাব্যগ্রন্থ মানে হচ্ছে বেদীর নাম বলছিলাম তো দেখবা যে এই কাব্যগ্রন্থগুলো অধিকাংশ
কাব্যগ্রন্থ দেখবা যে কোন একটা মেয়ের নামে হয় যেমন তুমি দেখ এইযে সেজতি এইযে দেখ বিচিত্রা এইযে দেখ পুরবী এইযে মানসী
চিত্রা চৈতালী কনিকা হ্যা তারপর হচ্ছে কি বলাকা এইযে অলমোস্ট মোটামুটি সবগুলো হচ্ছে দেখবা যে কি কাব্যগ্রন্থগুলো মেইন নাম তো
এগুলো হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ এরপর হচ্ছে উপন্যাসের ভিতরে রয়েছে ঘোড়া এরপর হচ্ছে ঘরে বাইরে এরপর হচ্ছে চতুরঙ্গ
চোখের বালি এরপর রয়েছে নৌকাডুবি যোগাযোগ এরপর রয়েছে রাজস্বী এরপর রয়েছে শেষের কবিতা হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত যে
উপন্যাস সবগুলো কাহিনী বলতে গেলে অনেক সময় লাগবে তো আমি বলতেছি না এগুলোর কাহিনী তোমরা জাস্ট তোমাদের জন্য আপাতত এই
কোনটা রবীন্দ্রনাথের কি এটা মনে রাখলে এনাফ এর কাব্যনাট্যের ভিতরে রয়েছে কাহিনী চিত্রঙ্গদাতা বসন্ত ইত্যাদি নাটকের ভিতরে
রয়েছে অচলায়তন চিরকুমার সভা এরপর হচছে ডাকঘর মুকুট তারপর মুক্তির উপায় রক্তকবরী রাজা প্রবৃত্তি গল্পগ্রন্থর ভিতরে
গল্পগুৎস গল্প তিন সঙ্গী লিপিকা ইত্যাদি ভ্রমণ কাহিনীর ভিতরে রয়েছে জাপান যাত্রী পথের সঞ্চয় তারপর পারস্য রাশিয়ার চিঠি
ইউরোপের যাত্রী ডায়রি ইউরোপের যাত্রীর ডায়রি ইউরোপ প্রবাসীর পত্র ইত্যাদি ইত্যাদি এগুলো স্লাইড পেয়ে যাবে সেখান
থেকে পড়ে নিও এরপর তিনি তার হচ্ছে তিনি কি কি পুরস্কার পান তিনি নোবেল পুরস্কার পান 1913 ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক
ডিলিট পুরস্কার পান 193 এরপর হচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃক ডিলিট পুরস্কার পান 1940 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডিলিট পান 19 36 এবং তিনি মারা যান কবে সেগুলো এখানে
দেওয়া আছে যাই হোক সংক্ষেপে একটু বিষয়াদি সেগুলো একটু আলোচনা করে দিলাম এইবার আমরা একটু মূল আলোচনায় চলে
যাই স্লাইড পাবো কোথায় আরে ভাই স্লাইড তো তোদেরকে দিয়ে দেওয়া হয় দেখ রবীন্দ্রনাথের দাদার বাপেন চিত্রামি
করলে কিন্তু এখন কিন্তু ব্যান করে দিবে বুঝছো ওকে এখন স্লাইডে কোথায় পাব স্লাইড কিন্তু
দিয়ে দেয়া হয় একটাও পাইনি একটাও পাইনি আয়েশা আক্তার তুমি কি ঘুমাও গ্রুপে সবগুলো আপলোড দেওয়া হয় পিন পোস্টে গেলে
সবগুলো পাবা ওকে এবার চল আমরা একটু এটার মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করি তার আগে এখানে
তোমাদেরকে একটু ছোট্ট কিছু আমি একটু আইডিয়া দিই তাহলে তোমরা হোপফুলি ভালো একটা আইডিয়া পাবা। তো
এখানে আমরা দেখতে পাই নায়ক তার নাম হচ্ছে অনুপম। কিপম অনুপম। ওকে আচ্ছা নায়িকা কে? কল্যাণী। এখন এই অনুপম আর কল্যাণীর আমরা
দেখতে পাই যে দুটো পক্ষ থাকে। অনুপম সে মাত্র এমএ পাস করেছে। তার বিয়ের জন্য কথাবার্তা চলছে। এমন সময় তার বন্ধু হরিশ
তার বন্ধু হরিশ তাকে একটা মেয়ের সন্ধান দেই যে মেয়ে যদি বল একটা মেয়ে আছে এবং সেই মেয়েটাকে সে মেয়েটা হচ্ছে কল্যাণী
তো কল্যাণীর বাপ তিনি ছিলেন ডাক্তার অর্থাৎ শম্ভুনাথ সেন তার নাম তার সাথে তার দেখা হয় তার বাবা তাদের বাড়ি হচ্ছে
কানপুরে এবং হরিশ সে কানপুরে কাজ করত সেই সুবাদে সে কল্যাণীদের সন্ধান তাকে দেয় তো অনুপমের একটা পাকনা মামা ছিল এই
পাকনা মামার নাম যদি আমাদের গল্প উল্লেখ করা নাই কিন্তু প্রচন্ড রকম পাকনা ছিল এবং সে অনুপমের বাপ ছিল উকিল ছিল এককালে বহু
টাকা ইনকাম করেছে খাওয়ার সময় পান নাই মা অনুপমের মা সে গরীব ঘরের মেয়ে ছিল তো এই অনুপমের মামা তাদের পরিবারের সকল দায়িত্ব
সে নিত ঠিক আছে সকল দায়িত্ব সে পালন করত এজন্য অনুপমকে বিশেষভাবে কোন জিনিস ইয়ে করতে
হয় না ভাবতে হয় না তো বিয়ে শাদী ঠিক হবে সভ্যনাথ তাদের বাড়িতে আসছে বিয়ে শাদী ঠিক হবে তখন বিয়ে বিয়ে শাদী যখন
ঠিক হবে তখন বিয়ের দিন এই পাকনা মামা এই মামা যে কাজটা করলো মামা বলছে যে যে গয়নাগাটি যা দিবে সে শ্যাকরা নিয়ে
আসছে শেকরা হচ্ছে যারা স্বর্ণ যারা মাপে পরিমাণ করে বা স্বর্ণ নিয়ে যারা কাজ করে শেকরা নিয়ে আসছে মেপে দেখার জন্য মেপে
দেখার জন্য যখন দেখে তখন অনুপমের কাছে শম্ভুনাথ বাবু জানতে চায় যে এটা কি সত্য তখন অনুপম কিছুই বলে না তখন শম্ভুনাথ তার
মেয়েকে বিয়ে দেয় না এবং একটা একটা সময় গিয়ে তাদের আবার অনুপম একটা সময় গিয়ে আবার কল্যাণীর কাছে যায় কিন্তু কল্যাণী
তখন বিয়ে করেন। তো মূল বিষয়টা হচ্ছে এইখানে আসলে যেই জিনিসটা বুঝাতে চেয়েছে এই গল্পে সেটা হচ্ছে যৌতুক প্রথা এখানে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফুটিয়ে তুলেছে। হ্যা যৌতুক প্রথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি করেছে? ফুটিয়ে তুলেছে। নাম্বার ওয়ান এখানে নারী
চরিত্রের বলিষ্ঠ নারী চরিত্রের বলিষ্ঠ জাগরণ এখানে এখানে কি করতে চেয়েছেন? সেখানে ফুটিয়ে তুলেছেন জাগরণ। অর্থাৎ
আমরা দেখেছি যে শেষ পর্যন্ত সে বিয়ে করবে না মনস্থির করেছে এবং সে মাতৃ আজ্ঞায় ব্রত গ্রহণ করেছে অর্থাৎ এই কল্যাণী সে
নারী শিক্ষায় কি করেছে নারী শিক্ষা ব্রত গ্রহণ করেছে আমরা সেখানে এটা দেখতে পাই ওকে তো এইসব বিষয় নিয়ে তিনি সেখানে তুলে
ধরেছেন এবং অনুপমের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেই জিনিসটা বুঝাতে চেয়েছেন যে অনুপম সে একজন আপাদমস্তক একজন
ভীতু এবং একজন ব্যক্তি ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ এই ব্যক্তিত্বহীন
পুরুষ সেই জিনিসটা অনুপম চরিত্রের মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছেন অনুপম চরিত্রের ঠিক বিপরীত চিত্রটা আমরা দেখতে পাই
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কল্যাণীর মধ্য দিয়ে তুলে ধরেছেন ঠিক আছে যে যথেষ্ট কি ছিল প্রতিবাদী ছিল আমরা আর কথা না বাড়াই চলে
যাচ্ছি আমাদের মূল যে গল্প আমরা গল্প পাঠে চলে যাই গল্প পাঠে যাওয়ার আগে আমরা এখানে ছোট্ট করে একটু জেনে নেই যে এই গল্পটা
পুরোটাই সাধুরীতিতে লেখা ঠিক আছে এবং এটার উৎস কি? রবীন্দ্রনাথ প্রকাশিত প্রমোদ চৌধুরী মাসিক সবুজপত্র পত্রিকায় এটি
কার্তিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। কার্তিক সংখ্যা মানে হচ্ছে কার্তিক মাসে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার যে যেটা বের হয়েছে
কার্তিক মাসে সেটিতে প্রকাশিত হয়। এবং পরবর্তীতে রবীন্দ্র সংকলনের গল্প সপ্তক এবং পরে গল্পগুচ্ছে তৃতীয় খন্ড থেকে এটি
প্রকাশিত হয় এবং এটি উত্তম পুরুষের জবানিতে উত্তম পুরুষ হচ্ছে যখন ফারস্ট পারসন এবং এখানে উত্তম পুরুষ হচ্ছে কে?
