এইচএসসি আইসিটি চ্যাপ্টার ১: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
আইসিটি ও বিশ্বগ্রাম (গ্লোবাল ভিলেজ)
- তথ্য প্রযুক্তি: যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য দ্রুত আহরণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়।
- বিশ্বগ্রাম (গ্লোবাল ভিলেজ): ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির কারণে পুরো বিশ্ব একটি গ্রামের মতো মনে হয়। এই ধারণাটি প্রথম দেন কানাডিয়ান দার্শনিক হারবার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান।
বিশ্বগ্রামের সুবিধা
- সারা পৃথিবী মানুষের হাতের মুঠোয় চলে আসা।
- মানুষের কাজের দক্ষতা ও গতি বৃদ্ধি।
- ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও লেনদেন সহজ ও দ্রুততর হওয়া।
- অনলাইন লাইব্রেরি ও অনলাইন ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে সহজে শিক্ষা গ্রহণ।
- টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ঘরে বসেই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ।
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদান
- হার্ডওয়্যার (ডিভাইস)
- সফটওয়্যার
- নেটওয়ার্ক ও কানেক্টিভিটি (ইন্টারনেট)
- ডেটা বা তথ্য
- মানুষের সক্ষমতা ও সচেতনতা
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
- আশেপাশের ডিভাইসগুলো (টিভি, ফ্রিজ, লাইট, ফ্যান) ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। এই ধারণাটিই ইন্টারনেট অফ থিংস।
যোগাযোগ প্রযুক্তি
- যোগাযোগের মূল উপায় তিন প্রকার: মৌখিক, অমৌখিক (নন-ভারবাল) এবং লিখিত।
- টেলিকনফারেন্সিং: ভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থান থেকে টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে সভা বা সেমিনারে অংশগ্রহণ।
- ভিডিও কনফারেন্সিং: ভিডিও ও অডিও উভয় মাধ্যম ব্যবহার করে টেলিকনফারেন্সিং।
- ওয়েব কনফারেন্সিং: ইন্টারনেটের মাধ্যমে কনফারেন্সিং, যার জন্য জুম, স্কাইপ, গুগল মিট ইত্যাদি সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
আইসিটির প্রভাব: বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন
কর্মসংস্থান
- আইসিটি নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে যেমন ফ্রিল্যান্সিং (আউটসোর্সিং), উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইত্যাদি।
শিক্ষা
- ই-লার্নিং: ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিখন ও শেখানো (যেমন: ভিডিও টিউটোরিয়াল, অনলাইন ক্লাস)।
- ইবুক ও কিন্ডল ডিভাইসের মাধ্যমে পড়া।
স্বাস্থ্য
- টেলিমেডিসিন: ঘরে বসে ভিডিও কলে ডাক্তার দেখানো।
- রোগীর মেডিকেল রেকর্ড ডেটাবেসে সংরক্ষণ।
অফিস
- বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ।
- সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
বাসস্থান
- ইলেকট্রনিক ডিভাইস (লাইট, ফ্যান, এসি) ফোন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ।
- সেন্সর ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা।
ব্যবসা-বাণিজ্য
- ই-কমার্স: ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনাবেচা।
- ই-কমার্সের ধরন: বিজনেস টু কাস্টমার (B2C), বিজনেস টু বিজনেস (B2B), কাস্টমার টু কাস্টমার (C2C)।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বাস্তবতার অনুকরণ, যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবে উপস্থিত থাকার মতো অনুভব করে।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদান
- ইফেক্টর: বিশেষ ধরনের ইন্টারফেস ডিভাইস যা ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে (যেমন: হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে-HMD, গ্লাভস, পোশাক)।
- রিয়েলিটি সিমুলেটর: হার্ডওয়্যার যা ইফেক্টরকে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করে।
- অ্যাপ্লিকেশন: ভার্চুয়াল পরিবেশ তৈরি ও পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার।
- জিওমেট্রি: ভার্চুয়াল পরিবেশের বস্তুর ত্রিমাত্রিক বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার
- গেম শিল্প: স্ক্রিনের বাইরে গিয়ে সরাসরি গেমের জগতে ঢুকে খেলা।
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ত্রোপচারের সিমুলেশন, পাইলটদের ফ্লাইট সিমুলেশন, সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ।
- বিনোদন: ঘরে বসে সিনেমা হলের মতো অভিজ্ঞতা নেওয়া।
- ব্যবসা ও শিল্প: পণ্যের ডিজাইন ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সিমুলেশন।
- ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ: বাস্তবের মতো ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির নেতিবাচক দিক
- মনুষত্বহীনতা ও সামাজিক সম্পর্কের অবনতি।
- কল্পনার রাজ্যে বিচরণ ও বাস্তবতা বিস্মৃত হওয়া।
- স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর (মাথাব্যথা, চোখে জ্বালা)।
- ডিজিটাল ডিভাইড তৈরি করে (শুধু ধনীরা ব্যবহার করতে পারে)।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
- কম্পিউটারে মানুষের মতো চিন্তা করার ক্ষমতা সৃষ্টি করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- প্রয়োগ: চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনাই, মিডজার্নি (ইমেজ জেনারেটর) ইত্যাদি।
- সুবিধা: কাজ দ্রুত ও সহজ হয়, ডিজাইন তৈরি, কোডিং সহজ হয়।
- অসুবিধা: চাকরি হারানোর আশঙ্কা (অটোমেশনের কারণে মানুষ অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে)।
মেশিন লার্নিং
- মেশিন লার্নিং: এআই-এর একটি শাখা, যেখানে ডেটা ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যাতে সে নিজে শিখতে পারে।
- মেশিন লার্নিং-এর প্রকারভেদ: সুপারভাইজড লার্নিং (উত্তরসহ ডেটা), আনসুপারভাইজড লার্নিং (উত্তরবিহীন ডেটা), রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং (পুরস্কার ও শাস্তির মাধ্যমে শেখা)।
নিউরাল নেটওয়ার্ক
- মানুষের ব্রেনের নিউরনের মতো কৃত্রিম নিউরনের একটি নেটওয়ার্ক যা মেশিন লার্নিং-এ ব্যবহৃত হয়।
রোবটিক্স
- রোবট: কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা নির্দেশিত হয়ে কাজ করতে পারে।
- রোবটিক্স: রোবট নিয়ে পড়াশোনার শাখা।
রোবটের উপাদান
- প্রোগ্রামকৃত মস্তিষ্ক (প্রসেসর): কাজের নির্দেশনা সংরক্ষণ করে।
- পাওয়ার সিস্টেম: ব্যাটারি (সাধারণত লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি)।
- ইলেকট্রিক সার্কিট।
- একচুয়েটর: মোটর দিয়ে তৈরি, যা রোবটের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াতে সাহায্য করে।
- যান্ত্রিক গঠন (স্ট্রাকচার): কাজের ওপর নির্ভর করে রোবটের দেহের গঠন।
রোবটের বৈশিষ্ট্য
- সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত।
- নির্দিষ্ট কাজ অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে করতে পারে।
- ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন কাজ করতে পারে।
- ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেও কাজ করতে পারে।
- কখনো বিরক্ত হয় না।
রোবটিক্সের ব্যবহার
- শিল্প কারখানা: পণ্য উৎপাদন, সংযোজন ও প্যাকিং (যেমন: গাড়ি তৈরির কারখানা)।
- সামরিক ক্ষেত্রে: ড্রোন, মাইন ডিটেকশন।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: অস্ত্রোপচারে সহায়তা, ওষুধ বিতরণ।
- বিপজ্জনক কাজে: কয়লা খনি, নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর পরিষ্কার।
- গবেষণা: মহাকাশ অভিযান (যেমন: নাসার কিউরিওসিটি রোবট)।
রোবটিক্সের অসুবিধা
- কর্মসংস্থান হ্রাস।
- রোবটের মূল্য বেশি।
ক্রায়োসার্জারি
- অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক ও রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করার পদ্ধতি।
- আধুনিক ক্রায়োসার্জারি: ১৯৫০ সালে ড. ইরভিং কুপার ও আর্নল্ড হাত শুরু করেন।
- ক্রায়োজেনিক এজেন্ট: তরল নাইট্রোজেন, তরল আর্গন, তরল কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি।
ক্রায়োসার্জারির প্রক্রিয়া
- ক্রায়োপ্রোব নামক একটি সুচের মাধ্যমে টিউমার টিস্যুতে তরল নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস নিঃসরণ করা হয়।
- এতে করে ১২ সেকেন্ডের মধ্যে টিস্যুর তাপমাত্রা -৪১°C থেকে -১৯৬°C-তে নেমে যায়।
- ফলে কোষের পানি জমে গিয়ে টিউমারটি একটি বরফপিন্ডে পরিণত হয়।
- বরফপিণ্ডের ভেতরে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- এরপর ক্রায়োপ্রোবের মাধ্যমেই হিলিয়াম গ্যাস নিঃসরণ করা হয়, যা টিউমারের তাপমাত্রা ২০-৪০°C-তে নিয়ে আসে এবং বরফ গলে গিয়ে টিউমার টিস্যু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
- প্রয়োজনে এই প্রক্রিয়াটি (শীতলীকরণ ও উত্তাপন) দুই থেকে তিনবার করা হয়।
বায়োমেট্রিক্স
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করার পদ্ধতি।
- বায়োমেট্রিক্সের মূল কাজ: শনাক্তকরণ (চিহ্নিত করা) ও যাচাইকরণ (প্রমাণ করা) ।
দৈহিক গঠনভিত্তিক বায়োমেট্রিক্স (৬ প্রকার)
- আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট)
- আঙ্গুলের শিরা (ফিঙ্গার ভেইন)
- হাতের জ্যামিতি (হ্যান্ড জিওমেট্রি)
- আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান
- মুখ শনাক্তকরণ (ফেস রিকগনিশন)
- ডিএনএ
আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক্স (৩ প্রকার)
- কণ্ঠ শনাক্তকরণ (ভয়েস রিকগনিশন)
- স্বাক্ষর (সিগনেচার)