অনুপম। অনুপম নিজে এখানে এটা প্রকাশ করেছেন। ওকে এবং এখানে প্রথম লাইন শেষ লাইন সেগুলো দেওয়া আছে। তো আমরা চলে
যাচ্ছি মূল গল্পে। তোমরা কি প্রস্তুত? ডিলিটটা একটু বুঝে নোবেল। ঠিক আছে? স্বাধীনতা পদক তারপর পদক এরকম একটা
পুরস্কার। এটা জাস্ট একটা পুরস্কার। ওকে। আচ্ছা তোমরা কি প্রস্তুত? আমি এখন ব্যাখ্যা সহ জিনিসটা পড়বো।
তন্ময় একটু আসতো। ওকে বুঝছো? ঠিক আছে। আমি শুরু করতেছি আবার বলছি প্লিজ একটু কথা বলবা না
কথা বললে ডিস্টার্ব হবে এন্ড আমি পুরো গল্পটা একদম দুইটা ক্লাস দরকার হলে আমি তিনটা ক্লাস নিব এখানে একটা ফলের আছে
আমাকে দরকার হলে আমি তিনটা ক্লাস নিব বাট তোমরা এটা একটু ভালো করে হচ্ছে কি করবা পড়তো আমি একটু ভালো করে প্রত্যেকটা লাইন
বাই লাইন বুঝাব প্রথমত অনুপম শুরু করেছে আজ আমার বয়স 27 মাত্র এখান থেকে জানলাম অনুপমের বয়স কত মাত্র 27
এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড় না গুণের হিসাবে অর্থাৎ জীবনটা দৈর্ঘের হিসেবে বড় না অর্থাৎ সংখ্যায় দৈর্ঘের
হিসাব বলতে বুঝানো হচ্ছে যে জীবনটা আসলে সংখ্যাতেও খুব বেশি বড় না মানে একেবারে 40 50 বছর হয়ে গেল এরকমও না গুণের হিসাব
বড় না অর্থাৎ আমি তো এমনিতেই মানুষ ছোট কিন্তু আমার স্পেশাল কোন গুণও নাই যে গুণের কারণে মানুষ আমাকে খুব বড় করে
দেখবে তবুও ইহার একটা বিশেষ মূল্য আছে ইহা সেই ফুলের মত যাহার বুকের উপর ভোমর আসিয়ে বসিয়েছিল ফুলের উপর যেমন ভমর এসে বসলে
ফুলের যে সতেজতা পায় এরকমটাই তার জীবন তার কাছে মনে হচ্ছে এবং সেই পদক্ষেপের ইতিহাস তাহার জীবনের মাঝখানে ফলের মত গুটি
ধরিয়া উঠিয়েছে ফলের মত ফুলের মধ্যে যে গুটি ধরে উঠে সেটার সাথেই তিনি বলেছেন সেই ইতিহাসটুকু আকার ছোট তাহাকে ছোট করি লিখিব
ছোটকে যারা সামান্য বলিয়া ভুল করেন তাহারা ইহার রস বুঝিবেন কলেজে যতগুলো পরীক্ষা পাস করিবার সবই আমি চুকাইয়া আছি
চুকাই আছি মানে হচ্ছে যতগুলো পরীক্ষা দেওয়ার সবগুলো আমি ভালো রেজাল্ট করেছি বা সবগুলো আমি পাস করেছি। ছোটবেলা আমার
সুন্দর চেহারা লইয়া পন্ডিত মোশাইগণ শিমুল ফুল মাকাল ফলের সহিত তুলনা করি। অনুপম ব্যক্তি খুব সুন্দর ছিল আমার মত। এজন্য
অনুপমকে তার শিক্ষকরা কি বলতেন? শিমুল ফুল অর্থাৎ শিমুল ফুল এমন একটা ফুল যেই ফুল গন্ধ নাই। এখন ফুলের এবং পূজার অর্গতে এটা
লাগে না। ঠিক আছে? তো বলছে যে এই শিমুল ফুল এটা এমন একটা ফুল দেখতে সুন্দর। কিন্তু ফুলের কোন ঘ্রাণ নাই। মাকাল ফল এটা
দেখতে চমৎকার কিন্তু ফুল এটা দুর্গন্ধযুক্ত সুস্বাধুনা। তো অনুপম দেখতে সুন্দর সুন্দর কিন্তু অনুপম বাস্তবে আসলে
তার কোন গুণ নাই। হ্যা এজন্য তাকে এটা তাকে এই ফুল আর ফলের সাথে তুলনা কর বিদ্রুপ করি পরিবার সুযোগ পাইয়াছিল। ইহাতে
তখন বড় লজ্জা পাইতাম। তখন খুব লজ্জা পেত। কিন্তু বয়স হয়ে এ কথা ভাবিয়াছি যদি জন্মান্তর থাকে অর্থাৎ জন্মান্তর যদি বলে
মানে মৃত্যুর পর যদি আবার যদি জীবন পায় তবে আমার মুখের স্বরূপ পন্ডিত মশাই মুখে বিদ্রুপ আবার যেন এমনি করিয়া প্রকাশ পায়
ওকে আচ্ছা এরপর দেখ আমার পিতা এককালে গরীব ছিলেন এককালে কি ছিলেন গরীব ছিল ওকাল করি তিনি প্রচুর টাকা রোজগার তারানে বুঝতে
পারতে অনুপমের বাপ কি ছিল উকিল ছিল হলুদ কালার যে ইনফরমেশন গুলো এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভোগ করিবার সময় নি প
নিমেশপত্র মানে হচ্ছে একটু অর্থাৎ অনেকে আছে খালি টাকা ইনকাম করে কিন্তু টাকা যে একটু ভোগ করবে আরামায়েশ করবে চিল করবে
অনুপমের বাপ সেটা পারে নাই মৃত্যুতে তিনি যে হাফ ছাড়লেন হাফ মানে হচ্ছে ছুটি অবকাশ সেই তার প্রথম অবকাশ অর্থাৎ এইযে ছেড়ে
দিলেন মৃত্যুর পরে তিনি যে টাকা ইনকাম করা ছাড়ছেন এটাই ছিল তার প্রথম অবকাশ অর্থাৎ এটাই ছিল তার প্রথম ছুটি এছাড়া তিনি আর
কখনো মনে হয় লাইফে রেস্ট নেন নাই আমার তখন বয়স অল্প মা হাতেই আমি মানুষমা মা গরিব ঘরের মেয়ে। মা খুব গরিব
ঘরের মেয়ে ছিল। তাই আমরা যে ধনী এক কথা তিনি ভুলেন না। আমাকে ভুলতে দেন না। অর্থাৎ মা কিন্তু এককালে গরীব ছিল। কিন্তু
জামাই যখন টাকা পয়সা ইনকাম করছে অনুপমের বাপ। তখন অনুপমকে এই জিনিসটা আর ভুলতে দেন না যে আসলে অনুপমের বাপ। অনুপমরা এককালে
গরিব ছিল। এটা আমাদের সমাজে খুব নরমাল চিত্র। কেউ যদি গরিব হয়। তো গরীব হওয়ার পর গরীব থেকে যদি বড় লোক হয় তাহলে দেখবা
যে তার ভাব একদম মানে তার পা নিচে পড়ে না কিন্তু যে জন্মগতভাবেই বড়লোক তার দেখবে এত ভাব নাই কিন্তু যে গরীব থেকে বড় লোক
হয়েছে তার ভাব একটু বেশি তো অনুপমের মা হচ্ছে এরকম যেমন গ্রামের সাদিয়া যখন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি যখন ভর্তি হয়
গ্রামে সে কিন্তু ছাগল পালতো গ্রামেগ আমাদের পাশের এলাকারই মেয়ে ছিল গ্রামে ছাগল পালতো বাপের বাপ বিদেশ থাকতো
দুবাই থাকতো টাকা বসে কিছু হইছে মায়েরা এনে ভর্তি করেছে নচ আগে এই মেয়ে ছাগল পালতা এখন এই মেয়ে যখন ক্যাম্পাস যখন সবাই
যখন বসে থাকে অথবা কোথাও যখন আড্ডা দিতে যায় ছাগল দেখলে বলে আল্লাহ ছাগল কি কিউট কিউট ছাগল গরীব থেকে বড়লোক হলে এই ধরনের
ভাব চলে আসে তো অনুপমের মার ক্ষেত্রে এই জিনিসটাই বলছে যে আমরা যে এককালে আমরা যে বড়লোক এই জিনিসটা ভুলতে দেয় না শিশুকালে
আমি কোলে কোলে মানুষ বোধ করি শিশুকালে অনুপম খুব সুন্দর থাকার কারণে সবাই তাকে কোলে কোলে কোলে কোলে কোলে কোলে করে রাখ
বুঝ শিশুকালে সে কি হইছে কোলে কোলে কোলে কোলে মানুষ হইছে যারা একটু দেখতে সুন্দর ছোট বাচ্চা ওদেরকে দেখবা যে সবাই কোলে
কোলে রাখে যেমন ছোটবেলা আমি দেখতে শুনতে মাশাল্লাহ অনেক সুন্দর ছিল আমার সবাই কোলে কোলে কোলে কোলে রাখ এর কোল হের
কোল আমার যত কাজিন কাজিন ছিল সবাই আমারে কোলে কোলে রাখ এখন তো বড় হইছি কেউ এখন আর কোলে নেয় না সেজন্য শেষ পর্যন্ত আমার
পুরোপুরি বয়স হল না অর্থাৎ আমি কোলেক কোলে মানুষ হইছি কিন্তু আসলে শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বয়স হয় না মানে মানে বলা যায় আমি
এখনো ছোটই রয়ে গেছি। এখনো কি ছোটই রয়ে গেছি। ওকে। এরপর দেখ আজও আমাকে দেখলে মনে হইবে আমি অন্নপণ্যার কোলে গজাননের ছোট
ভাই। অন্নপণ্যা দেবীর কোলে গজাননের ছোট ভাই তার নাম ছিল কার্তিক। এখানে লেখা আছে যে দেবীর দুর্গার
দুই পুত্র। অগ্রজ গণেশ মানে বড় তার নাম হচ্ছে গণেশ। আর ছোট সে নাম হচ্ছে কার্তিক। মা দুর্গার কোলে থাকা দেব সেনাপতি
কার্তিককে বুঝানো হয়েছে। ব্যঙ্গার্থে প্রয়োগ। অর্থাৎ কার্তিক সবসময় কোল কোল কোল কোলে থাকেন ছোট ছেলে হওয়ার কারণে তো
এখানে বলছে যে আমাকে দেখে মনে হয় অন্নপন্যার কোলে গজাননের ছোট ভাই অর্থাৎ গজাননের ছোট ভাই কার্তিকের মত আমি সবসময়
অন্নপন্যার কোলে থাকি এরকম আমার আসল অভিভাবক আমার মামা অর্থাৎ আমার যে মামা ছিল এই মামাই হচ্ছে তার আসল অভিভাবক তার
মা নয় তিনি আমার চেয়ে বড় জোর বছর ছয় বড় মানে অনুপমের মামা অনুপমের থেকে মাত্র ছয় বছর বড় তাহলে বুঝ অনুপমের না কি
কান্দায়না করল যে মামার বয়স মাত্র ছয় বছর। আচ্ছা বলতো কখন মামার বয়স আর ভাগিনার বয়স কাছাকাছি হয়। যখন নানা শেষ
বয়স পর্যন্ত বাচ্চাকাচ্চা নেই। আছে না? নানা নানি যখন শেষ বয়স পর্যন্ত বাচ্চাকাচ্চা নাই। তখন দেখা যায় মেয়ে
বিয়ে দিছে। এরপরে দেখা যায় যে নানার বাচ্চা হইছে। এটা খুব এটা হয় মাঝে মধ্যে। তার মানে ঘটনাটা কি? যে
নানা নানার বাচ্চা আর নানার মেয়ের বাচ্চা প্রায় কাছাকাছি সময়। হয়তো অনুপমের নানার বয় অনুপমের মামা তার থেকে বড় বছর ছয়েক বড়
ছিল। কিন্তু ফুলগুন বালি ফলগু বালি হচ্ছে ভারতের গয়া অঞ্চলে যে ফলগু নদী ছিল এটার উপরে হচ্ছে বালির আস্তরণ ছিল নিচে পানি
যেত। তো আমি যদি এভাবে বলি এটা হচ্ছে এইযে উপরে এরকম বালি আর নিচে হচ্ছে এরকম পানি যেত। এটাই বলছে তো মামা এই ফলগুর বালির মত
আমাদের সংসারের সমস্ত নিজের অন্তরের মধ্যে শুইয়া লইয়া আছে অর্থাৎ মামা এরকম বালির মত ফলগুো নদীর বালির মত তাদের পুরো সংসারটাকে
আগলে রেখেছে তাহাকে না ঘুরিয়ে এখানকার এক গুন্ডুর রস পাইবার জোনে অর্থাৎ তাকে ছাড়া এখানকার কিছু হয় না এ কারণে কোন কিছুর
জন্য আমাকে কোন ভাবনা ভাবিতে হয় না অর্থাৎ এজন্য আমাকে কোন জিনিস আর কি করতে হয় না ভাবনা ভাবতে হয় না বুঝতে পেরেছ
ভাইয়া আস্তে কি হল আচ্ছা ঠিক
আছে ডাক্তার আমাকে বলছে যে একটু অসুস্থ করছে প্রচুর পরিমাণে ফলটল খেতে হবে মাঝে মাঝে তোমাদের পড়াইতে একটু খাব
ডোন্ট আচ্ছা তো চল আমরা একটু প্রশ্ন সলভ করি অনুপমার মা কেমন করার নেই বল আমার খালাতো বোন আর আমার মামার বয়স
সেম দেখছো তার মানে কি বুঝছো মিমি বুঝছো তো তোমার নানার হিসাব নিকাশ হ্যা ওকে