- টাইপিং প্যাটার্ন (কি-স্ট্রোক)
বিভিন্ন বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট: কম খরচে, দ্রুত ও প্রায় শতভাগ সফল। অসুবিধা: ময়লা থাকলে কাজ করে না, ছোট শিশুদের জন্য উপযুক্ত নয়।
- ফিঙ্গার ভেইন: ফিঙ্গারপ্রিন্টের চেয়ে বেশি নির্ভুল, বয়স দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
- ফেস রিকগনিশন: সহজ ও দ্রুত। অসুবিধা: ক্যামেরার প্রয়োজন, চুল বা মেকআপের কারণে শনাক্তকরণ ব্যাহত হতে পারে।
- হ্যান্ড জিওমেট্রি: ডিভাইসের দাম বেশি।
- ভয়েস রিকগনিশন: নিরাপত্তা কম (নকল করা সম্ভব)।
হ্যালো এভ্রিওয়ান আসসালামু আলাইকুম আইসিটি চ্যাপ্টার ওয়ান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত এই
চ্যাপ্টারের ওয়ান শর্ট ক্লাসে তোমাদের সবাইকে স্বাগত এই চ্যাপ্টার থেকে তোমাদের এইচএসসি বা কলেজের পরীক্ষায় যা কিছু আসতে
পারে আমরা সবকিছু এই একটা ক্লাসে কি করব কাভার করব আমরা বেসিক সিকিউ এমসিকিউ সবকিছুই কাভার করবতো এটা একটু
থিওরিটিক্যাল চ্যাপ্টার আইসিটির পাঁচটা চ্যাপ্টারের মধ্যে চ্যাপ্টার ওয়ান আর টু এই দুইটা হচ্ছে থিরিটিক্যাল এই দুইটা থেকে
মিলায়ে মোট তিনটা উস এখান থেকে একটা সিকিউ বা দেড়টা সিকিউ মাস্ট এইউ গুলো হচ্ছে তুমি জাস্ট মেইন কনসেপ্টটা মেইন টপিকটা ধরে
তারপর বানায়া টানা লিখলেও তোমাকে নাম্বার দিবে জিরো বসায় দিবে না সমাজ বা বাংলার মত বুঝতে পারছো তো আমাদের কিন্তু অলরেডি
বাকি চারটা চ্যাপ্টারের ওয়ান শর্ট ক্লাস আপলোড করা হয়েছে এই চ্যানেলটায় আইসিটি এবং ম্যাথসের প্রত্যেকটা চ্যাপ্টারের ডিটেইলড
ওয়ান শর্ট ক্লাস আছে যেগুলা দেখলে তোমার এইচএসসি বা কলেজের যেন পরীক্ষ খুব ভালো করতে পারবা আবার ক্যালকুলেটর হ্যা অবশ্যই
এই ভিডিওগুলা দেখে ফেলবা ঠিক আছে আচ্ছাতো আমরা এই চ্যাপ্টারটা বই আর হচ্ছে স্লাইড এই দুইটার কম্বিনেশনে পড়ব আমি জাস্ট বই
থেকে একটু দেখাতে পার এটা হচ্ছে তোমার যেকোন বই থাকলেই হবে সব বই একদম সিমিলার তুমি যদি দেখো এই চ্যাপ্টারের যে মেইন
কিওয়ার্ড গুলো আছে বিশ্বগ্রাম ভার্চুয়াল রিয়ালিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এগুলার মধ্যে স্পেসিফিক স্পেসিফিকলি কোন জায়গা
থেকে টপিক পরীক্ষায় আসে আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি। ঠিক আছে? ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এখান থেকে সিকিউ আসে। তারপর রোবটিক্স,
ক্রায়োসার্জারি, বায়োমেট্রিক্স, বায়োইনফরমেটিক্স, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানোটেকনোলজি।
এই কয়টা টপিক থেকে আমাদের কোশ্চেন আসে। এই কয়টা টপিক আমাদের একটু ভালো করে দেখতে হবে। ঠিক আছে? আমি বইয়ের পিডিএফটাও
ডেসক্রিপশনে দিয়ে দিব। হ্যাঁ। তোমরা অনেকে বল ভাই পিডিএফ পাচ্ছি না। পিডিএফ হচ্ছে YouTube এর ডেসক্রিপশনে। হ্যাঁ
ওখানে দেখলেই পেয়ে যাবা। ওকে ঠিক আছে। তো আমরা কিছু সংজ্ঞা টঙ্গা দেখবো। প্রত্যেকটা জিনিসের সংজ্ঞা
ইম্পর্টেন্ট। প্রথমত তথ্য প্রযুক্তি আসলে কি? সংজ্ঞাটা জাস্ট জেনে নিব। হ্যা বর্তমান যুগ আসলে তথ্য প্রযুক্তির যুগ।
কারণ সবকিছুই কি? তথ্যের উপর চলতেছে। যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য দ্রুত আহরণ, প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ, আধুনিকীকরণ এবং
ব্যবস্থাপনা ও বিতরণ করা হয় তাকে তথ্যপ্রযুক্তি বলে। এই যে তোমরা ভিডিওটা দেখতেছ এটাও একটা তথ্য না। এটাও তো একটা
ডেটা। তাই না? যেটা আমি রেকর্ড করে তোমাদেরকে দেওয়াচ্ছি। বোঝা গেল? এই তথ্যগুলা নিয়ে যেই
প্রযুক্তি সেটাই হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি। সংজ্ঞাটা ইম্পর্টেন্ট। বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ। দেখো ইন্টারনেট এবং
তথ্যপ্রযুক্তির কারণে এখন পুরা বিশ্বটাকে একটা গ্রাম মনে হয় না। তুমি যেকোন এক জায়গায় বসে ধরো বাংলাদেশের এক প্রান্তে
বসে তোমার কাছে ইন্টারনেট কানেকশন আছে। পুরা বিশ্বটা তোমার হাতের মুঠায় নিয়ে আসতে পারবা। নিউইয়র্কে কি হইতেছে?
কানাডায় কি হইতেছে? ইন্ডিয়ায় কি হইতেছে সবকিছু তুমি একটা জায়গায় বসে জানতে পারো না। এবং সবার সাথে। ধরো অন্টার্কটিকায় বা
কানাডায় একজন লোক আছে তুমি ওর সাথে কথা বলতে পারো হোয়াট এ, মেইলে। তাই না? ওরা কি কি ভিডিও YouTube এ আপলোড দিচ্ছে
সেগুলো তুমি দেখতে পারো না তারানে পুরা বিশ্বটা হাতের মুঠায় চলে আসছে এই ব্যাপারটাই হচ্ছে গ্লোবাল ভিলেজ বুঝছো
গোটা বিশ্বটাকে একটা গ্রামের মত মনে হয় এই তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের কারণে এটাকেই বলা হয় গ্লোবাল ভিলেজ এই ধারণাটা প্রথম
দেন হচ্ছেন কানাডিয়ান একজন দার্শনিক হারবার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান এটা মনে রাখতে হবে এটা মনে রাখতে হবে বুঝতে পারলাম
এখন এই যে বিশ্বগ্রাম এটার সুবিধা বা ইতিবাচক দিকগুলা কি কি পুরা বিশ্বটা যে তোমার হাতের মধ্যে চলে আসছে বল
তুমি কি সুবিধাগুলা বানায় লিখতে পারবা তো দেখো সারা পৃথিবী মানুষের হাতের মুঠে চলে আসছে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হইছে
হইছে না আসলেও কিন্তু হইছে তাই না মানুষের কাজের দক্ষতা ও গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে্যাইউটিউ দেখে তুমি টিউটোরিয়াল দেখে বিভিন্ন
কাজকর্ম শিখতেছো না এ আসার কারণে প্রত্যেকটা মানুষের কাজের গতি কিন্তু বাইরে গেছে বুঝতে পার ব্যবসা বাণিজ্যের এর
প্রসার ঘটছে লেনদেন সহজ ও দ্রুততর হচ্ছে আগে ব্যাংকে গিয়ে টাকা ইয়ে করা লাগতো এখন ফোনে বসেই তুমি কি পে করে দিতে
পারতেছো ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার তুমি কি ঘরে বসেই কিন্তু অনলাইনে বিজনেস করতে পারো শুধু বাংলাদেশে না সারা বিশ্বের সাথেও
কিন্তু বিজনেস করা যায় ঠিক আছে অনলাইন লাইব্রেরি অনলাইন ইউনিভার্সিটি ভিডিও টিউটোরিয়াল এতো এক্সাম্পল এই যে যেটা
করতেছো এটাই ঘরে বসেই সহজে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসা সুবিধা নেওয়া যায় তুমি এখন ঘরে বসেই ডাক্তার দেখাইতে
পারবা তুমি জানো বাংলাদেশ একটু কম যেহেতু আমরা একটু আন্ডার ডেভেলপিং কান্ট্রি বাট উন্নত
দেশগুলায় ঘরে বসেই হ্যা হ্যাপ এর মাধ্যমে ভিডিও কলের মাধ্যমে কিন্তু ডাক্তার দেখানো যায় বুঝতে পারছো তারপর একটু জাস্ট পড়ে
নিবাস আর কিচ্ছু না পড়ে নিবা স্লাইডটা জাস্ট পড়ে নিবা এখন বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদান সমূহ কি কি হ্যা প্রথমত হার্ডওয়ার
দেন সফটওয়ার নেটওয়ার্ক সংযততা বা কানেক্টিভিটি ডেটা আর মানুষের সক্ষমতা এওয়ারনেস গ্লোবাল ধর তুমি যোগাযোগ করবা বা
ভিডিও ডিটোর দেখবা এটার জন্য একটা হার্ডওয়ার লাগবে না তোমার একটা কম্পিউটার লাগবে বা একটা ফোন লাগবে একটা ডিভাইস
লাগবে তারপর সফটওয়ার ওই ডিভাইসটা চালানোর জন্য একটা সফটওয়্যার লাগবে কিংবা তুমি মানুষের সাথে কথা বলতে চাও কানাডায় তোমার
একটা সফটওয়্যার লাগবে হোয়াটসঅ্যাপ বা সকাইপে কিছু একটা তো হবে তারপর ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি লাগবে তোমার সব আছে হ্যাঁ
কিন্তু তুমি বাংলাদেশের এমন এক জায়গায় গেছো যেখানে কোন ইন্টারনেট কানেকশন নাই তুমি কি যোগাযোগ করতে পারবা তাহলে অবশ্যই
নেটওয়ার্ক বা কানেক্টিভিটি লাগবে ঠিক আছে তারপর ডেটা বা তথ্য ডেটা বা তথ্য এইযে আমি যে YouTube এ ভিডিও
আপলোড দিলাম ওটাই কি একটা ডেটা বা তথ্য মানুষের ক্যাপাসিটি এবং সচেতনা থাকতে হবে ধর তোমার কাছে সব আছে কম্পিউটার আছে
ইন্টারনেট আছে কিন্তু তুমি ব্যবহার করতে জানো না তহলে কি বিশ্বগ্রাম হওয়া পসিবল বিশ্বগ্রামের পার্ট হওয়া পসিবল না বুঝতে
পারলে এই পার্টটা জিনিস থাকতে বিশ্বগ্রামের উপাদান হিসেবে বুঝাইতে পারলাম তো বইয়েও দেখবা এই জিনিসগুলা
খুব সুন্দর করে দেওয়া আছে বুঝছো সরি
নেই নেই ঠিক আছে আমি একটু উপরে নিয়ে যাচ্ছি বইয়েও দেখবা এই ব্যাপারটা এইযে হারবার্ট মার্শাল
ম্যাকলোহান ঠিক আছে বইয়ের জাস্ট নল কালি বা লাল কালি দিয়ে যে অংশটুকু দেখা আছে না ওগুলো একটা
চোখ বুলায় দিলেই কি হয়ে যাবে একটা চোখ বুলায় দিলেই কি আমাদের হয়ে যাবে বুঝতে পারছো তহলে বিশ্বগ্রাম আমাদের
মোটামুটি শেষ তাইতো এইযে হার্ডওয়ার সফটওয়ার কানেক্টিভিটি ডেটা মানুষের সক্ষমতা এগুলো নিয়ে ডিটেলসে লেখা আছে তুমি
চাইলে জাস্ট পড়ে নিতে পারো যদি তোমার টাইম থাকে না পড়লে অসুবিধা নেই এবার আসো ইন্টারনেট অফ থিংস এরপর যেটা দেখব
ইন্টারনেট অফ থিংস এটা আসলে কি তুমি আশেপাশে যত ডিভাইস ব্যবহার করতেছো টিভি ল্যাপটপ তারপর হচ্ছে তোমার ফ্রিজ ওভেন
সবগুলাই কিন্তু একটা নেটওয়ার্কে বা ইন্টারনেটে কানেক্ট করা যায় বর্তমানে যে আধুনিকগুলা আছে ঠিক আছে এন্ড ওগুলা পরিবেশ
থেকে তোমার ডেটা নিয়ে ওই ডেটাগুলা ধরো তোমার ফোনের সাথে কানেক্টেড তোমার গাড়িটা কিংবা তোমার ফ্রিজটা তাহলে ওগুলা বিভিন্ন
ডেটা নিয়ে তোমার ফোনে পাঠায় দিবে না তাহলে বুঝতে পারছো সবকিছুই যে ছোটখাট ইলেকট্রনিক্স আছে সবগুলাই কি ইন্টারনেটের
কানেক্টেড থাকতে পারে। এই ব্যাপারটা কি হচ্ছে? ইন্টারনেট অফ থিংস বলে। খেয়াল করো এখনকার কিন্তু ফ্রিজগুলাও আধুনিক যে
ফ্রিজগুললা আছে সেগুলো কিন্তু তুমি কমান্ড দিয়ে বিভিন্ন কাজ করাইতে পারবা। তোমার ফোনের সাথে কানেক্ট করাইতে পারবা। বুঝতে
পারছো? তারপর টেলিভিশন, টিভি, কম্পিউটার, ফ্যান, ফ্যান, লাইট এগুলো কিন্তু ফোনের সাহায্যে কন্ট্রোল করা যায়। এগুলো
ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড থাকতে পারে। এই ব্যাপারটাই হচ্ছে ইন্টারনেট অফ থিংস। সংজ্ঞাটা জাস্ট দেখে নিও। ঠিক আছে?