বললে এটা কি হবে বলতো সবগুলো আমরা পড়ে আসছি এবং লাস্ট ক্লাসে আমরা বোর্ড প্রশ্ন সলভ করব এগুলো বোর্ডের
প্রশ্নবা এগুলো রেফারেন্স ছাড়া বোর্ড প্রশ্ন এটা কি হবে অনুপম কার হাতে তো মানুষ বল মার হাতে হ্যাঁ অনুপমের থেকে তার
মামার বর্গ কত বছর বড়? এই প্রশ্নটা খুব ইম্পর্টেন্ট। স্যার আমাদেরকে তো খাওয়ান তোমরা নজর দিও
না বাবা নজর দিও না এমনিতে অসুস্থ বুঝছো ডাক্তার বলছে খাওয়ার জন্য এখন এক ঘন্টা আমি যদি টানা কথা বলি শরীর দুর্বল হয়ে
যাবে এজন্য আমি খাচ্ছি তোমরা তাকাই না হ্যা নজর দিও না ওকে
ছয় বছর কাকে দেখলে অন্যপন্যার কোলে গজানো ছোট ভাই বলে মনে হয় ওকে অনুপমকে হ্যা চল আমরা পরে চলে যাই
আচ্ছা এবার বলছে কন্যার পিতামাত্র স্বীকার করিবেন আমি সৎপাত্র মানে নিজের উপর নিজের কনফিডেন্স
যে মেয়ে তো স্বীকার করবে মেয়ের বাপও স্বীকার করবে যে আমি সৎপাত্র মানে সৎপাত্র বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে ভালো ছেলে
সৎপাত্র মানে কি ভালো ছেলে অর্থাৎ মাঝে মধ্যে হয় না বলে না যে নিজের ক্যারিয়ার মেয়ে তো আসবে মেয়ের মাও চলে
আসবে তো সেটাই বলছে যে আমি মেয়ের বাপেও কি করবে স্বীকার করবে আমি সৎপাত্র কেন সে ভালো ছেলে তামাকটুকু পর্যন্ত খায় না
অর্থাৎ সে এমন এত ভালো যে সে তামাক খায় না তো তখন তো তামাক খুব এভেলেবেল ছিল এখন যদি তামাক
এখন খুব এভেলেবেল হচ্ছে কি সিগারেট এখনকার যুগতে এরকম ছেলে পাওয়া খুব কঠিন ধর যে ছেলে কখনো সিগারেট খায় না আমরা ভাবি যে
ওই ছেলে অনেক ভালো এখন ছেলেরা বলে না যে আমি জীবনে কখনো সিগারেট খাই নাম বলছে আমি তামাকটুকু পর্যন্ত খাই না তামাক খাই না
তহলে বাকি সিদ্ধি গাঞ্জা বোতল সেগুলো তো অনেক দূরের কথা এর বলছে ভালো মানুষ হওয়ার কোন ঝঞ্জাট নাই তাই নিতান্তই ভালো মানুষ
অর্থাৎ ভালো মানুষ হওয়ার আমি তো এমনিতেই ভালো মানুষ ভালো মানুষ আমাকে সাজতে হয় এটাই বুঝাইছে মাতার আদেশ মানিয়ে চলিবার
ক্ষমতা আমার আছে বস্তুতো না মানিবার ক্ষমতা নাই মানে আমি মায়ের সকল আদেশ মানবো মানবো না এই ক্ষমতা আমার নাই
অন্তপুরের শাসনে চলিবার মত করি আমি প্রস্তুত হয়েছি অন্তপুর মানে হচ্ছে ঘরের ভেতরের শাসন অর্থাৎ ঘরের ভেতরে মামা
যেভাবে বলে আমি সেভাবে চলি এবং সেভাবে আমি প্রস্তুত হয়েছি যদি কোন স্বয়ংবরা হন যদি কোন কন্যা স্বয়মবরা হন স্বয়মবরা মানে কি
স্বয়ংবরা মানে হচ্ছে এমন যে নিজের স্বামী নিজে নির্বাচন করতে পারে। নিজের স্বামী কি করতে পারে? নিজে নির্বাচন করতে পারে। তবে
সুলক্ষণটা স্মরণ করবে। অর্থাৎ যদি কোন মেয়ে এমন থাকে যে নিজের স্বামী নিজে নির্বাচন করতে পারে তাহলে সে অবশ্যই আমাকে
কি করবে? স্মরণ করবে। এটা অনুপমের একটা কনফিডেন্স যে আমি তো ভালো ছেলে। আমি কখনো সিগারেট খাই না। আমি কখনো তামাকটা খাই না।
বাকি অন্য আদারস লাল পানি দুষ্ট পানি সেগুলো তো দূরের কথা। আমি ঘরের ভিতরে শাসন মেনে চলে। তার মানে আমি বউয়ের কথাও মানব।
কাজেই কোন মেয়ে যদি নিজের স্বামী যদি নিজে নির্বাচন করে তাহলে অবশ্যই সে আমার এই সুলক্ষণটা কি করবে? স্মরণ করবে। এটা তার
কথা। এরপর বলছে অনেক বড় ঘর হইতে আমার জন্য সম্বন্ধ আসিয়েছে। অনুপম বলতে যে আমার জন্য অনেক ঘর থেকে বড় ঘর। বড় ঘর বলতে কেন
বোঝানো হচ্ছে কি? ভালো ভালো বড় ফ্যামিলির ভালো ফ্যামিলির হ্যা ভালো বংশের মেয়ে এসেছে। যেমন এখন তো আসলে ছেলেদের জন্য আসে
না। এখন আসে মেয়েদের জন্য। এজন্য দেখবা যে মেয়েরা প্রায় সময় ছেলেদেরকে বলে। নিজের বয়ফ্রেন্ডকে বলে যে তুমি কি তোমার জীবনে
কি করছো? আমার জন্য অমুক আসছে, ডাক্তার আসছে, ইঞ্জিনিয়ার আসছে, বিসিএস আসছে। হ্যাঁ, অমুক আসছে, হ্যান আসছে, তেন আসছে।
তুমি কি? সেটাই যে আমার জন্য অনেক বড় থেকে কি আসছে? আসছে। কিন্তু মামা যিনি পৃথিবীতে আমার ভাগ্য দেবতার প্রধান
এজেন্ট। ভাগ্য দেবতার প্রধান এজেন্ট মানে হচ্ছে যার সিদ্ধান্ত ছাড়া কোন জিনিস পরিবর্তন হয় না। বিবাহ সম্বন্ধে মামার
একটা বিশেষ মত ছিল। ধনীর কন্যা তার পছন্দ নয়। বড় লোকের মেয়ে। এটা এটা মামার পছন্দ না। এখন বলবে আল্লাহ মামাতো অনেক
ভালো। না ভালো না। এরপরের লাইনটা দেখ। আমাদের ঘরে যে মেয়ে আসিবে সে মাথায় হেড করে আসবে। ঠিক আছে। বড় লোকের মেয়ে আসলে
নাকি বড় লোকের মেয়ে মাথা নিচ করে আসবে? হেড মানে হচ্ছে নিচ। তুমি বড় লোকের মেয়ে বিয়ে করবা। আর তুমি ভাববা যে তুমি সকালে
ফজরের পর তুমি অফিসে যাবা। আর সেই মেয়ে উঠে তোমাকে রান্না করে খাওয়াবে। হাত বুলায় দিবে। তোমাকে কি করবে? পাখা ইয়ে করে দিবে।
হ্যাঁ। তারপর তোমাকে মাথায় হাত বুলায় দিবে। খাও। যাওয়ার সময় আবার টিফিনে করে আবার ব্যাগের মধ্যে ঢুকায় দিবে। হ্যাঁ।
তারপর আয়াতুল কুরসি পইরা আবার বুকে ফুঁ দিবে। পরকের মেয়ে বিয়ে করো। হ্যা হয়। কিন্তু সেটা তুলনামূলক সাধারণত যদি এখন
সবচিত্র প্রায় সেম হয়ে গেছে আগে একটা সিচুয়েশন ছিল আর এজন্য মানুষ বড় লোকের মেয়েদেরকে বিয়ে করাইতে চায়তো এজন্য
বড়লোক বড় লোকের মেয়ে বিয়ে করুক কিন্তু গরীবের ছেলে বড় লোকের মেয়ে বিয়ে করলে অনেক ঝামেলা আছে আবার বড় লোকের মেয়ে
গরীবের ছেলে বিয়ে করলে অনেক ঝামেলা আছে ব্যালেন্স করে বিয়ে শাদী করতে এখানে সেই জিনিসটাই বলছে যে অথচ টাকার প্রতি তার
আসক্তি অস্থিমর্যায় জড়িত একদিকে সে বড় লোকের মেয়ে পছন্দ করে কেন? কারণ বড় লোকের মেয়ে আসলে তার মাথা উচ করে আসবে। মামারা
দাম দিবে না। ফ্যামিলির কাউকে দাম দিবে না। কিন্তু আরেকদিকে সে টাকার প্রতি তার আসক্তি মানে টাকা চায়। এটা তার অস্থিম।
হারে হারে এটা লেগে আছে। তিনি এমন ব্যয় চান যার টাকা নাই অথচ টাকা দিতে কসুর করিবে না। কুর মানে হচ্ছে ত্রুটি। তিনি
এমন ব্যয় চান যে টাকা নাই। এজন্য সে মাথারিজ করে থাকবে। কিন্তু টাকা দেওয়ার বলে আসলে সে কখনো কমতি করবে না। যা হোক
শোষণ করা চলিবে। অথচ বাড়িতে আসলে মানে শোষণ করবে। কিন্তু বাড়িতে আসলে গুরুরঘুরির পরিবর্তে বাধা হুকায় তামাক
দিলে নালিশ খাটিবে না। মানে কি? মানে গুরুরঘুরির পরিবর্তে যদি বাধা হুকার মধ্যে গুরুরঘুরি কি আগে এটা বুঝতে হবে। যেমন
তোমরা দেখবা বিভিন্ন মুভিতে যে দেখবা যে ওই যে আগে বিভিন্ন মুভি টুবিতে দেখবা যে এরকম কালো রঙের একটা এটা
এরকম এরকম খায়। এরপর হচ্ছে টান দেয়। এখন যদি এটা আগে কালো রঙের ছিল। এখন বিভিন্ন রকমের
আসছে। ফেসবুকে অনেক ছেলেপেলেরা দেখবে স্টাইল করে খায় এবং সেটা ছবি দেয়। এরকম খায় আর এখান দিয়ে দোয়া বের হয় বড় লোক আর
গুরু বাধুকা কি এটা বুঝ পরিবর্তে বাধা বাধু গরিবরা খায় ফকির এটা দেখবা যে বাংলা সিনেমাতে আগের
সিনেমাগুলো দেখ এরকম এরকম এইযে একটা গোল একটা মালার মত নারিকেলের যে মালা আছে এটার মত
এরকম এরকম বুঝি কারা খায় বড়লোক তো বলছে গরু দিবে না
অর্থাৎ ভালো জিনিস দিবে না কম দাম জিনিস দিবে বাধা হুকার ভিতরে তামাক ঢুকা দিবে কিন্তু নালিশ করবে না মানে এখনকার
সিচুয়েশনে তোমাকে যদি বুঝায় যে ভালো সিগারেট না দিয়ে ব্যয় যদি আসে ব্যয়কে ভালো সিগারেট দিব নাকে দিব নাকে দিব আকিবি
আবুল বিড়ি বুঝ এক টাকার বিড়ি আনার বিড়ি এটা দিব কিন্তু ব্যয় নালিশ করবে না কথা কি বুঝতে
পার এইবার আস আমরা মোটামুটি এটুক পর্যন্ত ক্লিয়ার কন্যার পিতামাত্রই স্বীকার করিবে কি বাবা
ওকে এটা কি হবে বল গল্পকথক একজন সৎমাত্র কন্যার পিতামাত্র স্বীকার করবেন গল্পকথক একজন অনুপম নিতান্ত
ভালো মানুষ কেন অনুপম নিতান্তই ভালো মানুষ কেন ভাইয়া কই পাবো এগুলা কোনগুলা পাবা ক্লাসের মাঝখান থেকে কেউ সরে যাইও না
এখানে 154 জন দেখাচ্ছে 154 জনই শেষ পর্যন্ত থাকবা ক্লাসের মাঝখান থেকে চলে গেলে সময়
লস ওকে হচ্ছে কি ভালো মানুষ হওয়ার কোন ঝনঝাট নাই বলে কেমন ঘর থেকে অনুকমের জন্য সম্বন্ধ এসেছিল কেমন ঘর থেকে অনুপামের
জন্য সম্বন্ধ এসেছিল বলতো এটা কি হবে বল অনেক বড়
হ্যাঁ আচ্ছা এবার দেখো অপরিচিত গল্প উল্লেখিত বিবাহ সম্বন্ধে কার একটা বিশেষ মত
ছিল ওকে এগুলো পারবা চল আমরা পরের আলোচনায় যাই হ্যা এবার বলছে আমার বন্ধু হরিশ এই যত নষ্টের মূল হরিশ কি করছে দেখ কান কাজ করে
সে চুটে কলিকাতা আসিয়া আমার মন উতলা করিয়ে দিল একদম মন আলাঝলা করে দিছে সে বলে ওহে মেয়ে যদি বল একটি খাসা মেয়ে আছে কেমন মেয়ে
খাসা মেয়ে মানে যদি বলতো যে মেয়ে যদি বলতো মেয়ে একটা আছে কিন্তু যখন বলে খাসা মেয়ে আছে তখন কি ভাই মাথা কি ঠিক থাকে মাথা তো
ঠিক থাকে না এজন্য দেখ অনুপমের মানে রবীন্দ্রনাথ এত সুন্দর করে যে কোন জিনিসকে বিশ্বাসিত করে যে মেয়ে যদি বলতো খাসায়ে
আছে খাসায়ে বলতে বুঝায় যে মেয়ের কোন কিছু কোন অংশে কোন জায়গাতে কোন কিছু কম নাই হচ্ছে কি খাসায়ে কিছুদিন পূর্বে এমএ পাস