সংজ্ঞাটা জাস্ট দেখে নিও। এখন যোগাযোগ যোগাযোগ কয়ভাবে করা যায়? যোগাযোগ করার তুমি আরেকজনের সাথে কমিউনিকেট করবা। মূল
উপায় হচ্ছে তিনটা। বুঝছো? মূল উপায় কয়টা? তিনটা। একটা হচ্ছে মৌখিক বাচনিক, ননভারবাল আর হচ্ছে লিখিত। আর
হচ্ছে লিখিত। ঠিক আছে? তাহলে মৌখিক বাচনিক কথা বলার মাধ্যমে। ননভারবাল কি? ধর ইশারার মাধ্যমে আমি তোমাকে একটা হাই দিলাম না
তুমি বুঝতে পারতেছো আমি যে তোমাকে হাই দিছি এটাই কি নন ভারবাল বা অবাচনিক অবাচনিক তারপর হচ্ছে লিখিত জাস্ট মনে
রাইখো যে যোগাযোগ মূলত তিন প্রকার হয় তিন প্রকারের উদাহরণ দিলে অবশ্যই পারবা লিখিত আমি তোমাকে একটা মেইল পাঠালাম একটা এসএমএস
পাঠালাম টেক্সট পাঠালাম ইনবক্সে ওটা কি লিখিত বুঝতে পারছো ইমেইল কিভাবে কাজ করে এখানে একটা প্রসেস দেওয়া আছেটা লাগবে না
তারপরেও জাস্ট দেখে রাখতে পারো তোমাদের বইয়ে আছে যে তুমি যখন ইমেইল পাঠাও তোমরা ইমেইল পাঠাইছো ওই ইমেইলটা আসলে কিভাবে
হ্যা তুমি তো সেন্ডার রিসিভারের কাছে কিভাবে যাবে সেটা একটা ফ্লোচার্ট দেওয়া আছে বুঝতে পারছেন
তারপর ইমেইলের সুবিধা ইমেইলের অসুবিধা তারপরে যোগাযোগের জন্য এই যোগাযোগের সাথে রিলেটেড কিছু টেকনোলজি সম্পর্কে আমরা
আলোচনা করব প্রথমত ইমেইল দেখলাম ইমেইল কি বল রিটেন রিটেন কমিউনিকেশন রিটেন কমিউনিকেশন আচ্ছা এখন যোগাযোগের সাথে
রিলেটেড কিছু টেকনোলজি আমরা দেখবো। টেলিকনফারেন্সিং। টেলিকনফারেন্সিং কি? ধরো ধরো তুমি এখানে বসে আছো ঢাকায়। তোমার একটা
বন্ধু চিটাগাং। তুমি চাইলে কিন্তু ওর সাথে কথা বলার জন্য সরাসরি চিটাগাং যাওয়া লাগবে না। তুমি ঢাকা থেকে বসেই ফোনের মাধ্যমে ওর
সাথে কথা বলতে পারো। বুঝতে পারছো? কিংবা ধরো তুমি ঢাকায় আছো। হ্যাঁ তোমার বন্ধুরা এখানে একটা গেট টুগেদার করতেছে।
একটা সভা করতেছে। এখন তুমি আনফরচুনেটলি যাইতে পারো নাই এই চিটাগং। তো তুমি কি করলা? ফোনের মাধ্যমে ওদের সাথে কথা বললা।
এটাই কি? টেলিকনফারেন্স। সুন্দর করে লেখা আছে। দেখ ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ
সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা কোন সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকেই বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং।
টেলিকনফারেন্সিং। ঠিক আছে এরপর হচ্ছে ভিডিও কনফারেন্সিং টেলিতে কি ছিল জাস্ট কথা বলা আর ভিডিও
কনফারেন্সিং এ ভিডিওটাও থাকবে কথা বলাও থাকবে তোমরা দেখছো কিনা বাংলাদেশে ধরো কোন একটা সড়ক উদ্বোধন হচ্ছে বা কোন একটা
ব্রিজ উদ্বোধন হচ্ছে কোন একটা ইনস্টিটিউশন উদ্বোধন হচ্ছে এখন একজন যে এটা উদ্বোধন করবে সে যদি আনফরচুনেটলি ওই এরিয়ায় না
যাইতে পারে ও কি ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সেটা উদ্বোধন করে না এরকম নিউজ দেখছো তোমরা
সবাই তাইতো ভিডিও এটাকে কি বলা হয় ভিডিও কনফারেন্সিং এই যে ফেসবুকে আমি লাইভ ক্লাস
নিচ্ছি এটাও কাইন্ড অফ ভিডিও কনফারেন্সিং আমি যদিফেসবুকে না নিয়ে জুমে নিতাম যেখানে আমার স্টুডেন্ট একদম সরাসরি কথা
বলে আমার সাথে ক্লাস করতে পারতাম ওদের ভিডিওটাও আমি দেখতে পারতাম তাহলে এটা কি পূর্ণাঙ্গটা ভিডিও কনফারেন্সিং হয়ে যেত
বুঝতে পারছো এখন এই যে অডিও কনফারেন্সিং আর ভিডিও কনফারেন্সিং মানে টেলিকনফারেন্সিং আর হচ্ছে ভিডিও
কনফারেন্সিং এই দুইটা টাকে একসাথে বলা হয় হচ্ছে ওয়েব কনফারেন্সিং। ওয়েব ওয়েব কনফারেন্সিং। এইযে ওয়েব কনফারেন্সিং এটার
জন্য তো সফটওয়ার লাগবে। তোমরা বলতো এই ওয়েব কনফারেন্সিং এর সফটওয়ার তোমরা ইউজ করছো জম সকাইপ Googleুগমিট ইউজ করছো সবাই?