করি অনুপম মাত্র কিছুদিন পূর্বে পাস করেছে সামনে যতদূর পর্যন্ত দৃষ্টি যায় দুধু করিতেছে পরীক্ষা নাই ওমেদারি নাই ওদারি
মানে হচ্ছে চাকরি পরীক্ষা নাই চাকরি নাইবা পেশা নাই নিজের বিষয় দেখিবার মত চিন্তা নাই মানে সবকিছু তো মামাই দেখে শিক্ষা নাই
ইচ্ছা নাই থাকিবার মধ্যে ভিতরে আছেন মা বাইরে আছেন মামা এই অবকাশের মরুভূমিতে অবকাশের মরুভূমি মানে অবকাশ মানে হচ্ছে
ছুটি অবকাশের মরুভূমি বলতে এখানে বুঝাচ্ছে যে আনন্দহীন প্রচুর সময় অবসর সময় এর মধ্যে আমার হৃদয় তখন বিশ্বব্যাপী নারীরপে দেখিতে
ছিল আকাশে তার দৃষ্টি বাতাসে তার নিঃশ্বাস তরুমর্মে তার গোপন কথা এই যে অবসর মানুষ যখন অবসর থাকে তখন তার মাথার ভিতরে
দুনিয়ার যত ফালতু জিনিস থাকে এগুলো ঘুরেতো আমাদের এই ভদ্রলোক অনুপম তার মাথার ভিতরে তখন ঘুরতেছে নারী রূপে মরিচিকা এবং
সেটা কেমন সে আকাশের দিকে যখন তাকায় আকাশে তার বৃষ্টি আকাশের দিকে তাকালে সে নারী দেখতে পায় বাতাসে তার নিঃশ্বাস
বাতাসের যখন সোশ শব্দ আসে তখন তার কাছে মনে হয় কোন নারী নিশ্বাস নিঃশ্বাসের শব্দ সে শুনতে য় তরুমর্মে তার গোপন কথা গাছের
পাতা তার মধ্যে মনে হচ্ছে কোন একটা নারীর গোপন কথা তার কানে বেজে বেজে আসে বুঝছো কারণ তো সে অবসরযে সে নিজেই বলছে শিক্ষা
নাই পরীক্ষা নাই চাকরি নাই কিছুই নাই এখন তার মাথার ভিতরে এজন্য একা থাকলে যে একা দেখবা যত মানুষ প্রেম করে যত ছেলে তোমার
যত বন্ধু প্রেম করে তার মাথার যার মাথার ভিতরে নারী ঘুরে মেয়ে ঘুরে সে আজ দেয় তার কোন কাম নাই আর যার মা যার অনেক কাজ তার
মাথার ভিতরে কখন কখনো কি করতে পারে না? নারী মেয়ে এগুলো ঘুরে না। এরপর দেখো খেয়াল করো হরিশ কোথায় কাজ করে
বল। হরিশ কোথায় কাজ করে? ওকে তাহলে কি হবে বলতো কানপুরে হ্যা এরপর দেখ এমন সময় হরিশ আসিয়া মানে এখন ছুটির
সময় তার মন প্রাণ সবকিছু আকুল ব্যাকুল হয়ে গেছে ঠিক সেই সময় হরিশ আসিয়া মেয়ে যদি বল তবে তখন হরিষ এসে বলে মেয়ে যদি বল তবে
একটা মেয়ে আছে আমার শরীর মন বসন্ত বাতাসে বকুল বনের নবপল্লভরাশীর মত আলো ছায়া বুনিতে লাগলো। হরিশ মানুষটা ছিল রসিক। রস
দিয়ে বর্ণনা করার শক্তি তার ছিল। অনেক মানুষ আছে না? মানে যদি ঘটনা হয় একটুক এটারে রস দিয়ে এটারে বানাই একটুক। তো হরিশ
ছিল এরকম। আর আমার মন ছিল তৃষ্ণার্ত। হরিশ রস দিয়ে বর্ণনা করতেছে। আর আমার মন ছিল। এমনিতে আমার মনে খালি মেয়ে মেয়ে মেয়ে
মেয়ে। আর এদিকে কেউ যদি এসে যদি বলে খাসা মেয়ে একটা আছে। তাইলে তো বুঝতেই পারতেছো। এখন তুমি খুব তৃষ্ণার্ত। তোমার খুব পানির
পিপাসা লাগছে। কেউ যদি তোমার চোখের সামনে এনে যদি এক গ্লাস পানি এরকম করে তাহলে বুঝতে পারতে তোমার ভিতরের অবস্থাটা কি
হবে? অনুপম বলতে তার অবস্থাটা এরকম। একদিকে তার মন তৃষ্ণার্ত আরেকদিকে হরিষ এসে তাকে এরকম লোভনীয় বর্ণনা দিচ্ছে।
রসিক বর্ণনা দিচ্ছে। আমি হরিশকে বলিলাম একবার মামার কাছে পড়িয়ে দেখো। অর্থাৎ মামাকে একবার ঘটনাটা বল। হরি আসর জমাইতে
অদ্বিতীয়। কিছু মানুষ আছে খুব জমাইতে খুব খুব ভালো যে কোন জিনিস জমাইতে পারে। তাই না? তো হরিশ আসর জমাইতে সে ছিল কি অদিত
এক্সপার্ট তাই সর্বত্র তার খাতির তো যারা এরকম আসর জমাইতে পারে তাদের খাতির এরকম অনেক বেশি এককালে আমি যখন অফলাইনে প্রচুর
ক্লাস নিতাম এখন তো কম নেই এখন তো নি আগে যখন অফলাইনে ক্লাস নিতাম আমারে একবার ক্লাস দেয় নাম না বলি এক জায়গাতে এক কোচিং
আমাকে ক্লাস দেয় নাই ক্লাস না দিয়ে আরেকজন সিসি কোচিং আর আরেকটা বিসি ভাইয়াকে ক্লাসে ঢুকাই দিছে কেন ঢুকাইছে সেই প্রসঙ্গে পরে
আসতেছি এখন পোলাপাইন কয় আমার ক্লাস করব দিছে আরেক ভাইয়ারে সে কোচিং মালিকের শালা তৎকালে সেই সময় তো এখন তো অনলাইনে তো এখন
আমরা ভরপুর টাকা ইনকাম করি কোর্স থেকে অনেক টাকা তখন তো এত টাকা পয়সা ছিল না তখন অফলাইনে ওই 1500 টাকার ক্লাসের দিকে তাকা
থাকতে তার শালারে নিয়ে সে ক্লাসে ঢুকাইছে পোলাপাইন চায় আমার ক্লাস তার শালার ক্লাস কেউ করেন পোলাপাইন এরপরেও পোলাপাইন কোচিং
এ রুমের ভিতরে দিছে তালা লাগায় একদিন ক্লাস দিছে দ্বিতীয় দিন যখন তানভর ভাইকে ক্লাস দিবে দিছে তালা লাগায় বুঝছো কেন
কারণ কারণ তখন খুব ভালো জমাইতাম। এখনো যে পারি না সেটা না। এখন একটু কম জমাই। এখন অনলাইন তো এজন্য অনেক কিছু বলা যায়
না। তো কিছু যারা আসল জমাইতে অদ্দি তারা সবকিছু কি করতে পারে? জয় করতে পারে। তাদের সব জায়গায় কি আছে? একটা বিশেষ
খাতির আছে। মামাও তাকে পাইলে ছাড়িতে চান না। মামাও তাকে পাইলে ছাড়তে। যেমন আমাকে পাইলে অনেকেই ছাড়তে চান। ঠিক
আছে? এরপর কথাটা তার তোমরা অনেকে বলতে পার ভাইয়া আপনি খালি নিজের প্রশংসা নিচু করেন। আসলে কি বলব? প্রশংসাগুলো তো অনেক
কিছু করতে পারে। তার ভিতরে হালকা হালকা প্রশংসা যেগুলো ছোট ছোট প্রশংসা সেগুলো আর কি বলি সবকিছু তো আসলে বলা যায় না নিজের
সম্পর্কে নিজে অনেক কিছু তো বলতে পারি না নিজের বললে তোমরা বলবে ভাইয়া খালি নিজের কথা নিজে বলেন কিন্তু আসলে বললে তো বলা
শেষ হবে না তাই না এজন্য অনেক কম কম বলতেছি ডোন্ট মাইন্ড ইফ ইউ ডোন্ট মাইন্ড কোন বাতাসে অনুপমের শরীর মন কাঁপতে
লাগলো বল ভেরি গুড বসন্ত হ্যা মামা কাকে পাই ছাড়তে চান না উত্তর হচ্ছে কাকে বল হরিশকে আচ্ছা এইবার দেখো মেয়ের চেয়ে দেখো
মেয়ের চেয়ে মেয়ের বাপের খবরটাই তার কাছে গুরুতর অর্থাৎ অনুপমের মামার কাছে অনুপমের অনুপমের মামার কাছে তার বাপের মেয়ে কেমন
এটা ডাজেন্ ম্যাটার কিন্তু মেয়ের বাপ তার খবরটা গুরুত্বপূর্ণ বাপের অবস্থা তিনি যেমনটি
চান তেমনি অর্থাৎ কল্যাণীর বাপের অবস্থা ঠিক তেমনি এককাল ইহাদের বংশে লক্ষমীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল মঙ্গলঘট মানে হচ্ছে
কল্যাণের প্রতীক অর্থাৎ এককালে এদের মানে কল্যাণীদের কল্যাণীদের অনেক অর্থসম্পদ ছিল সেটাই বলেছে এখন তাহা শূন্য বলি চল অথচ
তলায় সামান্য কিছু বাকি আছে অর্থাৎ এই তলা এই নিচে একেবারে সামান্য কিছু টাকা পয়সা খুব সামান্য আছে সেটা বলে দেশে
বংশমর্যাদা রাখিয়ে চলা সহজ নয় বলিয়া ইনি ইনি মানে হচ্ছে কি সমুনাথ পশ্চিমে পশ্চিম মানে হচ্ছে কানপুর কানপুরে গিয়ে
কি করেন বাস করেন সেখানে গরীব গৃহে মত তিনি থাকেন কার মত গরীব গৃহস্থের মত থাকেন একটি মেয়ে ছাড়া আর তার নাই সুতরাং ইহারি
পশ্চাতে লক্ষের ঘরটি একেবারে উপর করিয়া দিতে দ্বিধা করবে না। যেহেতু তার একটি মেয়ে এজন্য লক্ষের ঘরটি মানে যত তার যত ধন
সম্পত্তি আছে সবকিছু উপর করিয়া দিতে তিনি দ্বিধা করবেন না। অর্থাৎ ধরো যার মেয়ে আছে 10 টা। 10টা না সরি যার মেয়ে আছে ধরো
তিনটা। সে চিন্তা করবে তার কাছে যদি 3 লাখ টাকা থাকে সে চিন্তা করবে এক মেয়ের বিয়েতে এক লাখ, আরেক মেয়ের বিয়েতে এক লাখ, আরেক
মেয়ের বিয়েতে এক লাখ, মোট 3 লাখ। এখন যার মেয়ে আছে একটা, টাকা আছে 3 লাখ, সে চিন্তা করবে এক মেয়ের বিয়েতেই লাখ টাকা খরচ করব।
তো অনুপমের মামা এই চিন্তা করছে যে যেহেতু মেয়ে আছে একটা তার মানে দিতে এরকম উপর করে ঢেলে দিবে মানে দিতে আর কমতি উপর করে ঢেলে
দিলে তো সব পড়ে যায় এটাই বলছে ওকে প্রত্যেকটা লাইন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সহ পড়াইতেছি তোমরা তো আগে অনেকবার পড়ছো অনেক
জায়গাতে পড়ছো এরকম প্রত্যেকটা লাইন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সহ পড়ার কথা না পশ্চিমে মেয়ের বাবা কি অবস্থায় থাকেন
বল একজন বলছে 10টা দেশটা দিয়ে সেল উঠিয়ে দেয় তোর কোন ধারণা আছে হাদিস শেখ তৎকালীন সময় আগে 10টা
কম 10টা তো কম আগে একজনের বাচ্চা 20টা 21টা এখনো আমাদের গ্রামে একজনের বাচ্চা 17টা বুঝ 17টা 20টা 22টা 15টার নিচে তো
কথাই নাই 15টার নিচে কথাই নাই কথা বললেই 15টা এখন না ধর তোমার স্লোগান আসছে দুটি সন্তানের বেশি নয় একটা নিলে ভালো হয় তুমি
আজ থেকে 25 বছর 30 বছর আগের দিকে তাকাও না 15 20 টার নিচে কোন কথাই চলে না বুঝ ওকে তো এটা কি হবে গরীব গৃহে মত হ্যা ওকে
এসব ভালো কথা কিন্তু মেয়ের বয়স যে 15 মেয়ের বয়স কত 15 ইহা শুনি মামার মন ভার হইল মানে মামার একটু মন ভার হইল একটু মামা
একটু নিশ্চুপ হইল মানে মামার এই জিনিসটাতো ভালো লাগে না এখন প্রশ্ন হচ্ছে 15 বছর এটা শুনে মামার মন কেন ভার হইল খেয়াল করো
এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন তো কোন দোষ নাই না দোষ নাই বাপ কোথায় তার মেয়ের যোগ্য বল খুজিয়ে পান না একে বরের হাটে এই
জিনিসটা অর্থাৎ বংশেও কোন দোষ নাই অর্থাৎ মেয়েদের বংশেতো কোন দোষ নাই তাইলে 15 বছরে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না কেন ভাইরে তখন
15 বছর এটা শুনে মা বাবা মনে করছে মেয়ের বয়স অনেক হয়ে গেছে 15 বছর কথা ভালো করে বুঝ 15 বছর এজন্য বলছে যে এখন যদি কোন
মেয়ের বয়স যদি হয় 32 চিন্তা করে মাইয়ের বংশ দোষ আছে নাইলে মেয়ের বিয়ে হয় না কেন এখন দেখতেছে মেয়ের বংশ দোষ
নাই আবার বলতেছো 15 এখন বলবে ভাইয়া 15 বছর তো অনেক কম বাবা 15 বছর এখনকার সিচুয়েশন অনেক কম তখন 15 মানে অনেক তখন
15 বছর দাদি হয়ে যায় 15 বছরের বাচ্চা তিন চারটা থাকে একটা মেয়ের তখন মনে কর যে তোমার একদম যদি বেশি হয় তো 10 থেকে 11
কিংবা 12 বছরের ভিতরে বিয়ের ডান এবং তুমি খেয়াল করেছ সাত থেকে ছয় বছর থেকে শুরু হয় সাত আট নয় বছর 10 বছর
একদম আট থেকে 10 বছর এটা হচ্ছে পারফেক্ট টাইম মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার আট বছর ফাইন বিয়ে নয় বছর বিয়ে সাত বছর শেষ আট বছর
বিয়ে বিয়ে ছেলেদের সেই সময় কখন বিয়ে হতো ছেলেদের সেই সময় বিয়ে হতে একদম সর্বোচ্চ
15 বছর ছেলেদের বিয়ে হয়ে 15 বছরে ছেলেদের বিয়ে হয়ে যেত তুমি বুঝ এখন অনেক ছেলে আফসোস করবে সেই সময় যদি জন্মাইতাম
তাহলে এতদিনে বাচ্চাকাচ্চা তিন চারটা থাকতো এটা সত্য কথা এখনকার মেয়েরা বলে নাশব 32 একটা মেয়ের বয়স যদি 32 এখন বললে
তো আমি খারাপ থাক অফলাইন ক্লাস কইতাম এখন খেয়াল করতো মেয়েরা তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেলবা। স্বামী সংসার ক্যারিয়ার সবকিছু
থাকবে। বিয়ে করে ফেলবা। বিয়ে ভালো জিনিস। বিয়ে করে ফেলবা। 32 বছর বিয়ে করার কোন দরকার নাই। 32 বছরে বিয়ে করতে
যাবে। দেখবে যে হ্যাঁ আগের মত এখন আর হ্যা আগের মত এখন আর বিয়ের প্রতি জামাইের প্রতি কোন আকর্ষণ কাজ করবে না।
আচ্ছা এইবার আসো খেয়াল করো। এখন যেখানে ছিলাম যে মেয়ের বাপ কোথাও তার মেয়ের যোগ্য বর খুঁজিয়া পান না। অর্থাৎ
যোগ্য বর অর্থাৎ এই মেয়ের জন্য যোগ্য বর খুঁজতে খুঁজতে খুঁজতে খুঁজতে মেয়ের বয়স হয়ে গেছে। বরের হাটে মহার্গ বরের হাটে
মহার্গ মানে কি? মহার্গ মানে হচ্ছে খুব দামি। অর্থাৎ বর তখনকার ছেলে তখনকার সময় তো ছেলে পাওয়াই খুব কষ্ট। এখন না মেয়ের
মেয়ের বাপে মেয়ের বাপে বলে এই তোর কাছে বিয়ে দিমু না। অমুক আছে তুমি কিছু করো না। তখন তো ছেলে পাওয়া কঠিন ছিল। এজন্য
বলছে ছেলের হাটে মহার। এরপরে ধনুক ভাঙ্গাপন। ধনুক ভাঙ্গা মানে তীব্র যৌতুক অনেক বেশি যৌতুক ভাইরে ভাই তখন ছেলেদের
কাছে বিয়ে দিতে হলে আগে কথা চলবে কি দিবেন কত লাখ টাকা দিবেন স্বর্ণ কত দিবেন গয়না কত দিবেন ফার্নিচার কত দিবেন এগুলা
ছাড়া এখনো উত্তরবঙ্গে এই জিনিসগুলো এখনো আছে উত্তরবঙ্গে এখনো কিন্তু যৌতুক বেশি যাদের বাড়ি উত্তরবঙ্গ কুড়িগ্রাম
লালমনিহাট পঞ্চগড় এরা দেখবা যে বিয়ে করার সময় ছেলেরা বাই দিয়ে দেয় যা পালসার তারপর হচ্ছে কি এসি ফ্রিজ দিয়ে
দেয় উত্তরবঙ্গ এগুলো ডিরেক্ট চলে কিন্তু দক্ষিণবঙ্গ এইযে তোমার সিট্যাং টিট্যাং হ্যা অথবা অথবা সিলেট সিলেট এগুলোতেও দেয়।
কিন্তু এগুলোতে যৌতুকের সিস্টেম আলাদা। এগুলোতে যৌতুকের সিস্টেম কেমন? এগুলোতে যৌতুকের সিস্টেম হচ্ছে আরে আমরা কিছু চাই
না। আপনার মেয়ে আপনি মেয়ে দিছেন এটাই আলহামদুলিল্লাহ আমরা অনেক খুশি। কিছুই চাই না। তবে এসি দিতে পারেন গরমে। অনেক গরম
পড়ে। আপনার মেয়ে তো কষ্ট হবে। বাচ্চাকাচ্চা হলে আরো কষ্ট হবে। এসি একটা আপনি চাইলে দিতে পারেন। ফ্রিজ একটা দিতে
পারেন। ফ্রিজের দরকার আছে। চাইলে আপনি দিতে পারেন। চাইলে ফার্নিচার দিতে পারেন, সোফা দিতে পারেন। এগুলো আসলে আপনাদের
ব্যাপার। আপনারা দিলে দিবেন না দিলে নাই। আমাদের আবার এত লোভ নাই। আপনারা দিতেই পারেন এইভাবে এখন কিন্তু এখনো কিন্তু অনেক
জায়গাতে এগুলো চলে তো সেটাই বলছে তখন তো ছেলে পাওয়া কঠিন তার উপর আবার ছেলে পাইলেও ধনুক ভাঙ্গা পন অনেক বেশি পন মানে
হচ্ছে কি যৌতুক কাজেই বাপের কেবলই কাজেই বাপ কেবলই সবুর করিতেছে কিন্তু মেয়ের বয়স তো সবুর করতেছে না সবুর মানে ধৈর্য
বাপ হয়তোবা ভাবতেছে বিয়ে দিবে দিবে দিবে কিন্তু মেয়ের বয়স তো আর ধৈর্য ধরতেছে না মায়ের বয়স তো দিন দিন দিন দিন দিন দিন
বাড়তেছে যাই হোক হরিষের সরস রসনার গুণ সরস রসনার গুণ মানে হচ্ছে রস দিয়ে বর্ণনা করা খুব চম চমৎকারভাবে বর্ণনা করা সেটার
গুণ আছে মামার মন নরম হল এই কারণে মামার মন কি হইছে নরম হইছে বিবাহের ভূমিকা অংশটা নির্ভি সমাধান হল অর্থাৎ নির্বিঘ্ন মানে
কোন বাধা ছাড়াই বিবাহের প্রাথমিক অংশটা শেষ তোমরা কি বুঝ তোমরা কি মনকষ্ট আমি কিন্তু যেটা বলি বাস্তব কথা বলি কিন্তু
মানুষ আমাকে ভুল বুঝে আমি কিন্তু বাস্তব কথা বলি মানুষ আমাকে ভুল বুঝে বুঝছো যেমন আজকে একটা বাস্তব একটা আমি একটা পোস্ট
দিছিলাম যে পোস্ট দিছি ভালো জিনিস যে ভার্সিটির রেজাল্ট দিলেই কোচিং সেন্টারগুলোর নোংরামি শুরু আমি সরল মনে এই
পোস্ট দিয়ে আমি একটু গুমতুম দিয়ে এদিকে আমার পেইজের এক্সেল দেওয়া ছিল আমাদের আব্দুর রহমান ভাইকে আব্দুর রহমান ভাই
পোস্ট দিছে আমার বন্দি পাঠশালা থেকে অমুক অমুক এত এত এত স্থান হ্যা ফাস্ট হইছে এত এত এতজন এতজন ফাস্ট হইছে আমি তো জানিই না
পরে ইফতারের আগে আমি যখন ঢুকলাম ফেসবু আমি দেখি যে আল্লাহ মানুষ তো এখানে ধুয়ে দিতেছে ভাই আপনি কইতেছেন আপনি কোচিং
সেন্টার থেকে শুরু করে দেই টানাটানি এখন আপনি শুরু করে দিছেন আপনি পৌঁছে দিছেন আমি যে মানুষরে কিভাবে বুঝে ভাই আমি তো পোস্ট
দিই নাই পরে আমি দেখে সাথে সাথে পোস্টটা দিলি আমি কিন্তু ভালো মানুষ কিন্তু তোমরা আমাকে খারাপ মনে করি না বুঝ আচ্ছা এবার আস
খেয়াল কর এবার দেখ আমরা চলে যাই পরের অংশ এখানে দেখ যেন অনুপমের মামার মন নরম হইল কেন বল
ওকে বল ওকে এটা কি হবে বলতো কি বল সরিষের সরস রসনার গুণ ওকে এবার দেখ কলিকাতার বাহিরে যে পৃথিবীটা আছে
সমস্তটাকে মামা আন্দমান দ্বীপ আন্দমান দ্বীপ হচ্ছে ভারতের নিকটে আন্দমান দ্বীপ আন্দমান দ্বীপের অন্তর্গত বলিয়া যান
অর্থাৎ এখান থেকে জানা যায় যে মামা কলকাতার বাহিরে মামা খুব একটা যায় নাই জীবনে একবার বিশেষ কাজে তিনি কন্যার ঘর
কন্যার ঘর মানে হচ্ছে কলকাতার পাশে একটা স্থান এটা একটা স্থান কন্যার ঘর পর্যন্ত গিয়েছিলেন অর্থাৎ জীবনে কোন এক কাজে
মামাকে কলকাতার বাহিরে যেতে হয়েছে মামা যদি মনু হতেন মনু তিনি হচ্ছে একজন শাস্ত্র প্রনেতা এবং তার একটা গ্রন্থ ছিল সেটা
হচ্ছে মনুসংহিতা সংহিতাছে মামা যদি মনু হইতেন তবে তিনি হাবার পোল পার হওয়াটাকে তার সংহিতায়
একেবারে নিষেধ করে দিতেন হাবল হচ্ছে কলকাতার বাহিরে অর্থাৎ মামা যদি মনু হইতেন তাহলে তার যে সংহিতা যে গ্রন্থ ছিল এই
গ্রন্থে কলকাতার বাহিরে যে হাব্রার পোল ছিল এই হাব্রার পোল এটা পার হওয়াটাকে নিষেধ করে দিতেন অর্থাৎ মামা জীবনে কখনো
কলকাতার বাহিরে যান নাই এটাই এখানে বুঝাচ্ছে মনের মধ্যে ইচ্ছা ছিল নিজের চোখে মেয়েকে দেখিয়ে আসিব সাহস করিয়া প্রস্তাব
করিতে পারলাম না অনুপম তার খুব ইচ্ছা যে সে মেয়েকে নিজের চোখে একবার দেখবে কি করবে মেয়েকে নিজের চোখে সে একবার দেখবে কিন্তু
তার এই ইচ্ছা সে কখনো মামার কাছে পাঠ করতে পারেনি এটা ভুল ছেলে মেয়েরা এই কাজ করবে না। বিয়ে করতে গেলে আগে নিজের চোখে
মেয়েকে বা ছেলেকে আগে দেখতে হবে। এই যে সাহস করে মামাকে বলতে পারে না, বাপকে বলতে পারে না। এটা ভুল। এটা নিজেরটা নিজেকে
বলতে হবে এবং দেখতে হবে। হ্যাঁ। একবার অন্তত একবার দেখে নিতে হবে। কিংবা যদি একবার দেখার পর যদি মন না ভরে যে আমার
এখনো কনফিউজ মেয়েটা কি আসলেই সুন্দর নাকি মেকাপ সুন্দরী? পরেরবার আবার দেখা করবা। দরকার হলে হ্যা কোন ইয়ে ছাড়া কোন একদম
খোঁজখবর দেওয়া ছাড়া হঠাৎ করে একবার দেখা করবা। ঠিক আছে? যাতে আসলে বুঝা যায় যে সে আসলে প্রকৃত সুন্দরী নাকি মেকাপ সুন্দরী
এটা বুঝতে হবে আশেপাশের মানুষের থেকে খোঁজখবর নিতে হবে যে আসলে সে কেমন নিয়ে তারপর হচ্ছে দেখা করতে হবে এটা হচ্ছে
বিয়ের আগে আবার বিয়ের আগে এই কাজ করা যাবে না যে বিয়ের আগে অনেকে আছে বিয়ের ফ্যামিলি পারিবারিকভাবে কথাবার্তা হইছে
কিন্তু হেরা এমনভাবে ঘুরে আর যা যা করে মনে হয় যে হেরা বিয়ে হয়ে গেছে এক বছর হইছে এটা করা যাবে না তো জাস্ট দেখা
পর্যন্ত থাকতে হবে আর গভীরে যাওয়া যাবে না বিয়ের আগে ওকে আচ্ছা এরপর খেয়াল এরপর বলছে কলকাতার বাহিরে যে বাকি পৃথিবীটাকে
মামা কিসের অন্তর্গত বলে মনে করেন এটা আমরা পারব এটা হচ্ছে আন্দামান এরপর দেখ কল্যাণীকে আশীর্বাদ
করার জন্য যাহাকে পাঠানো হইল সে আমাদের বিনুদা অর্থাৎ মেয়ে দেখার জন্য মেয়েকে আশীর্বাদ করার জন্য যাকে পাঠানো হয়েছে সে
হচ্ছে বিনুদা বিনুদা হচ্ছে তার পিষতবা অনুপমে তার মত রুচি আর দক্ষতার উপর আমার 16 আনা নির্ভর করিতে পারে কিছু মানুষ আছে
না যে তুমি যদি মার্কেটে নাও যাও তবু তোমার জামাকাপড় কেনার জন্য আরেকজন তোমার বোন তোমার কাজিন তোমার মাকে পাঠাইলে সে