এগুলাই কি? ওয়েব কনফারেন্সিং সফটওয়ার। এখন ওয়েব কনফারেন্সিং সফটওয়ারের বৈশিষ্ট্য তুমি পারবা না। জম এর বৈশিষ্ট্য পারবা না।
ভিডিও কনফারেন্সিং করা যায়, অডিও কনফারেন্সিং করা যায়। তুমি চাইলে ভিডিও স্ট্রিম করতে পারো স্ক্রিন শেয়ার করে
ভিডিও স্ট্রিম করতে পারো না স্লাইডশো উপস্থাপন করতে পারো যারা জুম ইউজ করছো এগুলা কি আমার পড়ান লাগবে একটু বানায়
বানায় লিখতে পারবা তাই না আমাকে বল বানায় বানায় লিখতে পার এখন আমরা কয়েকটা জিনিস দেখবো সেটা হচ্ছে
আমাদের তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ডিজিটালাইজ হওয়ার পর ডিজিটাল বাংলাদেশ ডিজিটাল হওয়ার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে
সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জিনিসপত্রগুলা কিভাবে চেঞ্জ হইছে জিনিসপত্রগুলা কিভাবে চেঞ্জ হইছে আগে কিভাবে হইতো এখন কিভাবে
হবে কর্মসংস্থান তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি এসে কর্মসংস্থান নতুন নতুন অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দিছে না এখন
বাংলাদেশে মানুষজন ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা পয়সা কামাইতে পারে তাই না তাইতো সো আইসিটি আসার পর কি কি চেঞ্জ হইছে এটা
জাস্ট নিজে বানায়া দিলেই হয়ে যেত দেখো এই তিনটা উপায়ে মেইনলি কর্মসংস্থান ক্রিয়েট করা যায় আইসিটির মাধ্যমে
আউটসোর্সিং চাকরির সুযোগ আর হচ্ছে উদ্যোক্তা উন্নয়ন উদ্যোক্তা উন্নয়ন তারপর তুমি একটু বানায় টানায় লিখে দিবা
যে আইসিটি এসে কিভাবে কর্মসংস্থান ইয়ে হইছে এখন ফ্রিল্যান্সাররা ঘরে বসেই fieverfrielancer.com ওখান থেকে কি টাকা
পয়সা কামাইতে পারতেছে তাইতো ও একটা স্কিল ডেভেলপ করলে করে তারপর ও কি একটা স্টার্টআপ দিয়ে ফেলতেছে বুঝতে পারছো
তারপর শিক্ষা শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের আইসিটি কি ভূমিকা রাখতেছে বলতো তোমরা এখন যেটা দেখতেছো সেটাও কি আইসিটির একটা
ভূমিকা না আমাকে বল শুধু মানে পড়াশোনা না পড়াশোনার প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এই ডিজিটাল টেকনোলজি বা আইসিটি হেল্প করতে পারে বুঝতে
পারছো? কিভাবে? তোমার পড়াশোনা থেকে শুরু করে পরীক্ষা নেওয়া থেকে শুরু করে সবকিছু। সবকিছু YouTube এ টিউটোরিয়াল আছে। তারপর
এখন এআই চলে আসছে। তুমি এআই এর সাথে চ্যাট করতে করতেই করছো? ট্যাট জিপিটি, জেমিনি তুমি কিন্তু অনেক কিছু শিখতে পারবা। তাই
না? এগুলা জাস্ট একটু পরে নিতে পারো। একটু পরে নিতে পারো। তারপর ক্লাসরুম। আগে হোয়াইট
বোর্ডে ক্লাস নেওয়া হইতো। এখন ডিজিটাল বোর্ডে। ক্লাসরুমটাও কি? ডিজিটালাইজড হয়ে গেছে।
তাইতো? তাই না? তারপর পরীক্ষা দিতে পারতেছো। ইবুক এখন তুমি ধরো তোমার কোন একটা বই হারায়ে
গেছে। কালকে পরীক্ষা তোমার কাছে একটা ল্যাপটপ আছে। তুমি একটা ইবুক পড়ে ফেলবা। এনসিটিভির ওয়েবসাইটে কিন্তু সবগুলো
বইয়ের ইবুক দেওয়া আছে। আর এখানে একটা জিনিস দেওয়া আছে। এইটা হচ্ছে কিন্ডল। এটা সাধারণত ইবুক পড়ার জন্য ইউজ করা হয়।
আমাদের ল্যাপটপেও পড়া যায়। আইপ্যাডেও পড়া যায়, ফোনেও পড়া যায়। বাট এটা একটা স্পেশালাইজড ডিভাইস amazজনের। আমি তোমাদের
একটু দেখাই আমার কাছে একটা আছে এই যে Amazজন পিন্দেল এটা শুধুমাত্র ইবুক রিডার ইবুক পড়ার জন্য একটা ডিভাইস
বুঝতে পারছো আচ্ছা ঠিক আছে তাইলে ইলার্নিং কি সংজ্ঞা দিতে পারবা ইলার্নিং
আমাকে বলতো বর্তমানে ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিখণ ও শেখানের কার্যক্রম পরিচালনা করাকে বলা হয় ইলার্নিং অর্থাৎ
ইন্টারনেটের মাধ্যমে লার্নিং এটা তোমরা সবাই এক্সপেরিয়েন্স করে আসছো
তাইতো এই যে পড়তেছো এটা তো ইন্টারনেট ব্যবহার করেই পড়তেছো এরপর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কি চেঞ্জ আসছে টেলিমেডিসিন তুমি
চাইলে কিন্তু এখন ঘরে বসে ডাক্তার দেখাইতে পারো বাংলাদেশে সম্ভব হ্যা ধরো তোমার মাথা ব্যথা করতেছে বা ধর কিছু একটা হইছে ধর
এখানে একটু ছিলে গেছে বা একটু পড়ে গেছে এখন এটার জন্য ধর তোমার বাড়ি হচ্ছে অনেক দূরে। তুমি ওখান থেকে ঢাকা না এসে তুমি
ঢাকার একজন ভালো ডক্টরের সাথে জাস্ট Whatো এ ভিডিও কলে ওর মেডিসিনটা নিয়ে নি। এটা পসিবল। তোমরা নিছো আমি কিন্তু নিছি। বুঝতে
পারছো? এরকম সেবা কিন্তু আমি নিজেও নিছি। তো স্বাস্থ্য সেবা আর চিকিৎসার ক্ষেত্রেও
আমাদের এই আইসিটি কিন্তু অনেকভাবে হেল্প করতেছে। এন্ড শুধু তাই না হ্যাঁ রোগীদের প্রত্যেকটা রোগীর একটা ডেটাবেস করা সম্ভব।
ওর পুরা মেডিকেল হিস্টরি এখন পর্যন্ত কি কি রোগ হইছে কি কি তুমি যখন নতুন করে ডাক্তারের কাছে যাও বা যেকোন ডাক্তারের
কাছে যাও ও কিন্তু তোমার আগের যে প্রেসক্রিপশন গুলা ডাক্তারের সেগুলা দেখতে যায়। যারা স্পেশালি চশমা চশমার পাওয়ার
যখন চেঞ্জ করতে যাও ও কিন্তু আগের প্রেসক্রিপশন গুলা দেখতে চায় তাই না এবং প্রেসক্রিপশন গুলো আমাদের হারায়ে যায়
যদি এমন হইতো আমাদের প্রত্যেকের একটা ডেটাবেস থাকতো একটা রেকর্ড থাকতো আমার জীবনের সব মেডিকেল রেকর্ড ওখানে আছে তাইলে
খুব ভালো হইতো না এটা কিন্তু উন্নত দেশগুলায় আছে বাংলাদেশে নাই টেলিমেডিসিনটা বুঝছি তারপর আমরা আসি অফিস
এখন আইসিটির ব্যবহারে যেকোন একটা অফিসের অনেক কিছুকেই চেঞ্জ করে দিছে ফর এক্সাম্পল কোন একটা অফিস অনেকগুলো এমপ্লয় আছে। এখন
এমপ্লয়ীরা যখন ঢুকবে ওদের এটেন্ডেন্স নেওয়া লাগবে ওরা টাইমলি ঢুকছে কিনা। এই পুরা কাজটা এখন বায়োমেট্রিক্সবা
ফিঙ্গারপ্রিন্টের সাহায্যে করা হয়। ঠিক আছে? তারপর পুরা অফিসের অটোমেশন অফিসের সবকিছু ধর সিসি ক্যামেরা দিয়ে দেখা হচ্ছে।
কোথায় কি না হচ্ছে। তো আইসিটির কারণে পুরা অফিসের সিস্টেমটাই কিন্তু চেঞ্জ হয়ে গেছে। বুঝতে পারছো? এরপর ধরো এখন কম্পিউটারের
সাহায্যে সব কাজকর্ম করা হয়। প্রত্যেকটা এমপ্লয়র একটা করে কম্পিউটার থাকে। সবগুলো কম্পিউটার একটা নেটওয়ার্কের সাহায্যে
কানেক্টর। তাই না? বুঝতে পারছো? জাস্ট বানায়া লিখে দিলেই। এরপর হচ্ছে বাসস্থান। বাসস্থানেও কি এখন আইসিটির অনেক জিনিসপত্র
চলে আসছে। তোমার বাসার তোমার বাসায় কতগুলা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস আছে বলতো? যত আধুনিক তত বেশি ইলেকট্রনিক ডিভাইস থাকবে।
তাই না? লাইট, ফ্যান, এসিডি সবকিছুই কি এখন ফোনের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যায়? ধরো তোমার বাসায় কোন এক জায়গায় আগুন লাগছে
এটারও কিন্তু একটা সেন্সর আছে বুঝছো আগুন লাগছে বা কিছু একটা হইছে সবকিছুই কি সেন্সরের মাধ্যমে করা পসিবল বা ভূমিকম্প
হচ্ছে একটা সেন্সর যে সেন্সরটা ভূমিকম্প হচ্ছে সেটা দিয়ে এলার্ম দিবে কাহিনী বুঝতে পারছো তো
তোমাদের বাসা এরপর সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরা বাসার নিরাপত্তাটাও নিশ্চিত করা যায় স বর্তমান যুগে এই আইসিটি সব
জায়গায় কোথায় নাই তারপর ব্যবসা-বাণিজ্য এখন অনলাইনেই বিজনেস করা যায় ধর তুমি কোন একটা প্রোডাক্ট সেল করবা এটার জন্য তোমাকে
যে দোকান খুলে বসতে হবে ব্যাপারটা এরকম না তুমি অনলাইনে অনলাইনে আম বেচে না ঘরেরবাজার এটা এটার অড দেখো নাই এরকম কেউ
আছো তাইতো এমন কিছু জিনিস নাই যেটা অনলাইনে বিক্রি হয় না যেটা যেটা দোকানপাটে বিক্রি হয় সেটা অনলাইনে বিক্রি
হয় দারাজ থেকে অর্ডার করছো চাল ডাল এ সবগুলাই কি ই-কমার্স সাইট তাইতো তাইতো ওখান থেকে এগুলা কি এগুলা কি আইসিটের
মাধ্যমেই তো হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তো হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তোমার থেকে অর্ডার নিচ্ছে তারপর অর্ডারটা রিসিভ করে
কি তারপর পাঠায় দিচ্ছে ই-কমার্সের সুবিধা অসুবিধা এগুলো তুমি বানায়ে লিখতে পারবা ঠিক আছে
এগুলো তুমি বানায়ে লিখতে পারো ই-কমার্স কি এই সংজ্ঞাটা ইম্পর্টেন্ট এই সংজ্ঞাটা ইম্পর্টেন্ট বর্তমানে বিশ্বের
প্রায় সকল দেশের মধ্যে বিস্তৃত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা কেনাবেচা
বা লেনদেন করার যে সুযোগ সৃষ্টি সেটাকে ই-কমার্স বলা হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে রিচেস্ট কয়েকদিন আগে ছিল জেফজস ও কিন্তু
একটা ই-কমার্স সাইট amazon.com এটার প্রতিষ্ঠাতা এটা কি করে জানো? বিক্রি করে
বুঝতে পারছো? অনলাইনে জিনিসপাতি বিক্রি করে। কাহিনী বুঝছো? ই-কমার্সের ধরণ মূলত চার
ধরনের ই-কমার্স হয়। বিজনেস টু কাস্টমার বি টু সি অর্থাৎ সরাসরি কাস্টমারকে দেয় বি টুবি সি টুবি এগুলা অত ইম্পর্টেন্ট না
জাস্ট দেখে নিতে জাস্ট দেখে নিতে পার এখন থেকে আমাদের মেইন টপিকে আমরা চলে আসতেছি আমাদের প্রথম ইম্পর্টেন্ট টপিক ভার্চুয়াল
রিয়েলিটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি আচ্ছা আমি একটা সহজ উদাহরণ দেই তোমরা ইউটিউব ভিডিও দেখো YouTube এ ব্লগ ভিডিও ট্রাভেল ব্লগ
দেখ না দেখতো ধর তুমি মালদীবের একটা ট্রাভেল ব্লগ দেখতেছো সেখানে নাদির গো বা কেউ একজন দেখতেছো শার্কের সাথে সাতার
কাটতেছে। এটা কি তুমি স্ক্রিনের মধ্যে দেখতেছো? এখন তোমার কাছে কিরকম মনে হয়? তুমি যদি এই ভিডিওটা না দেখে যদি এরকম
হইতো ঘরে বসেই আমি এখানে বসেই নাদির গো মালদ্বীবে গিয়ে যেই ফিলটা নিছে। ওটার কাছাকাছি একটা ফিল নিতে পারতাম। আমার কাছে
মনে হইতো আমি এই রুমে বসেই মালদ্বীপে শার্কদের সাথে সাতার কাটতেছি। এই কাজটা যেটার মাধ্যমে পসিবল সেটাই হচ্ছে
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। সেটাই হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। দেখো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা অনুভবের বাস্তবতা।
ঠিক আছে? হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বাস্তব অনুকরণের সৃষ্ট মানে কম্পিউটারের মাধ্যমে তুমি এমন একটা জিনিস
তৈরি করবা যাতে তোমার ব্রেইনের কাছে মনে হয় তোমার কাছে মনে হয় এটা একচুি বাস্তবে ঘটতেছে। এটা একচুি বাস্তবে ঘটতেছে। ঠিক
আছে? এখানে সংজ্ঞাঙ্গা লেখা আছে। জাস্ট একটু পড়ে নি। একটু পড়ে নিবা। এখন ভার্চুয়াল রিয়ালিটির বেশ কয়েকটা
কম্পোনেন্ট। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ধর এই রুমটা আমি ভার্চুয়াল রিয়ালিটির কিছু একটা বানাইতে
চাই। প্রথম হচ্ছে ইফেক্ট। ইফেক্টর হলো বিশেষ ধরনের ইন্টারফেস ডিভাইস যা ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশের সাথে
সংযোগ সাধন করে। হ্যাঁ। মাথায় বসানো ডিসপ্লে। এইচএমডি এটা একটা। গ্লোভ পোশাক এগুলা প্রদান এগুলা পরিধান করে নিতে হয়।
বুঝতে পারছো? তোমরা পাবজি খেলছো। ওগুলা কি ফোনের মাধ্যমে গোলাগুলি করতেছো। তোমার কি মনে হয়? যদি এরকম করা পসিবল
হইতো। তোমার কাছে মনে হচ্ছে তুমি একচুয়ালি নিজে প্লেগ্রাউন্ডে চলে গেছো। হাতে একটা গুলি সেভাবে গুলি করতেছে। এটা
কিন্তু পসিবল এখন পসিবল। বুঝতে পারছো? ইনফ্যাক্ট আমার কাছেও এমন একটা জিনিস আছে আমি তোমাদেরকে একটু দেখাই।
এইটা হচ্ছে মেটাকুয়েস্ট। বুঝছো? এটা হচ্ছে একটা ভিআর হেডসেট। বুঝছো? এইটার মাধ্যমে তুমি ওই শুটিং
গেমগুলা খেলতে পারবা। এবং মনে হবে যে তুমি একচুয়ালি গুলি করতেছো। একটা ব্যাটেল ফিল্ডে দাঁড়ায়ে।
বুঝতে পারছ? কিংবা ক্রিকেট খেলছো তো সবাই। তাই না? অফলাইনে ক্রিকেট খেলছ, মাঠে ক্রিকেট খেলছো। আবার আবার কি? ইয়েতেও
কম্পিউটারেও ক্রিকেট খেলছো। কিন্তু এমন যদি হইতো তোমার ফিল হচ্ছে যে এখানে তুমি দাঁড়ায় আছো তোমার হাতে একটা ব্যাট। ওদিক
থেকে গিয়ে একটা বল করতেছো। তুমি ঠাস করে হাতে একটা ব্যাট আছে। মারলে ছয় চার হয়ে যাইতেছে। এটাও পসিবল। এখানে একটা গেম আছে।
সো কি করতে হয় আমি তোমাদেরকে একটু দেখাই। চশমা সহই দেওয়া যায়। এটা কি করা লাগে? এখানে দেওয়া লাগে। বুঝছো?
আমার কাছে মনে হয় আমি একটা ক্রিকেট ফিল্ডে আছি বা একটা ব্যাটল গ্রাউন্ডে আছি। তো ওই একচুয়াল যে ফিল্ডটা পুরাটা চলে আসে। ধর
একজন বল করতেছে এটা আমার ব্যাট। হাতে কন্ট্রোলার থাকে কয়েকটা। ঠাস করে মেরে দিলেই ছয়।
বুঝতে পারছো? এই জিনিসগুলো আস্তে আস্তে কমন হচ্ছে। এখনো বেশ এক্সপেন্সিভ। বাট সুন এই জিনিসগুলো
দেখবা ঘরে ঘরে চলে আসছে। এখন ধর আর কি কি লাগে? গ্লোভ লাগে, পোশাক লাগে। ধরো তুমি পাবজি খেলতেছো। তোমার তো
একচুয়াল ফিলটা লাগবে। ধরো তোমার গায়ে গুলি লাগছে। গুলি লাগছে ওইটা তো বোঝান লাগবে যে তখন এখানে হয়তো একটা ধাক্কা
লাগবে বা হালকা একটা ইয়ে হবে। ওই জিনিসগুলা এই গ্লোভস পোশাক ওগুলার মাধ্যমে করা হয়। এগুলাকে বলা হয় ইফেক্টর।
ঠিক আছে? তারপর রিয়েলিটি সিমুলেটর। রিয়েলিটি সিমুলেটর হলো এক ধরনের হার্ডওয়্যার যা ইফেক্টরকে সংবেদনশীল তথ্য
সর্বহ করে। ঠিক আছে বিভিন্ন ধরনের সেন্সর অডিও ভিডিও প্রসেসিং ইউনিট চাপ এগুলা প্রোভাইড করে তারপর অপ্লিকেশন অপ্লিকেশন
হচ্ছে এইযে আমাদের হেডসেটটা এটার ভেতরে কিন্তু একটা অপ্লিকেশন থাকে ওটাই কি আমাদের
অপ্লিকেশন তারপর হচ্ছে জিওমেট্রি দেখো জিওমেট্রি হলো ভার্চুয়াল পরিবেশের বিভিন্ন বস্তুর বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য
সম্পর্কিত তথ্যা ঠিক আছে তুমি যখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ক্রিয়েট করবা এটা আসলে কি একটা ত্রিমাত্রিক পরিবেশ ক্রিয়েট
করতেছো না যেকোন জিনিসের একটা সিমুলেশন একটা যুদ্ধক্ষেত্রে একটা সিমুলেশন তৈরি করতেছো। তুমি এমন একটা ফিল দেওয়াচ্ছ
ব্যবহারকারীকে যে এই রুমের মধ্যে একটা যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়ে গেছে। বুঝতে পারছো? তাহলে যুদ্ধক্ষেত্রের প্রত্যেকটা এলিমেন্ট
তৈরি করার জন্য অবশ্যই জিওমেট্রি ত্রিমাত্রিক জিওমেট্রি হেল্প করা লাগবে। ঠিক আছে? তুমি যদি যেকোন ভিআর গ্লাস দেখো
দেখবা এইদিকে হচ্ছে ক্যামেরা। এই ক্যামেরাগুলার মাধ্যমে ও কিন্তু একচুয়াল যেই পরিবেশ তার জিওমেট্রি গুলাও দেখতে
পারে। তার জিওমেট্রি গুলোও দেখতে পারে। স এই যে চারটা এলিমেন্ট এটা হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এলিমেন্ট। তো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
কি? ও হচ্ছে যেকোন একটা সিচুয়েশন সিমুলেট করতে পারে। ওটার অনুরূপ একটা জিনিস এই রুমের মধ্যেই আমাকে অনুভব করাইতে
পারে। আমি ওই সিনটার মধ্যে ঢুকে গেছি। ব্যাপারটা এরকম। এখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার বা প্রয়োগ। অনেক ইম্পর্টেন্ট এখান
থেকে আসে। গেম শিল্প ও সিনেমা তোমরা পাবজি খেলছো, ব্যাটেলফিল্ড খেলছো, গুলাগুলির গেম গুলা খেলছো না? কিংবা ফুটবল খেলছো, ফিফা
বা ক্রিকেট খেলছো? কেমনে খেলছো? একটা স্ক্রিনের মধ্যে খেলছো। হ্যাঁ। এখন কেমন হইতো? যদি স্ক্রিনের মধ্যে না খেলে ওই
সিচুয়েশনের মধ্যে তুমি ঢুকে যাইতে পারতা। তুমি মেসিকে কন্ট্রোল করছো। কেমন হইতো? যদি তুমি মেসির চেহারার ভিতরে ঢুকে গিয়ে
মাঠের মধ্যে দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া গোলটল দিতা। বুঝতে পারছি? এটা তোমার ফুটবল ফিল্ড। তুমি এখানে দৌড়াইয়া দৌড়া করতেছো এটা কিন্তু
পসিবল বুঝছো তুমি রোনালদোর এগে এগে এগে এগে এগে এগে এগে এগে এগে এগেন্স্টে খেলতেছ একদম ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে পসিবল তো
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কি করবে ওই ফুটবলের যে গেমটা সেটা কি তোমাকে সিমুলেট করে দিবে তোমার মাথায় হেডসেট থাকবে পায়ে
বুট থাকবে বুঝতে পারছো জিনিসপত্রগুলা লাগবে তুমি দৌড়াইয়া দৌড়াই ওই মাঠে খেলবা দেখবা তুমি রোনালদো রোনালদো সাথে
কাটা বুঝতে পারছমভাবে গোলাগুলির গেমগুলা হ্যা তোমরা কি পাবজি ফোনে কন্ট্রোল করে করে খেল কেমন মনে হইতো তুমি একচুয়ালি নিজে
একটা সুট পড়ে একটা ওয়ার সুট পড়ে ওই ব্যাটেল ফিল্ডে নাইমা গেছো তোমার হাতে একটা গুলি আছে সেই গুলি দিয়ে ঠাস ঠাস
করতেছো তোমার গায়ে যখন গুলি লাগবে তখন তুমি অনুভব করতে ঠাস করে এটা কিন্তু পসিবল এই যে দেখো এটার মাধ্যমে
পসিবল এটাতেও অনেকটা করা যায় আমরা ক্রিকেট খেলছি না এটাতে ক্রিকেট গেমের একটা সিমুলেটর আছে আমি অনেকবার খেলছি সো ধরো
এটা যখন আমি পড়ি আমার কাছে মনে হয় আমি একটা স্টেডিয়ামের মধ্যে আছি আমি পিঠে দাঁড়ায় আছি আমার হাতে হাতে একটা ব্যাট
থাকে ব্যাটের জন্য একটা কন্ট্রোলার আছে দেন বোলার বল করে টাস করে মারি আমার ব্যাটের সাথে যদি লাগে জুড়ে লাগলে ছয়
সাইডে জুড়া লাগলে আউটটা আউট চারটার হয়ে যায় বুঝতে পারছো তাইলে গেম শিল্পে এটা কিন্তু হিউজ তারপর সিনেমা শিল্প তোমরা
সিনেমা দেখছো টিভিতে দেখছো বা ল্যাপটপে দেখছো বা সর্বোচ্চ হলে সিনেমা হলে গিয়ে দেখছো বুঝতে পারছো সিনেমা হলে কি
স্ক্রিনটা অনেক বড় থাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে তুমি যখন ভিআর হেডসেট ইউজ করবা তখন এটার মাধ্যমে তুমি যত বড় ইচ্ছা তত বড়
স্ক্রিন বানাইতে পারবা। পুরা রুমটা তোমার একটা স্ক্রিন এটাও পসিবল। এটার মাধ্যমে পসিবল। এটা তো গেল এখনকার সিচুয়েশন। এখনই
এটা করা যায়। এখনি এগুলার মাধ্যমে প্রত্যেকটা ঘরকে এক একটা বড় মানে স্ক্রিনের মাধ্যমে দেখানো যায়। বুঝতে
পারছ? মানে ঘরে বসেই সিনেমা হবার এক্সপেরিয়েন্স। আচ্ছা এটা তো হইলো। তোমরা তো সিনেমা দেখছো। ধরো। অনেক কিছুই দেখো।
হ্যারি পটার। তারপর পঞ্চায়েত। এরপর হচ্ছে আর আর এগুলা দেখছো না এখন কেমন হইতো যদি তুমি স্ক্রিনে না দেখে মনে হচ্ছে ওই
ঘটনাটা যখন ঘটতেছে তখন তুমি সেটার প্রত্যক্ষধর্শী ওই সিনটার ভেতরে তুমি ঢুকে গেছো হ্যারি পটার এখানে হ্যারি পটার
ম্যাজিক করতেছে এখানে তুমি পাশে দাঁড়ায় তুমি দেখতেছো থ্রিডিতে এটা কিন্তু ফিউচারের সিনেমা
ইন ফিউচার আজ থেকে 10 12 বছর পর হয়তো ওই লেভেলে চলে যাবে তারপর হচ্ছে শিক্ষা প্রশিক্ষণ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ভার্চুয়াল
রিয়ালিটির মাধ্যমে অনেক কিছু শেখা যায় ধরো মেডিকেলে ওঠার পর সবাই কি কঙ্কাল কিনে কঙ্কাল থেকে বিভিন্ন জিনিসপাতি দেখায় তাই
না সিমুলেশনের মাধ্যমে তোমার সামনে তোমার রুমে এখানে একটা কঙ্কাল নিয়ে আসা সম্ভব কিংবা মানুষের প্রত্যেকটা অর্গান কিভাবে
কাজ করে তুমি একদম মানুষের অর্গানের ভেতরে গিয়ে থ্রিডিতে দেখতে পারবা খুলে খুলে দেখতে পারবা যে কি কাহিনী হয় বুঝতে পারছো
চিকিৎসা ক্ষেত্রে ধর একজন ডাক্তার হবে এখন ডাক্তারদের তো অপারেশন করা লাগবে। শুরুতে কিন্তু একদম ফার্স্ট ইয়ারেই ওদেরকে
অপারেশন করতে দেয় না। একটা সার্টেন টাইম যায়। তারপর একজন বড় ডাক্তারের সাথে থেকে অপারেশন শিখতে হয়। কারণ রিস্কি তুমি
উল্টাপাল্টা অপারেশন করলে রোগী তো মারা যাবে। এখন কেমন হইতো? তুমি এই যে অপারেশন করা সেই এক্সপেরিয়েন্সটা পাইটা ভার্চুয়াল
রিয়েলিটির মাধ্যমে। এটা সম্ভব। ভার্চুয়াল রিলিটির মাধ্যমে ধর তোমার বিয়ার গগলসটা পড়াইছে। সামনে একটা পেশেন্ট আছে। তোমার
হাতে সিজারস আছে। তুমি ওগুলা দিয়ে কি কাটাছেড়া করতে পারবা। ইচ্ছামত করতে পারবা। রোগী মরলে তো মরছে ওতো আসলে মরবে না ওকে