তোমার মন মত কিনে নিতে পারবে এরকম অনুপম যে জিনিসটা বিনদা যে জিনিসটা পছন্দ করবে অনুপম সেটার উপর তার 100স কি আছে ভরসা আছে
বিনদা ফিরে আসে বলিলেন মন্দ নহে খাটি সোনা বটে অর্থাৎবিনদা এসে বলছে যে খারাপ না খাটি সোনা বটে বিনদার ভাষা অত্যন্ত আখানে
আমরা বলি চমৎকার সেখানে তিনি বলেন চলনশই অতএব বুঝিলাম আমার ভাগ্য প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চস্বরের কোন বিরোধ নাই এখানে এই
প্রজাপতি এটা হচ্ছে প্রেমের দেবতা আর পঞ্চস্বর এটা হচ্ছে সরি প্রজাপতি হচ্ছে বিয়ের দেবতা পঞ্চসর হচ্ছে প্রেমের দেবতা।
অর্থাৎ এই প্রজাপতি আর পঞ্চসর বিয়ের দেবতা আর প্রেমের দেবতা যখন এডজাস্ট হয় তখনই পরে কেবল বিয়ে হয়। এজন্য বলছে যে বিয়ের দেবতা
প্রজাপতি এবং পঞ্চসর হচ্ছে প্রেমের দেবতা। এই দুজন এ দুজনের ভিতরে কোন বিরোধ নাই। অর্থাৎ এ দুজন একমত। তার মানে আমার বিয়ে
হবে। ওকে? আচ্ছা। এটা এই প্রশ্নটা একটু সলভ কর। ওকে এটা কি হবে
বল ফিরে এসে মেয়ের সম্পর্কে কি বলল খাটি সোনা বটে এবার দেখ বলাবাহুল্য বিবাহ উপলক্ষে
কন্যা পক্ষকেই কলকাতা আসতে হল অর্থাৎ বিবাহ উপলক্ষে কল্যাণীর মানে মেয়েদের পক্ষকেই অনুপমদের বাড়ি কলকাতাতে আসতে
হলন্যার পিতা শম্ভুনাথ হরিশকে কত বিশ্বাস করেন তার প্রমাণ এই যে বিবাহের তিনদিন পূর্বে তিনি আমাকে প্রথম চক্ষে দেখেন এবং
আশীর্বাদ করিয়া যান বুঝতে পারতে বিবাহের মাত্র তিনদিন আগে সমুনাথ মানে বিয়ে ঠিক সম কিন্তু তার
মেয়ে জামাইকে এখনো দেখে নাই কেন হরিশকে তিনি বিশ্বাস করতেন হরিশ বলছে ছেলে চমৎকার এজন্য তিনি আর দেখার দরকার মনে করেন নাই
বয়স তার 40 এর কিছু এপার ওপার মানে 40 এর কাছাকাছি চুল কাছা গোপে পাক ধরিতে আরম্ভ করিছে মাত্র সুপুরুষ বটে ভিড়ের মধ্যে
দেখিলে সকলের আগে তার উপরে চোখ পরিবার মত চেহারা। অনেক মানুষ একসাথে কিন্তু যে মানুষটা সবচাইতে সুদর্শন ভিড়ের মধ্যে
কিন্তু তার উপরেই মানুষের চোখ আগে যায়। তো শম্ভুনাথ ছিলেন এরকম। আশা করি আমাকে দেখিয়ে তিনি খুশি হইয়া ছিলেন। বোঝা শক্ত
কেননা তিনি বড়ই চুপচাপ। অর্থাৎ আসলেই কি তার আমাকে পছন্দ হইছে না পছন্দ হয় নাই। এটা বোঝা কঠিন। কারণ তিনি খুব চুপচাপ। যে
দুটি কথা বলেন যেন তাতেই পুরো জোর দিয়ে বলেন না। ঠিক আছে? এরপর দেখো বিয়ের কতদিন পূর্বে উত্তর হচ্ছে কি তিন দিন এটা আমরা
পারব অপরিচিতা গল্পে কন্যার পিতার বয়স কত আমরা জানি 40 এর এপার ওপার এরপর দেখ এবার যখন দেখতে আসল তখনকার ঘটনা এখানে বর্ণনা
করতেছে যখন মেয়ে দেখতে আসছে সমুনাথ তখন মামার মুখ অনরগল ছুটতেছেন ধনে মানে আমাদের স্থান যে শহরে কারো চেয়ে কম নয় সেটাকেই
তিনি নানা প্রসঙ্গে প্রচার করিতেছিলেন সমনাথকে বুঝাচ্ছেন যে এই শহরে যারা যাদের অর্থ আছে বৃত্ত আছে তাদের থেকে আমরা কোন
অংশে কম নয়। সম্যনাথ এ কথা একেবারেই যোগ দিলেন না। কোন ফাঁকে একটা হু বা হ্যাঁ শোনা গেল না। অর্থাৎ ওই কল্যাণীর অনুপমের
মামা বারবার বারবার বলে যাচ্ছে না সমনাথ খালি বা হ্যা কিছু মানুষ আছে না খালি নিজের ঢোল নিজে পিটায় দেখা হলেই খালি
নিজের গল্প নিজে আমি এটা আমি ওটা আমি অমুক তমুক। এই বলতে বলতে আমার এই আছে সে আছে। তো এরকমটা ছিলেন আমাদের এই অনুপমের মামা।
আচ্ছা এরপর দেখ আমি হলে দমিয়ে যাইতাম। কিন্তু মামাকে দমানো শক্ত অর্থাৎ আমি হইলে আর কোন কথাই বলতাম না কিন্তু মামা বলতেই
আছে বলতেই আছে তিনি সমুনাথ বাবুর চুপচাপ ভাব দেখিয়া ভাবিলেন এই লোক নিতান্তই নির্জীব একেবারে কোন তেজ নাই বেহাই
সম্প্রদায়ের আর যাই হোক তেজ থাকাটা দোষের অর্থাৎ তেজ থাকা যাবে না অতএব মামা মনে মনে খুশি হইলে সম্ভ যখন উঠিলেন তখন মামা
সংক্ষেপে উপর থেকে তাকে বিদায় করিলেন গাড়িতে তুলিয়া দিতে গেলেন না এটা খুব বড় ধরনের একটা মানে এখানে অনুপমের মামার একটা
এক্সট্রা ভাব আমরা দেখতে পেছি যে উপর থেকে তোমার বাসাতে একজন গেস্ট এখন তোমার বাসাতে যখন কোন গেস্ট আসে তখন গেস্ট
আসলে দেখ পোলাপন কি খারাপ যেমন তর ভাই আমি কোনদিন আমার নিজের প্রশংসা করছি আমি যদি আমার প্রশংসা করি তাহলে আমি ক্লাস বাদ
দিয়ে খালি নিজের ঘটনাগুলো নিজেরে বলতে হালকা একটু তোমাদেরকে হালকা একটু টাচ দিলাম আমি নাকি খুব
খারাপ দেখ অমুক বই ভালো তুম ভালো ডিস্টার্ব করলে ক্লাসের মধ্যে ডিস্টার্ব করলে ব্যান করে দিব ক্লাসে মনোযোগ দাও তো
কি জানি তোমার বাসাতে কোন একজন বড় একজন গেস্ট আসছে খুব নামি দামি বড় লোক একজন
গেস্ট আসছে তখন তুমি কি করবা খাওয়ার পর খাওয়াই দাওয়ায় দিয়ে তুমি তাকে গাড়িতে তুলে দিবা কিংবা বাড়ির নিচ পর্যন্ত গিয়ে দিয়ে
আসবা তারপর তাকে খুব অনুয় বিনয় করবা যে আপনার খুব কষ্ট হইছে আপনার ভালোমতো আপনাকেও আপ্যায়ন করতে পারি নাই কিন্তু এই
অনুপমের মামা সেটা না করে সে উপর থেকে তাকে বিদায় দিবে উপর থেকে আল্লাহ হাফেজ ভালো থাকবে নিচে তাকে বিদায় দিতে যায় নাই
বুঝতে পারতে এখান থেকে অনুপমের মামার একটা এক্সট্রা ভাব বুঝা যায় মানে হচ্ছে তোমার যৌতুক সম্বন্ধে দুইষ পাকাবাকি কথা হইয়া
গিয়েছিল। মামা নিজেকে অসামান্য চতুর বলি অভিমান করিয়া থাকেন। কথাবার্তায় কোথাও তিনি কোন ফাক রাখেন নাই। অর্থাৎ কোন কমতি
রাখেন নাই। সবকিছু তিনি আগেই ক্লিয়ার করে নিছে। টাকার অংক তো স্থির ছিলই। তারপর গহনা কত ভরি সোনা কত ধরনের হইবে সেও
একেবারে বাধাবাদী হইয়া গিয়েছিল। আমি নিজে এ সমস্ত কথার মধ্যে ছিলাম না। আমি নিজেই এই কথাবার্তার ভিতরে ছিলাম না। জানিতাম না
দেনা পাওনা একটা স্থির কি হইল? মনে জানিতাম এই স্থূল অংশটাই বিবাহের একটা প্রধান অংশ। সে অংশের ভার যার উপর তিনি এক
করাও ঠকিবেন না। অর্থাৎ এই যে বিবাহের যে টাকা পয়সা সোনা সোনাদানা এগুলোর যে অংশ এই এটার ভার মামার উপর। আর মামা তিনি
যেহেতু চালাক মানুষ তিনি এগুলোতে কি করবেন না? এক পয়সাও তিনি ঠকিবেন না। সেখানে এই জিনিসটাই বলা হয়েছে। মামা নিজেকে কি
হিসেবে জ্ঞান করেন বলতো? কি হবে বল? উত্তর হচ্ছে কি? অসামান্য চতুর। অনুপমের দৃষ্টি দেনা
পাওনার বিষয়টি কেমন? উত্তর হচ্ছে কি? স্থূল। ওকে। আচ্ছা এরপর খেয়াল করে দেখো। এরপর বলছে যে বস্তুত আশ্চর্য পাকা লোক
বলিয়া মামা আমাদের সমস্ত সংসারের প্রধান গর্বের সামগ্রী। অর্থাৎ মামা যত কিছু রয়েছে সবকিছুর জন্য মামাকে নিয়ে আমরা
অহংকার করি। গর্ব করি। যেখানে আমাদের কোন সম্বন্ধ আছে সেখানে সর্বত্রই তিনি বুদ্ধির লড়াই জিতিবে। এ কথা একেবারে ধরা কথা।
অর্থাৎ তিনি জিতবেনই। এজন্য আমাদের অভাব না থাকিলেও অন্য পক্ষের অভাব কঠিন হইলেও জিতিব। আমাদের কোন অভাব নাই। কিন্তু
আরেকজনের অভাব তবু আমরা তার উপর দিয়ে কি করব জিতব আমাদের সংসারে এই জেদ হইতে যে বাচুক আর মরুক এতে যদি কেউ যদি মারা যায়
তবুও আমরা কি করব জিতব গায়ে হলুদ অসম্ভব রকমের ধুম করিয়া গেল বাহক এত গেল বাহক মানে হচ্ছে যারা গেস্ট যারা ছিল মানুষ
যারা ছিল এত গেল যে তাদের আদমশুমারি করিতে হলে কেরানি রাখিতে হবে অর্থাৎ গায়ে হলুদে এত মানুষ গেছে যে এদেরকে ডাকতে হলে কি করা
আদমশুমারি করা লাগবে তাই না তাহাদিগকে বিদায় করিতে অপর পক্ষকে যে নাকাল হইতে হবে সে কথা স্মরণ স্মরণ করিয়া মামা সঙ্গে মা
একযোগে বিস্তর হাসিলেন। অর্থাৎ কল্যাণীদের বাড়িতে অপর পক্ষকে সে তাদের বাড়িতে বিবাহ গায়ে হল অনেক মানুষ গেছে। এই যে এতগুলো
মানুষকে খাবার দাবার দিয়ে সামলাইতে অনুপমের কল্যাণীর বাপের অনেক যেই পরিমাণ কষ্ট হবে সেটা ভেবে মা আর মামা হাসতেছে।
ব্যান্ড বাসি শখের কনসার্ট প্রবৃত্তি যত প্রকার উচ্চ শব্দ আছে সমস্ত একসঙ্গে মিশাইয়া বরবর কলাহলের মত্তহস্তি। মত্তস্থি
মানে হচ্ছে মাতাল হাতি। মত্তহস্তি দ্বারা সংগীত সরস্বতীর পদ্মবন অর্থাৎ কল্যাণীর সাজানো বাড়ি সংগীত সরস্বতীর পদ্মবন বলতে
বুঝানো হচ্ছে কল্যাণীর সাজানো বাড়ি দলিত বিদলিত করিয়া আমিও বিবাহ বাড়িতে গিয়ে উঠিলাম অর্থাৎ একেবারে যত রকম বাশিটা ছিল
সবকিছু মাতাল হাতির মত নিয়ে কল্যাণীর বাড়িতে গিয়ে আমি উঠলাম এখানে সেই জিনিসটাকে কি করছে বর্ণনা করছে আংটি
হারাতে জরিজ জহরতে আমার শরীর যেন গহনার দোকান নিলামে চড়িয়া বলিয়া বোধ হইল এত পরিমাণ গহনা পড়ছে মনে হচ্ছে আমার শরীরটাই
একটা গহনার দোকান তাহাদের ভাবী ভাবী মানে হচ্ছে হবু জামাইয়ের মূল্য কত সেটা কতক পরিমাণে
সর্বাঙ্গে স্পষ্ট করিয়া লিখিয়া ভাবী শ্বশুরের সঙ্গে মোকাবেলা করিতে যাইতেছি অর্থাৎ তাদের হবু জামাই সেটা কত মূল্যবান
সেটা বুঝানোর জন্য আমি এতগুলা জিনিসপত্র পড়ে হবু শশুর অর্থাৎ আমার হবে যেই শ্বশুর হবে অর্থাৎ সমনাথের সাথে কি করে মোকাবেলা
করার জন্য যাইতেছি মামা বিবাহ বাড়িতে ঢুকিয়া খুশি হইলেন না একেতো উঠানে বরযাত্রীর জায়গা সংকলন হওয়া শক্ত তারপরে