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির রোগী ওটার মাধ্যমে তুমি প্র্যাকটিসটা করতে পারবে তুমি প্র্যাকটিস করে যখন দক্ষ হবা তখন গিয়ে কি
একচুয়াল রোগীকে এটা করতে পারবা এরপর সামরিক বাহিনী সামরিক বাহিনীতে অনেক ইয়ে করা হয় মানে অনেকগুলা কি তোমার
প্র্যাকটিস করানো হয় না গোলাগুলি গ্রেনেড ছোড়া এই সবকিছুই কিন্তু ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে সম্ভব তুমি অস্ত্র
কিভাবে চালাবা দেন গ্রেনেড কেমনে ছুড়বা এগুলো কিন্তু একটু মানে রিস্কি আছে তুমি যদি রিয়াল লাইফে করতে পারো। বাট রিয়াল
লাইফে প্রথমবার করতে গেলে রিস্কি। বাট তুমি যদি ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে প্রথমে শিখো একটা গ্রেনেডের পিন কেমনে
খুলতে হয়, কেমনে নিক্ষেপ করতে হয়। ওখানে যদি ধরো ঝামেলাও হয় তুমি তো একচুয়ালি মারা যাবা না। তাই না? এরপর
হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্য। ব্যবসা বাণিজ্য ধর তুমি কোন একটা পণ্য বেচবা। ওই পণ্যটা কেমনে বানাবা সেটার একটা সিমুলেশন তুমি
ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মাধ্যমে দেখে নিতে পারো। শিল্প কারখানায় সেম জিনিস। বুঝতে পারছে একটা গাড়ি কেমনে উৎপাদন হবে
তার প্রসেসটা কি ওটা কি ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মাধ্যমে একটা থ্রিডি সিমুলেশন বানাইলা গাড়ির গাড়ির কোথায় কি আছে
সবকিছু খুলে খুলে দেখতে পারবা ওটার মাধ্যমে তারপর ড্রাইভিং নির্দেশনা তোমরা সবাই কি ড্রাইভিং পারো বা বাইসাইকেল বা
হোন্ডার শিখছো যখন দুই একবার তো পড়ছই তাইনা তাই তো তাও একজন সহায়তাকারী ছিল আচ্ছা
তার চেয়ে বড় কথা তোমরা রেসিং গেম খেলছো ফ্রোদা হরাইজন নিড ফর স্পিড না মোটো বাইক রেসিং যেগুললা হয় ওগুলাতে কি
তুমি কিবোর্ডের মাধ্যমে এই গাড়িটা দৌড়াইছো তাইতো কেমন হইতো যদি স্ক্রিনে না হয়ে তুমি একচুয়ালি ড্রাইভারের পজিশনটায় বসতেছো এবং
স্টিয়ারিং ঘরে ড্রাইভ করতেছো একদম এফওয় রেসিং করতেছো সেটা কিন্তু পসিবল ভার্চুয়াল রিলিটির মাধ্যমে ওটা পসিবল মানে ওই
এক্সপেরিয়েন্সটা তুমি কিন্তু ভার্চুয়াল রিলিটির মাধ্যমে নিতে পারতেছো তার মানে ড্রাইভিংটাও তুমি
শিখতে পারবা না ওখানে শিখে প্র্যাকটিস করে তারপর পর তুমি যখন মোটামুটি দক্ষ হবা চলে যাবা। এখন সাইকেল বা বাইক বা গাড়ি একটু
লাগায় টাকা দিলে অসুবিধা নাই। তুমি বিমান চালাইতে গিয়ে যদি ঝামেলা করো তাইলে তো বিমানও গেছে তুমিও গে।
এজন্য যারা বিমান চালানোর শেখে পাইলট ওদেরকে শুরুতে এই সিমুলেটর ফ্লাইং সিমুলেটর আছে। ফ্লাইং সিমুলেটরের মাধ্যমে
একচুয়াল বিমান চালানোর একটা ফিলিং দেওয়া হয় ভার্চুয়ালটির মাধ্যমে। এখানে যদি উল্টাপাল্টা করে বিমান ক্রাশও করে ফেলে
তাহলে তো কোন অসুবিধা নেই। এটা তো রিয়েল ভার্চুয়াল রিয়ালিটি। একচুয়ালি হইতেছে না। সো ওখানে চালানো শেখার পর কিছুটা দক্ষ
হওয়ার পর তারপর কি? একচুয়াল বিমান দেওয়া হয়। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার
করা হয়। জাস্ট পড়ে নিতে পারো। মহাকাশ অভিযান। তুমি একটা নভচারীকে মহাকাশে পাঠাবা। ওকে ধৈরে আইনে পাঠায় দিলেই কিন্তু
ও সারভাইভ করতে পারবে না। মহাকাশে যাওয়ার পর ওর এক্সপেরিয়েন্সটা কেমন হবে? ওখানে ও কেমন ফিল করবে সেটা তো ওর অবশ্যই জানা
দরকার বা এক্সপেরিয়েন্স করে যাওয়া দরকার পৃথিবীতে। তাই না? সো মহাকাশে যাওয়ার পর যেই এক্সপেরিয়েন্সটা
হবে পৃথিবীতে থাকাকালীনই সেই এক্সপেরিয়েন্সটা তাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে দেওয়া হয় যাতে সে অভ্যস্ত হতে
পারে। পরে মহাকাশে যাইলে যাতে মরে না যায়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কিছু নেতিবাদক দিক আছে। মনুষত্বহীনতা।
তুমি ভার্চুয়াল ভিলিটির মাধ্যমে ক্রিকেট ফুটবল গোলাগুলির গেম সবকিছু যদি খেলে ফেলো তাহলে আগে ক্রিকেট খেলতে কই এখনো আমরা
খেলি বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে মারতে ওখানে একটা মানে সোশ্যাল ব্যাপার স্যাপার আছে না মনুষত্বের একটা ব্যাপারস্যাপার আছে
না সবার সাথে কথা হচ্ছে ইন্টারেকশন হচ্ছে বাট সবকিছু যদি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে চলে আসে তখন কিন্তু এই ব্যাপারটা থাকবে না
এটা খুব শীঘ্রিই হতে যাচ্ছে আগে সবাই মাঠে খেলতে এখন কই পাবজি খেলো ফোনের মধ্যে কয়েকদিন পরে এটা আরো অন্য লেভেলে চলে
যাবে কল্পনার রাজ্যে বিচরণ ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতে তুমি যেটা দেখতেছো ওটা কিন্তু রিয়ালিটি না ওটা কি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ওটাকে যদি রিয়েলিটি মনে করে তাহলে একটা রিয়ালিটি চেক খাইতে হবে পরবর্তী ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে যা করতেছো সেটা
একচুয়ালি কল্পনার রাজ্যে করতে বাস্তবে হচ্ছে না কিন্তু এটা কল্পনার রাজ্যে বিচরণ স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই
ক্ষতিকর তোমরা স্ক্রিন টাইম বেড়ে যাবে এন্ড ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কিন্তু শুধুমাত্র একটা ইন্দ্রিয় না তুমি ধর একটা
মুভি দেখো জাস্ট চোখ আর কান ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে তোমার প্রত্যেকটা ইন্দ্রিয় চোখ কান নাক স্পর্শ সবগুলাকে এমনভাবে
কন্ট্রোল করা হয় যাতে ওই ভার্চুয়াল রিয়েলিটির যে সিমুলেশনটা সেটা তোমার কেমন লাগে একদম বাস্তব লাগে ডিজিটাল ডিভাইড
তৈরি করে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি জিনিসপত্রগুলো এক্সপেন্সিভ অবশ্যই এখানে কি ধনী গরীবের একটা ডিভিশন তৈরি হবে বুঝতে
পারছো এরপর আমরা পরের টপিকে চলে যাব কৃতিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের তো বুদ্ধিমত্তা আছে কিন্তু কম্পিউটারের কোন বুদ্ধি নাই সে
খালি জির চেনে কিন্তু কম্পিউটারকে যদি আমি ট্রেইন করি এমনভাবে ট্রেইন করি সে মানুষের মত বুদ্ধিমান মানুষের মত বা কাছাকাছি
বুদ্ধিমান হয়ে যায় ওর নিজের একটা ইন্টেলিজেন্স থাকে তাকে একটা কোশ্চেন করলে সে ানসার দিতে পারে যে
কোশ্চেনটা আমি শিখাই নাই এই ব্যাপারটা হয় তখন সেটাকে বলা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল
ইন্টেলিজেন্স মানুষ যেভাবে চিন্তাভাবনা করে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তাভাবনা করার সক্ষমতায় সক্ষমতা
রূপদান করাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এখন তোমরা চোখের
সামনে দেখতেছো জিপিটি চ্যাট জিপিটি জেমিনাই তারপর Google ভিউ তারপর কি আরো আছে ডালি তারপর হচ্ছে মিজার
জিপিটি যেকন কোশ্চেন করলেসার দিয়ে দিচ্ছে তুমি যে ধরনের কোশ্চেনই করো না কিন্তুসার দিচ্ছে কোত থেকে দিচ্ছে নিজের বুদ্ধি
থেকেই তো দিচ্ছে তারপর মিড জার্নি দিয়ে তুমি যেকোন ইমেজ জেনারেট করতে পারবা এমন সব ইমেজ জেনারেট করতে পারে যেটা আগে কেউ
করে নাই ওটা কেন করতেছে মানে কেমনে পারতেছো ওই জিনিসটার কি একটা বুদ্ধিমত্তা আছে এটাই কি
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এইটার প্রয়োগ তুমি বলতে পারবা না এটার ভালো দিক
খারাপ দিক বলতে পারবা না ভালো দিক কি হবে তুমি কোন কিছু একটা নোট করবা তুমি জিবিটিকে জিজ্ঞেস করো ও তোমার জন্য সুন্দর