আবার সমস্ত আয়োজন ছিলনি নিতান্ত মধ্যম রকমের উঠানে যে জায়গা ছিল সেটা কম ছিল এবং আয়োজনটা খুব বড়সড় করা নাই মধ্যম
রকমের করেছে ইহার পরে সমুনাথের ব্যবহারটা নেহায় এক ঠান্ডা অর্থাৎ সমুনাথ ওই মামাকে খুব তেল মাগতেছে না যে আল্লাহ আপনি আসছেন
অনেক কষ্ট হইছে বসেন বসেন বসেন একটু চা খান ঠান্ডা খান এরকম তার সাথে করতেছে না এজন্য মামার মনটা খুব খারাপ অপরিচিত গল্পে
বিয়ের আয়োজন কি রকমের ছিল কি হবে বলতো নিতান্ত মধ্যম রকমের ওকে এটাও হয় এটাও হয় বাট স্পেসিফিক আমাদের রাইটসার
খ বিয়ে বাড়িতে ঢুকে খুশি হলেন না উত্তর হচ্ছে মামা এর তার বিনয়টা অজস্র নয় তার বিনয়টা অজস্র
নয় বলতে বঝাচ্ছে ওই যে মানে অনেক বেশি বিনয় দেখাচ্ছে না মুখে তো কথাই নাই কোমর চাদুর বাধা গলা ভাঙ্গার টাক পড়া নিষকালো
এবং বিপুল শরীর তার এক উকিল বন্ধু যদি নিয়ত হাত জোর না করিয়া মাথা হেলাইয়া নম্রতার স্মৃত হাস্য গদগদ বচনে কনসার্ট
পার্টির করতালে বাজিতে হইতে বাজি হইতে শুরু করিয়া বরকর্তাদের প্রত্যেকের বারবার প্রচুর রূপে অভিষিক্ত না করিত তবে
গোড়াতেই তাপারস্পার হয়ে যেত পারসপার মানে হচ্ছে মীমাংসা অর্থাৎ সে তো বিনয় দেখাচ্ছে না তার একটা উকিল বন্ধু ছিল উকিল
বন্ধু সবাইকে হাত জোড় করে মাথা হেলায় অনেক নম্রভদ্র আচরণ করেছে এজন্যই সম্ভবত বিয়েটা হয়েছে। না হলে বিয়েটা সেখানে
ক্লোজ হয়ে যেত। এটা অনুপম বলতেছে। আমি সবাই বসিলাম। কিছুক্ষণ পরে মামা সম্বুনাথ বাবুকে পাশের ঘরে ডাকিয়া লইয়া গেলেন। কি
কথা হইল জানিনা। কিছুক্ষণ পরে সভ্যনাথ আমাকে আসিয়া বলিলেন বাবাজি একবার এদিকে আসতে হচ্ছে। অর্থাৎ তুমি বাবা একবার এদিকে
আসো। তো এটা কে হবে এটা বুঝতে পারতেছো যে এটা কে বলছে সমুনাথ বাবু বলছে। আচ্ছা এরপর দেখ ব্যাপারখানায় সকলের না হোক। কিন্তু
কোন কোন মানুষের জীবনে একটা লক্ষণ আছে মামার একমাত্র লক্ষণ তিনি কোনমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না। তার ভয় তার ব্যয় তাকে ভয়
নাই ফাঁকি দিতে পারেন বলে বিবাহকার্য শেষ হইয়া গেলে সে ফাঁকির আর প্রতিকার চলবে না। অর্থাৎ মামার ভয় হচ্ছে সৌম্য বাবু তাকে কি
করতে পারে? গহনাতে কিছু কম দিতে পারে। এখন বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর যদি দেখে যে গহনা কিছু খারাপ গণনা দিছে কিংবা গহনাতে কম
দিছে তাহলে তো তখন আর এটার কোনরূপ কোন প্রতিকার করা যাবে না। এজন্য যা করতে হবে সব বিয়ের আগে করতে হবে। বাড়িভাড়া সহগাত
লোক বিদায় প্রবৃত্তি সম্বন্ধে যেরকম টানাটানি পরিচয় পাওয়া গিয়েছে তাতে মামা ঠিক করিয়েছিলেন দেওয়াত হওয়া সম্বন্ধে এ
লোকটি শুধু মুখের কথার উপর ভর করা চলবে না সেজন্য বাড়ির শাকরাশুদ্ধ সঙ্গে আনিয়েছে শুধু সম্ভবনাথ বাবু মুখের উপর ভর করে তিনি
বিবাহকার্য সারবেন না এজন্য তিনি শাকরাশুদ্ধ মানেশকরা সহ তিনি বিবাহ বাড়িতে নিয়ে আসেন গনা তিনি বিয়ের আগে
মেপে নিবেন এরপর দেখ পাশের ঘরে গিয়ে দেখিলাম মামা একটা তক্তপোষ তক্তপোষ মানে হচ্ছে
কাঠের যে চকিগুলো থাকে ছোট এগুলোর উপর শেকরা তাহার দাড়িপাল্লার কষ্টি পাথর প্রবৃত্তি লইয়া মেজে বসিয়া আছে শম্ভুনাথ
আমাকে বলিলেন তোমার মামা বলিতেছেন বিবাহ কাজ শুরু হইবার আগে তিনি কনের সমস্ত গণনা যাচাই করিয়া দেখিবে ইহাতে তুমি কি বল আমি
মাথা হেড করিয়া চুপচাপ করিয়া রইলাম মামা বলিলেন ও আবার কি বলিবে আমি যা বলব তাই হবে অর্থাৎ ও কি বলবে আমি যেটা বলব সেটাই
হবে সোমনাথ বাবু আমার দিকে চাহিয়া কইলেন সেই কথা তবে ঠিক উনি যা বলবেন তাই হবে এ সম্বন্ধে তোমার কিছু বলার নাই। আমি একটু
ঘাড় নাড়ার ইঙ্গিত জানাইলাম। এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অধিকার। অর্থাৎ এসব কথায় আমার কথা বলার কোন অধিকার নাই। আচ্ছা তবে বসো
মেয়ের গা হইতে সমস্ত গহনা খুলিয়া আনিয়াছি। এই বলিয়া তিনি উঠিলেন। মা বলিলেন, অনুপম এখানে কি করিবে? সবাই গিয়ে বসুক। অর্থাৎ
অনুপম কি দাঁড়িয়ে থাকবে? ও সবাই গিয়ে বসুক। এটা বলতেছে। তখন আমরা দেখি যে সমনাথ বাবু কি বলছে। সমুনাথ বলিলেন, না সবাই নয়
এখানেই বসতে হবে। এখানেই বসুক। কিছুক্ষণ পরে তিনি একখানা গামছা বাধা গণনা নিয়া তক্তপশুরের উপরে মেলিয়া ধরিলেন। সমস্তই
তার পিতা মহিদের আমলের গণনা। পিতামহিদের আমলে মানে তার পিতা দাদাদের আমলে প্রাচীনকালের গণনা। গনা যত আগের হবে সেই
গণনা তত বেশি ভালো হবে। এরপর দেখ হাল ফ্যাশন মানে বর্তমান সময় সূক্ষ কাজ নয়। যেমন মোটা তেমনি ভারী। অর্থাৎ যেমন এই
স্বর্ণগুলো যেমন মোটা ছিল তেমনি ওজন ভারী ছিল। গনা হাত তুলিয়া লইয়া বলিলেন এই আর কি দেখিব? ইহাতে খাদ নাই। হ্যাঁ, এমন সোনা
এখনকার দিনে ব্যবহারই হয় না। অর্থাৎ ইহাতে খাদ নাই মানে এতে কোন ডুপ্লিকেট কিছু নাই। এখনকার যুগে এই প্রাচীন সোনা পাওয়াটাই কি
কঠিন। এই বলিয়া সে মকরমুখা মোটা একখানা বলয় একটু চাপ দিয়ে দেখিল তাহা বাকিয়া যায়। ওকে? মামা তখন নোট বইয়ে গণনাগুলো ফর্দ
টুকিয়া লইলেন। অর্থাৎ নোট বই সেগুলো কি করলেন? টুকে লইলেন। পাহা দেখানো হইল তাহার কোনটা কম পড়ে কিনা। হিসাব করিয়া দেখিলেন।
গনা যে পরিমাণ দেবার কথা ছিল। সংখ্যায় দরে বরে তার চেয়ে অনেক বেশি। মামা সেগুলো টুকে নিচ্ছে। আসলে যা দেওয়ার কথা ছিল তা
দিচ্ছে কিনা। মামা হিসাব করে দেখলেন সম্বনাথ যা দেওয়ার কথা ছিল তার থেকে বেশি দিয়েছে। এরপর দেখ গলাগুলোর মধ্যে একজোড়
ইয়ারিং কানের ধুল। মানে কি? কানেজুল সমরাজ সেটাতে শেকরার হাতে দিয়া বলিলেন এটা একবার ফরক করিয়ে দেখো মানে এটা একবার
যাচাই করে দেখো মেতে দেখো শেকরা কইল ইহা বিরাতিমাহাতে সোনার ভাগ সামান্যই আছে অর্থাৎ এটা বিদেশী এটা ভালো না এটাতে খুব
সামান্য সোনা আছে বাকিটা ডুপ্লিকেট সমনাথ ইয়ারিং জোড়া মামার হাতে দিয়ে বলিলেন এটা আপনারাই রাখিয়া দিন এই ইয়ারিংটা দিয়েই
কল্যাণীকে আশীর্বাদ করেছে অনুপমের মামা এর পরের লাইনটা খেয়াল করে এর পরের লাইনটা দেখলে বুঝবা মামা সেটা হাতে লইয়া দেখিলেন
এই ইয়ারিং দিয়ে কন্যাকে তাহারা আশীর্বাদ করিয়েছে। মামার মুখের উপর একেবারে অপমান করে দিল। মামার মুখ লাল হইয়া উঠিল।
দরিদ্র তাহাকে ঠকাইতে চাইবে। কিন্তু তিনি ঠকিবেন না। এই আনন্দ সম্ভ হইতে বঞ্চিত হইলেন। অর্থাৎ তিনি মানুষকে ঠকাবেন। তিনি
মানুষের উপর দিয়ে তিনি চালাকি করে জিতবেন। এই আনন্দটা তিনি আজকে কি করতে পারলেন না? সম্ভ করতে পারলেন না। এটা থেকে
তিনি বঞ্চিত হইলেন। এবং তাহার উপরে কিছু উপরেই পাওনা জুটিল। অত্যন্ত মুখ ভার করিয়ে বলিলেন, অনুপম যাও তুমি সবাই গিয়ে
বসো গেয়ে। সমুনাথ বলিলেন না এখন সবাই ভষিত হইবে না। চলুন আগে আপনাদেরকে খাওয়াইয়া দেই। অর্থাৎ সমুনাথ বা বলছে না
আগে আপনাদেরকে খাওয়াই দিই এখন আর সবাই বসা লাগবে না। আচ্ছা অনেকগুলো কমেন্ট আসছে। আমি একটু দেখি।
ঠিক আছে। ওকে। এরপর খেয়াল করো। এরপর দেখো। এরপর মামা বলিলেন সে কি কথা লগ্ন লগ্ন হইবে না
বিবাহের মূল কাজ সম্পূর্ণ হইবে না সোমনাথ বলিলেন সেজন্য হ্যা ভাবিবেন না এখন উঠুন লোকটি নেহাত ভালো মানুষ ধরনের কিন্তু
ভেতরে একটু জোর আছে বলিয়া বোধ হইল মামাকে উঠিত হইল বরযাত্রীর আহার হইয়া গেল আহার মানে খাবার মানে বরযাত্রী যারা ছিল
তাদেরকেই করল খাওয়াই দিল আয়োজন আরম্ভর হ্যা ছিল না আরম্ভর মানে খুব জাগজমক খুব হাইপাই ছিল না কিন্তু রান্না ভালো এবং
সমস্ত বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বলিয়া সকলের তৃপ্তি হল বর যাত্রী খাওয়া শেষ হলে সোমুনাথ বাবা আমাকে খাইতে বলিলেন মামা
বলিলেন সে কি কথা বিবাহের পূর্বে বর খাইবে কেমন করিয়া আগে তো বিয়ে হবে কবুল টবুল বইলে তারপর খাওয়া দাওয়া হবে এখন কবুল
বলার আগে যদি বলে যে খাই ফেলাও তাহলে কেমনে হল সেটা তো হয় না তখন খেয়াল করে দেখ তখন সমুনাথ বাবু কি বলতেছে তখন সমুনাথ
বাবু বলতেছে এ সম্বন্ধে মামার কোন মত প্রকাশকে তিনি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করিয়া আমার দিকে চাহিয়া বলিলেন তুমি কি বল
বসিয়ে যাইতে দোষ কিসের মানে বসে যাইতে দোষ কিছু আছে মূর্তিময় মাতৃজ্ঞ স্বরূপ মামা উপস্থিত তার বিরুদধ চল আমার পক্ষে
অসম্ভব আমি আহারে বসিতে পারলাম না তখন সভ্যনাথ বাবু আমাকে বলিলেন আপনাদিকে অনেক কষ্ট দিয়েছি আমরা ধনী নয় আপনাদের যোগ্য
আয়োজন করিতে পারি নাই ক্ষমা করিবেন রাত হইয়া গেছে আর আপনাদের কষ্ট বেড়াইতে আর আপনাদের কষ্ট বাড়াইতে ইচ্ছে করি না এখন
তবে মানে এখন তবে আপনারা আসেন আচ্ছা এরপর খেয়াল কর এরপর বলিলেন মা বললেন সবাই চলুন আমরা তো প্রস্তুত আছি সমলেন তবে আপনাদেরকে
গাড়ি বলিয়ে দি অর্থাৎ বির দিব না আপনাদেরকে গড়ি বলে দেই আপনারা চলে যান। আশ্চর্য হয়ে বলিলেন ঠাট্টা করিতেছেন নাকি?