করে নোটটা সাজায় দিবে তুমি কোন একটা ডিজাইন করবা জিপিটিকে বল বা মিড জার্নিকে বল সুন্দর করে ডিজাইন করে দিবে তহলে
প্রত্যেকটা কাজ অনেক সহজ হয়ে গেছে ফাস্টার হয়ে গেছে সেটা সব ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের
জীবনযাত্রা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এফেক্ট ফেলছে তুমি বানায়ে বানায়ে দুই তিন পৃষ্ঠা তো লিখতেই পারবা অপকারী দিক কি আগে
ডিজাইন করে অনেকে কাজ করতো এরপর জিপিটির মাধ্যমে এখন কিন্তু কোডিং করা সম্ভব যে কোন কোড কিন্তু করে দিতে
পারে একজন প্রোগ্রামার বা কোডার মানে একটা কাজ আগে যেটা করতে 10 জন ডিজাইনার লাগতো বা 10 জন প্রোগ্রামার লাগতো সেই কাজটা এখন
একজনেই করে ফেলতে পারতেছে। তহলে বাকি নয় জনের কি ভাত শেষ না? বাকি নয়জনে কি চাকরি নাই। এটা একটা অসুবিধা
ব্যাকর বেড়ে যাবে। ঠিক আছে? কারণ সবার কাজ 10 15 জনের কাজ যদি একজনই করে ফেলতে পারে বাকি 10 15 জন তো দরকার।
এগুলার ভালো জিনিস খারাপ জিনিস লিখে ফেলবা। ঠিক আছে? তারপর মেশিন লার্নিং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটা পার্ট
হচ্ছে মেশিন লার্নিং। মেশিন লার্নিং। মেশিন লার্নিং কি? মেশিন লার্নিং মডেল থাকে। বুঝছো? একটা মেশিন বা একটা
কম্পিউটারকে তুমি ট্রেইন করবা। জিপিটি এটা কিন্তু একটা মডেল। বুঝছো? এটা একটা মডেল। এই মডেলকে ট্রেইন করানো
হয়। কিভাবে ট্রেইন করানো হয়? ডেটা সেট দিয়ে। এইযে জিপিটিকে যে কোন কোশ্চেন করলে ওসার দেয়। কেন পারে? ওকে ফাস্টে ট্রেইন
করানো হইছে। ওকে অনেকগুলো কোশ্চেন এবং তার ডেমো অন্সার। এই কোশ্চেনের ন্সার এটা এই কোশ্চেনের ন্সার এটা এগুলা যখন দেওয়া
হয়েছে ও এগুলার উপর ভিত্তি করে সে শিখে আস্তে আস্তে এই কোশ্চেনের ন্সার এটা এটা এটা তাহলে এটার মত করে অন্য একটা কোশ্চেন
করলে তার ন্সার কি এরকম কোটি কোটি কোশ্চেন দিয়ে ওকে ট্রেইন করানো হয় ফাস্টে এরপর কি ও শেখার পরে তুমি নতুন করে কোশ্চেন করলে ও
তখনসার দিতে পারবে এই পুরা ব্যাপারটাই হচ্ছে মেশিন লার্নিং মেশিন লার্নিং অনেকগুলো
প্রকারভেদ আছে সুপারভাইজ লার্নিং আনসুপারভাইজ লার্নিংফ রইনফোরসমেন্ট লার্নিং ডিপ লার্নিং সুপারভাইজ লার্নিং কি
তোমাকে যেই ডেটা সেটটা দিবে সেখানে কোশ্চেন এবং ন্সার দুইটাই থাকবে যেই ডেটা সেটটা দিয়ে যে ডেটা সেটটা দিয়ে যেই ডেটা
সেটটা দিয়ে এই মেশিনটাকে ট্রেন করা হবে সেখানে কোশ্চেনসার দুইটাই থাকবে আনসুপারভাইজের ক্ষেত্রে কোশ্চেনসার
সুনির্দিষ্টভাবে দেওয়া থাকবে রিনফোরসমেন্টের ক্ষেত্রে কি হবে একটা মেশিন নিজে ধাক্কা ধাক্কা খেয়ে খেয়ে শিখবে
ধাক্কা খেয়ে খেয়ে শিখবে একটা কোশ্চেন করা হইছে যদি ভুল আসার দেয় তাকে ওকে একটা পানিশমেন্ট দেওয়া হবে ধর একটা পয়েন্ট কমায়
দেওয়া হল ও যদি সঠিক আন্সার দেয় ওকে একটা রিওয়ার্ড দেওয়া হবে পানিশমেন্ট এন্ড রিওয়ার্ডের মাধ্যমে যদি মেশিন শিখে তখন
সেটাকে বলে রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং এরকম আরো কয়েকটা আছে জাস্ট জানে রাখো এতটুকু জানলেই হবে্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্ক নিউরাল নেটওয়ার্ক হচ্ছে মানুষের ব্রেন যেমন আমাদের ব্রেনে কি
নিউরনের একটা নেটওয়ার্ক থাকে না সেইম ভাবে তুমি যখন মেশিন লার্নিং করো মেশিন লার্নিং করানো মানে কি জানো? মেশিনের ভেতরেও একটা
নিউরাল নেটওয়ার্ক থাকে। বুঝছো? অনেকটা মানুষের ব্রেইনের মধ্যেই একটা নেটওয়ার্ক। এগুলাকে বলা হয় নিউরন। অনেকগুলা নিউরন
নিয়ে একটা নেটওয়ার্ক। এই যে নিউরাল নেটওয়ার্ক এই জিনিসটাকে ট্রেইন করা হয়। বুঝতে পার? এতটুকু জানলেই হবে। এগুলা থেকে
প্রশ্ন আসে না। এগুলো থেকে এরপর আমরা যেই টপিকটায় চলে যাব। রোবটিক্স। রোবটিক্স। তোমরা কি রোবটিক্স কোথাও দেখছো?
টেসলা ওযে এলন মাস্কের যে গাড়ির কোম্পানি ওখানে কিন্তু গাড়ির যে কাজগুলা অনেক কাজগুলা রোবট করে বুঝতে পারছো দেখ
রোবটিক্সের সংজ্ঞা কি রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটা যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তি কর্তৃক
নির্দেশিত হয়ে কাজ করতে পারে এখন তুমি যখন একটা গাড়ি বানাবা তখন কি করতে হয় ধর একটা দরজা বানাইছে ওটা স্ক্রু লাগা
লাগায়ে সবকিছু মানে যে পার্টগুলো একসাথে জোরে লাগাইতে ওই কাজটা মানুষও করতে পারে মানুষ না দিয়ে তুমি একটা রোবট বানায়ে
দিলা। ওকে একটা ইন্সট্রাকশন দিয়ে দিলা যে এই কাজগুলো এভাবে এভাবে করতে হয়। ওটা ওর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে ওর
মাথায় সেট করে দেওয়া হয়। দেন ওই কাজগুলা রিপিটেডলি করতেই আছে। করতেই করতে বুঝতে পারছো? এটাই হচ্ছে রোবট। আর রোবট
নিয়ে যেখানে পড়াশোনা করা হয় সেই শাখাটাই কি? রোবটিক্স। সেই শাখাটাই কি? রোবটিক্স। বুঝতে পারলাম? আমাকে সবাই বল।
আমাকে সবাই বলো একটা রোবট কিভাবে কাজ করে। হ্যা রোবট কিন্তু মানুষের মতই কাজ করতে পারে। তবে সে একটা নির্দিষ্ট কাজ
রিপিটেডলি করে। একটা রিপিটেডলি। ঘর পরিষ্কার করার জন্য এখন একটা রোবট আছে। অনেক দেশে আছে। যে রোবটটা কি করবে? পুরা
ঘর ঘুরে ঘরের যত ধুলাম ময়লা সবকিছু পরিষ্কার করে দেয়। বুঝতে পারছো? দেখো দেখো একটা রোবটের বেশ কয়েকটা অংশ
থাকে। সেই উপাদানগুলা কি? প্রথমত প্রোগ্রামকৃত মস্তিষ্ক বা প্রসেসর এই প্রসেসর এই প্রসেসরে তুমি কোন একটা
প্রোগ্রামিং ভাষার মাধ্যমে ওই রোবটটাকে কি কাজ করা লাগবে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে ডিফাইন করে দিছো ডিফাইন করে দিছে ঠিক আছে
এই রোবটটা গাড়ির পার্টস গুলো একসাথে জোড়া লাগবে এই রোবটটা ঘর মুছবে বা ঘর ঝাড়ে দিবে ওর কাজগুলা এখানে কি ওর
ইন্সট্রাকশন ও কি কি কাজ করবে ওটার একটা সুস্পষ্ট ইন্সট্রাকশন তুমি কি ওর মস্তিষ্ক বা প্রসেসরে দিয়ে প্রসেসরে দিয়ে দি এরপর
হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেম একটা রোবট অবশ্যই যেহেতু কাজ করতেছে একটা পাওয়ার সিস্টেম তাই না একটা পাওয়ার সিস্টেম একটা
ব্যাটারি লাগবে যে ব্যাটারি দিয়ে সে পাওয়ার আপ হবে সাধারণত এখানে লেড এসির একটা ব্যাটারি থাকে যেটা দিয়ে রোবটটাকে
পাওয়ার আপ করা হয় এটা রিচার্জেবল হয় এটা কি রিচার্জেবল হয় তারপর হচ্ছে রোবটের ভেতরে অবশ্যই একটা ইলেকট্রিক সার্কিট
থাকতে হবে নো কমন সেন্স তারপর হচ্ছে একচুয়েটর একচুয়েটটা কি রোবট কিন্ভি কাজ করে তারানে আমরা হাতটা নাড়াইতে পারতেছি
তলে রোবটেরও হাত বা পা এগুলা থাকে না ওগুলা সে নাড়াইতে পারবে তাইতো এই নাড়ানোর কাজটা যে করতে পারে তাকে বলা হয়
কি একচুয়েট একচুয়েট আসলে অনেকগুলো মোটর নিয়ে তুই মোটর আমরা তো খুব ইজিলি হাত ঘরাইতে পারতেছি কিন্তু রোবটের হাত যদি
ঘুরাইতে এখানে একটা মোটর দেওয়া লাগবে যতদিকে তুমি ঘুরাইতে চাও মোটর দেওয়া ঠিক আছে তারপর হচ্ছে যান্ত্রিক গঠন বা
স্ট্রাকচার যে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তুমি রোবটটা তৈরি করবা তার উপর নির্ভর করে ওই রোবটেরকে একটা যান্ত্রিক গঠন দেওয়া
হয়। একটা যান্ত্রিক গঠন দেওয়া হয়। বুঝতে পারলাম? রোবট কিভাবে কাজ করে? রোবট সেন্স করতে
পারে। ধর একটা রোবট যেটা তোমার ঘর মুছবে। ওকে তো সেন্স করতে পারতে হবে। ও এখানে আসছে এই ওয়াল। তাইলে কি ও আর এদিকে যাবে?