সোমুনাথ কইলেন ঠাট্টা তো আপনি করিয়া সরি আছেন। ঠাট্টা সম্পর্ককে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই। অর্থাৎ এই সম্পর্কটা তোকে
আপনিই স্থায়ী হ্যাঁ ঠাট্টা সম্পর্ক বানায় ফেলছেন। এই ঠাট্টা সম্পর্ককে আমি আর পার্মানেন্ট করতে চাচ্ছি না। মামা দুই
চোখ এত বড় করিয়া মিলিয়ে অবাক হইয়া রইলেন। সমুনাথ কইলেন, আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব একথা যারা মনে করে তাদের
হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না। তাদের কাছে আমি কি করব? আমার মেয়ে বিয়ে দিব না। এটা একটু সলভ করো।
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওকে এরপর খেয়াল কর আমাকে একটিবারও হ্যা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না। কারণ প্রমাণ হইয়া গেছে। আমি
কেউই নয়। তারপর যা হইলো তা আমি বলতে ইচ্ছে করি না। ঝড় লন্ঠন ভাঙ্গিয়া ছুরিয়া জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করিয়া বর যাত্রার দল
দক্ষযজ্ঞের পালা সরিয়া বাহির হইয়া গেল। বাড়ি ফিরবার সময় ব্যান্ড রসনচৌকি মানে সানাই ঢোল কনসার্ট একসঙ্গে বাজিল না
অর্থাৎ আসার সময় যে বাদ্যযন্ত্রগুলো বাচছে যাওয়ার সময় এগুলো আর কিছুই বাজতেছে না এবং অব্রের ঝাড়গুলো অব্রের
ঝাড় মানে হচ্ছে অব্র এক প্রকার খনিজ ধাতু এবং অভ্রের তৈরি যে ঝাড় যে বাতিগুলো রয়েছে অভ্রের ঝাড়গুলো আকাশের তারার উপর
হ্যা আপনাদের কর্তব্যের বরাত কর্তব্যের বরাত মানে হচ্ছে কর্মভার দিয়া কোথায় যে মহান নির্ভান লাভ করলেও সন্ধান পাওয়া গেল
না অর্থাৎ এই লাইনটা একটু বুঝাই অব্রের ঝার অর্থাৎ যে বাতিগুলো ছিল সেই বাতিগুলো আকাশের তারার উপর তারা কি করছে? দায়িত্ব
দিয়ে চলে গেছে। অর্থাৎ আলো জলানোর দায়িত্বটা তারা আকাশের তারার উপর দিয়ে গেছে। আসার সময় আর বাতিটাতে কিছুই জ্বলে
নাই। মনে হচ্ছে যে তারা তারার উপরে দায়িত্ব দিয়ে যে তারা তোমরা আলো দাও। আমাদের আর বাতি জলানোর কোন দরকার নেই।
এরকম তারা অভ্রের ঝাড়গুলো তারার উপরে দায়িত্ব দিয়ে মনে হচ্ছে যে সেই অভ্রের ঝাড়গুলো তারা নির্ভান লাভ করতে। কোথায়
জানি তারা চলে গেছে। এরপর আচ্ছা এরপর খেয়াল করো। এরপর দেখো এরপর বলছে বিয়ে না হওয়ার
লজ্জায় বাড়িতে আসার সময় তারা কোন ধরনের কোন ধরনের ভাদ্যযন্ত্র বাজায়নি বা আলো জ্বালায়নি ঝাড় বাতি আকাশের তারার উপর
আলো জ্বালানোর দায়িত্ব নিজেরা প্রস্থান করল অর্থাৎ আকাশের তারার আলো ছাড়া আর কোন আলো দেখা গেল না এটার মানে হচ্ছে এইটা ওকে
আচ্ছা এরপর খেয়াল করো বাড়ির সকলে তো রাগী আগুন অর্থাৎ সবাই খুব রেগে আছি কন্যার পিতার এত ঘুম মানে এত অহংকার কলিজা
চার পাওয়া হয়ে আসিল সকলে বলিল দেখি মেয়ের বিয়ে দেন কি করি অর্থাৎ অর্থাৎ মেয়ের বিয়ে কিভাবে দিবেন? কিন্তু অর্থাৎ
মেয়ের বিয়ে কিভাবে দিবেন এটা তারা ভাবতেছে যে যেই মেয়ের একবার বিয়ে ভেঙ্গে যায় তার বিয়ে হয় না সহজে সেটাই বলতেছে।
কিন্তু মেয়ের বিয়ে হইবে না এই ভয় যার মনে নেই তার শাস্তির উপায় কি? অর্থাৎ সমনা তো এটা চিন্তাই করে না তার মেয়ে
বিয়ে হবে না। সেটা ডোন্ট কেয়ার তলে তাকে কিভাবে শাস্তি দিবে? মত মত্ত বাংলা মস্ত বাংলা বাংলাদেশের মধ্যে আমি একমাত্র পুরুষ
যাকে কন্যার ভাব বিবাহের আসর হইতে নিজেই ফিরাইয়া দিয়েছেন। এত বড় সৎ পাত্রের কপালে এত বড় কলঙ্কের দাগ কোন নষ্ট গ্রহ
হইতে আলো জ্বালাইয়া বাজনা বাজাইয়া সম্রোহ করিয়া আকিয়ে দিল। অর্থাৎ আমি এত ভালো ছেলে আমার কপালে এত বড় কলঙ্কের দাগ
কে যে দিল সেটাই। তো এখানে একটা লাইন আছে। এই লাইনটা আমি এখন একটু বিশ্লেষণ করব। অর্থাৎ এই যে বলতেছে যে মেয়ের বাপের এত
কোমর, এত অহংকার। হ্যাঁ। তারপর বলতেছে কি যে এইযে দেখো কলিযে চার কয়া হইয়া আসিল এই লাইনটার একটু ব্যাখ্যাটা এখানে খুব সুন্দর
করে লেখা আছে কলিযে চার পয়া হয়ে আসিল এটার ব্যাখ্যাটা কি হিন্দু পুরাণে বর্ণিত যোগ হচ্ছে চারটা সত্য ক্রেতা তারপর কি দাপর
এরপর হচ্ছে কলি কলিযোগ বা কাকাল হচ্ছে শেষ সময় মানে শেষ হলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে যখন কলিকাল চার পাওয়া অর্থাৎ ধ্বংসের সময়
হবে তখন সব নিয়ম পরিবর্তন হয়ে যাবে অর্থাৎ এখানে এই জিনিসটাই বুঝাচ্ছে যে কলিযে চার পাওয়া হয়ে আসিল অর্থাৎ আমরা এত ভালো
ফ্যামিলির মানুষ আমাদের এত কিছু আছে অথচ মেয়ের বাপ আমাদেরকে ফিরাই দিল মনে হচ্ছে পৃথিবীর সব নিয়ম কি হচ্ছে পরিবর্তন হয়ে
যাচ্ছে এখানে সেই জিনিসটাই বুঝাইছে আচ্ছা এরপর খেয়াল করো এরপর বলছে বর যাত্রীরা এই বলিয়া কপাল চাপড়াইতে লাগিল যে বিবাহ
হইলো না অথচ আমাদের ফাঁকি দিয়া খাওয়াইয়া দিল পাক যন্ত্রণা সমস্ত অন্নশুদ্ধ সেখানে টান মারিয়া ফেলিয়া
দিয়া আসিতে পারিলেম তবেই আফসোস মিটিত অর্থাৎ অনুপমদের আরো আফসোস হচ্ছে যে বিয়ে তো দিলই না উলটা আমাদেরকে খাওয়াই দিল এটা
আমাদের জন্য আরো অপমান মনে হচ্ছে পাযন্ত্রটা অন্যশুদ্ধ অর্থাৎ খাবার যেখানে থাকে এই পাক যন্ত্রটা মনে হচ্ছে খাবার সহ
টেনে ছিড়ে ফেলে দিতে পারলে খাবারগুলো পেট থেকে বমি করে বের করে দিতে পারলেই মনে হচ্ছে কি হতো সব আফসোস মিটিত বিবাহের
চুক্তিভঙ্গ মানহানির দাবিতে নালিশ করিবে বলিয়া মামা অত্যন্ত গোল করিয়া বেড়াইতে লাগল অর্থাৎ মামা ওই সম্বনাদের ব্যাপারে
মামলা করবে কেন যে তাদের মানহানির মামলা করবে এরপর দেখ হিতরা বুঝিয়ে দিল হিতরা মানে হচ্ছে যারা মামার উপকারী কাছের
মানুষজন তাহা হইলে আমার সাথে যেটুকু বাকি আছে তাহা পুরা হইবে বলা বাহ্য আমি খুব খুব রাগিয়া ছিলাম। অর্থাৎ অনুপম নিজেও কি ছিল?
খুব রেগে ছিল। অনুপম নিজেও খুব কি ছিল? রেগে ছিল। ওকে। তো আজকে আমরা এতটুক পর্যন্তই পড়বো। কারো কোন প্রশ্ন আছে কিনা
আমাকে বল। এন্ড হচ্ছে পরের ইয়েতে আমরা আরো ভালো করে আলোচনা করব। আরো পরের অংশটা এবং আমরা বোর্ড প্রশ্ন এবং সৃজনশীল দেখব। ঠিক
আছে? ভাইয়া পুরোটা শেষ করে দিন। না আজকে পুরোটা শেষ করা যাবে না। এখন অনেকগুলো স্লাইড। হ্যা। আজকে পুরোটা শেষ করলে আরো
আরো দেড় ঘন্টার ক্লাস আছে। আরো দেড় ঘন্টার ক্লাস আছে। স্যার আপনার ক্লাস আমার তো পছন্দই সাথে
আমার ছোট বোনের ক্লাস ক্লাস তিনে পড়ে মনোযোগ দিয়ে ক্লাস দেখে ঠিক আছে টিকগুলোর উত্তর দে ওকে ভালো ঠিক আছে মামা কি বিয়ে
করেছে না সেটা উল্লেখ করা হয় নাই তবে সব পরিবেশ গল্পটা বুঝে যতটুক বুঝা যায় মামা বিয়ে করে নাই ওকে
ঠিক আছে ওকে ঠিক আছে তো ভালো থাকবা। ইনশাআল্লাহ। পরবর্তী ক্লাস দেখার আমন্ত্রণ রইলো। আজকের মত বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ
হাফেজ।
'অপরিচিতা' গল্পের মূল বার্তা হলো যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিবাদ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে দেখিয়েছেন যে আত্মমর্যাদা ও নারীর সম্মান অর্থের চেয়ে অনেক বড়। শম্ভুনাথ সেন ও কল্যাণীর চরিত্রের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে যৌতুকের অপমান মেনে না নেওয়াই সঠিক পথ।
কল্যাণী দৃঢ়চেতা ও আত্মমর্যাদাশীল নারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সে নীরব সাক্ষী না থেকে নিজের সম্মান রক্ষায় সিদ্ধান্ত নেয় এবং বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়। তার চরিত্রটি নারী শিক্ষা ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক, যা দেখায় যে মেয়েরা নিজেদের অসম্মান মেনে নেয় না।
অনুপমের কোনো নিজস্ব ব্যক্তিত্ব নেই। সে মামার আদেশে চলে এবং বিয়ের সময় কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। তার অক্ষমতা দেখিয়ে রবীন্দ্রনাথ সমাজের সেই শ্রেণির পুরুষদের চিত্র এঁকেছেন, যারা ভুলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না এবং নিজের জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ হলো শম্ভুনাথ সেনের বলা: “আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব একথা যারা মনে করে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না।” এটি যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ, যা দেখায় যে মানুষের মর্যাদা অর্থের চেয়ে বড়।
আজও আমাদের সমাজে যৌতুক প্রথা বিদ্যমান। গল্পটি শেখায় যে আত্মমর্যাদা অর্থের চেয়ে বড় এবং নারীরা যদি সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয় তবে তারা অত্যাচার মেনে নেবে না। তাই এই গল্পটি যৌতুকবিরোধী আন্দোলনের জন্য একটি অনন্য দলিল হিসেবে টিকে আছে।
শম্ভুনাথ সেন একজন সৎ ও মর্যাদাবান ডাক্তার। তিনি যৌতুকের দাবি এবং অপমান মেনে নিতে পারেননি। বিয়ের সময় মামার সন্দেহজনক আচরণে তিনি বিয়ে ভেঙে দেন এবং সম্পূর্ণ দৃঢ়তার সঙ্গে তার মেয়ের সম্মান রক্ষা করেন। তার কাজ শিক্ষা দেয় যে যৌতুকের দাবি একটি অপরাধ।
গল্পটি 'সাধু ভাষায়' লেখা এবং প্রথম প্রকাশিত হয় 'সবুজপত্র' পত্রিকার কার্তিক সংখ্যায়। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোটগল্প, যেখানে তিনি যৌতুক প্রথার নিন্দা করেছেন এবং নারীর আত্মমর্যাদা ও সামাজিক প্রতিবাদের বার্তা দিয়েছেন।
Keep this summary
Save it to LunaNotes and it becomes a real note in your library — editable, searchable, and ready to turn into flashcards or a diagram. Free to start.
Save to LunaNotesOr summarise for another video.
32K+ people have turned 65K+ videos into notes
“Very useful tool. I'm using it for the last couple weeks and I'm loving it so far. Makes learning on YouTube a great experience.”
This summary and transcript were automatically generated using AI with the Free YouTube transcript summary tool by LunaNotes.
Related summaries
বৃত্ত অধ্যায় সম্পূর্ণ গাইড | ক্লাস ৮ গণিত | দীপিত ভাইয়া
ক্লাস ৮ এর বৃত্ত অধ্যায়ের একটি সম্পূর্ণ ও সহজবোধ্য সমাধান। এই ভিডিওতে বৃত্ত, কেন্দ্র, ব্যাসার্ধ, জ্যা, ব্যাস, পরিধি ও ক্ষেত্রফলের মৌলিক ধারণা এবং গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্যসমূহের প্রমাণ সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এমসিকিউ ও বোর্ড প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কৌশল শিখতে পারবে।
ইংলিশ ফার্স্ট: মিথস অফ বেঙ্গল - কবিতা ও বেহুলার গল্পের ব্যাখ্যা
এই ভিডিওতে ইংলিশ ফার্স্ট বইয়ের 'মিথস অফ বেঙ্গল' লেসনের 'আই হ্যাভ সিন বেঙ্গলস ফেস' কবিতার প্রতিটি শব্দ ও গ্রামার ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি বেহুলা ও চাঁদ সওদাগরের পৌরাণিক গল্প এবং মনসামঙ্গল কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
"The Legend of Gazi": লোককাহিনী ও গ্রামার একসাথে
এই ভিডিওতে 'The Legend of Gazi' প্যাসেজটি শব্দে শব্দে ও গ্রামার ভেঙে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। Gazi Pir-এর অলৌকিকতা, বাঘ ও সাপের সাথে তার সম্পর্ক এবং লোকসাহিত্যে তার গল্পের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
মিথ্যে ভালোবাসা: সম্পর্কের প্রতারণা, ক্ষোভ ও বিষাদগীতি
একটি হৃদয়বিদারক গান যেখানে প্রতারিত প্রেমিক স্মৃতি, কান্না ও অভিযোগের মধ্য দিয়ে প্রশ্ন করে। কপটতা ও ভালোবাসার মিথ্যে আশ্বাস নিয়ে এই বেদনার সুর শ্রোতাকে গভীর আবেগে সিক্ত করবে।
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সম্পূর্ণ ইতিহাস (১৯২৬-১৯৪৭) - এক ক্লাসেই
এই ভিডিওতে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ২১ বছরের (১৯২৬-১৯৪৭) গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। নওজোয়ান সভা থেকে শুরু করে সাইমন কমিশন, ভগত সিং-এর আন্দোলন, ১৯৩৫ সালের শাসন আইন, নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজ, এবং শেষ পর্যন্ত দেশভাগ ও স্বাধীনতা লাভ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ইতিহাস খুব সহজ ও স্পষ্ট ভাষায় বোঝানো হয়েছে। মূল ঘটনা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও তারিখগুলো মনে রাখার জন্য এই ভিডিওটি অত্যন্ত সহায়ক হবে।
Most viewed summaries
A Comprehensive Guide to Using Stable Diffusion Forge UI
Explore the Stable Diffusion Forge UI, customizable settings, models, and more to enhance your image generation experience.
Kolonyalismo at Imperyalismo: Ang Kasaysayan ng Pagsakop sa Pilipinas
Tuklasin ang kasaysayan ng kolonyalismo at imperyalismo sa Pilipinas sa pamamagitan ni Ferdinand Magellan.
Mastering Inpainting with Stable Diffusion: Fix Mistakes and Enhance Your Images
Learn to fix mistakes and enhance images with Stable Diffusion's inpainting features effectively.
Pamamaraan at Patakarang Kolonyal ng mga Espanyol sa Pilipinas
Tuklasin ang mga pamamaraan at patakaran ng mga Espanyol sa Pilipinas, at ang epekto nito sa mga Pilipino.
How to Install and Configure Forge: A New Stable Diffusion Web UI
Learn to install and configure the new Forge web UI for Stable Diffusion, with tips on models and settings.
Found this summary useful?
Take it with you. One click puts it in your own LunaNotes library.
Save to LunaNotes