তোমরা লাইন ফলোয়ার রোবট টবট এগুলা বানাইছো। এগুলা দেখি এগুলা একদম রোবটিক্স কিন্তু অত
খুবই কঠিন একটা কাজ বা এরকম কাজ তাকে অবশ্যই সেন্স করা লাগতে পারে সেন্স করতে পারতে হবে সেন্স করার উপর ভিত্তি করে
ডিসিশন নিবে ফর এক্সাম্পল ও ধর এদিকে যাইতেছে এখানে একটা এটা যখনই সে সেন্স করছে সে থেমে যাবে থেমে উলটা করে এদিকে
চলে যাবে কাহিনী বুঝতে পারতেছো কাজের প্রয়োজনে রোবটকে তুমি 360 ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরাইতে
তারপর হচ্ছে ম্যানিপুলেশন বা পরিবর্তন করা রোবট তার আশেপাশের যে পরিবেশটা সেটা কি ম্যানিপুলেট করতে পারবে চেঞ্জ
করতে পারবে তাইলে রোবট আসলে কি রোবট আসলে একটা মানুষের মতই তবে সে একটা নির্দিষ্ট কাজ করে এই নির্দিষ্ট কাজটা কি ওর যেই
প্রোগ্রামার ওকে যে বানাইছে সে বলে দেয় এবং সে নির্দিষ্ট কাজটা সে বারবার করতে পারে কাহিনী বুঝলাম কোন ক্লান্তি ছাড়াই
যতক্ষণ চার্জ থাকে ততক্ষণ করতে পারে এখন রোবটের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে রোবট সফটওয়ার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত যা সুনির্দিষ্ট কোন
কাজ অত্যন্ত দ্রুত এবং নিখুতভাবে সম্পাদন করতে। রোবট দিনে 24 ঘন্টা এবং প্রতিদিন কোন বিরতি ছাড়াই কাজ করতে পারে। রোবট যে
কোোন ঝুঁকিপূর্ণ বা অসুস্থ কোন স্থানেও কাজ করতে পারে। রোবট কখনো বিরক্ত হয় না বা কাজকে ঘৃণা করতে পারে। ঠিক আছে? এই
জিনিসপত্রগুলো লেখা আছে। এই সুবিধাগুলার জন্যই ধর একটা নির্দিষ্ট কাজ। যেটাতে কোন বুদ্ধির প্রয়োজন হয় না।
একবার বলে দিলে সবসময় করতে পারবে। এই কাজগুলা সাধারণত রোবট দিয়ে করা হয়। বাংলাদেশে খুব কম কারণ বাংলাদেশে হিউম্যান
লেবারটা অনেক চিপ। তুমি অনেক কম টাকায় লেবার রাখতে পারবা। পারিশ্রমিক অনেক কম। কিন্তু উন্নত দেশগুলায় পারিশ্রমিক কিন্তু
অনেক বেশি। বুঝতে পারছো? তুমি যেই কাজই করাও না কেন। এজন্য দেখা যায় যত ইন্ডাস্ট্রি আসে বা যত কল কারখানা ওখানে
ম্যাক্সিমামই হচ্ছে রোবট দ্বারা রিপ্লেস হয়ে গেছে। রোবটের এফিশিয়েন্সি অনেক বেশি।
তোমরা ওই টেসলার গাড়ির যে কারখানা ওগুলার ইউটিউব ভিডিও দেখেই বুঝতে পারবা বুঝতে পারবা ঠিক আছে এখন রোবটিক্সের গুরুত্ব বা
প্রয়োগ কোথায় কোথায় হইতে পারে শিল্প কারখানায় শিল্প কারখানায় পণ্য উৎপাদন সংযোজন প্যাকিং এবং পরিবহনের জন্য রোবটের
ব্যবহার ফলপশ প্রত্যেকটা কাজ কি রোবট করতে পারবে যেমন বর্তমানে গাড়ি এবং উরোজাহাজের সংযোজন ইত্যাদি কাজে রোবটের সফল ব্যবহার
হয়েছে তুমি একটা গাড়ি যখন বানাবা গাড়ির অনেকগুলা পার্ট তৈরি হবে না। এককটা পার্ট এককটা মেশিন থেকে বের হচ্ছে। মানে সবগুললা
পার্ট জোড়া লাগে গাড়িটা তৈরি করা হবে। এই জোড়া লাগানোর কাজটা মানুষও করতে পারে রোবটও করতে পারে। রোবটটা বেশি এফিশিয়েন্ট।
এজন্য ওই কাজটা কি? রোবট করে। তোমরা YouTube এ একটা ভিডিও সার্চ দিলেই দেখতে পারবা। সামরিক ক্ষেত্রে
সামরিক ক্ষেত্রে রোবটিক্স এর ব্যবহার আছে। মানুষ সোলজার তার থেকে একটা রোবট সোলজার। ওর কিন্তু এফিশিয়েন্সি টারগেট সবকিছু অনেক
বেশি হবে। ও যদি একটা গুলি করে টার্গেট ওটা কখনো মিস হবে না। বুঝতে পারছো? যুদ্ধক্ষেত্রে বা যুদ্ধ জানে পাইলট বা
ড্রাইভারের বিকল্প হিসেবে রোবটকে ব্যবহার করা হয়। তোমরা ড্রোন শুনছো ড্রোন যে বিমানটা সেখানে বোমাটোমা নিক্ষেপ করে
কিন্তু কোন পাইলট থাকে না। বুঝ এটা পাইলট বিহীন বিমান। এগুলা দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। এন্ড মানুষ নিয়ন্ত্রণ করে। বাট
চালানোর কাজটা কে করে? রোবট। ওই বিমানটা ওই ড্রোনটাকে তুমি একটা রোবট হিসেবে চিন্তা করতে পারো সূক্ষাতি সূক্ষ্ম কাজে
মানুষ চাইলেই কিন্তু এটা খুবই সূক্ষ্ম কাজ বারবার প্রিসিশনের সাথে করতে পারে না কিন্তু রোবট সেটা করতে পারে ধরো তুমি
রোবটকে ধর একটা তার আছে এখন বললা এক মিলিমিটার ব্যবধানে কাটতে হবে মানুষের পক্ষে এটা কিন্তু করাটা একটু
কঠিন সে কিন্তু প্রত্যেকটা খন্ড এক মিলিমিটার বানাতে পারবে না কিন্তু তুমি যদি রোবটকে বলে দাও সে এক মিলিমিটার মানে
এক মিলিমিটারই কাটবে। তাহলে রোবটের প্রিসিশন অনেক বেশি। কোথায় ব্যবহার করা হয়? তোমরা বিভিন্ন কম্পিউটার ল্যাপটপের
সার্কিটবোর্ড দেখছো মাদারবোর্ড যেটাকে বলে। সেখানে দেখবে অনেক ছোট ছোট ছোট ছোট ছোট ছোট জিনিসপত্র। সার্কিটবোর্ডে কিন্তু
হাজার হাজার জিনিসপাতি থাকে। ওইগুলা মানুষের পক্ষে একটা একটা করে এসেম্বল করা সম্ভব না। এত প্রেসিশন মানুষের নাই। ওই
কাজটা যে করে রোবট। রোবট চিকিৎসা ক্ষেত্রে দেখো জীবাণুমুক্তকরণ সার্জারি ও ঔষধ বিতরণ ইত্যাদি কাজে রোবট সফলভাবে রোবটের
সাহায্যে এখন কিন্তু বিভিন্ন অপারেশনও করা সহায়তা হয় বিভিন্ন ডিভাইসের সাহায্যে ইয়ে করা হয় না অপারেশন করা হয় তোমরা
যারা চোখের অপারেশন বা সিনিয়র সিটিজেনদের করাইছো ফ্যাকো একটা মেশিন আছে তার অনেকগুলো মেশিন আছে ওই মেশিনগুলো কিন্তু
রোবট ওগুলো একটা ডাক্তার অপারেট করে কি অপারেশন করাটা অনেক সহজ হয়ে যায় বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে। কয়লা খনি নিউক্লিয়ার
রিএক্টর এগুলাতে এগুলো কিন্তু বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলাতে মানুষ কাজ করতে গেলে কি হবে? ওর জীবনের ঝুঁকি থাকবে। ওই
কাজগুলা যদি কেমন হয় মানুষ না করে রোবট করতে পারে। রোবটকে জাস্ট ইনস্ট্রাকশন দিয়ে দেয়া হলো। ওই সমস্ত কাজে রোবট
ব্যবহার করা হয়। নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণের কাজে। ড্রোন থেকে শুরু করে বাংলাদেশে নাই হতেও। বাট উন্নত বিশ্ব
যেগুলো আছে বা দেখবা যে একটু যুদ্ধবাদ ওদের কিন্তু নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণের কাজে অনেক রোবট ড্রোন রাডার এগুলা ব্যবহার
বুঝতে পারছো ঘরোয়া কাজে বাসা বাড়ির কাজে তুমি ব্যবহার করতে পারবা মহাকাশ গবেজন মহাকাশে তুমি মানুষ না পাঠাইয়ে রোবট
পাঠাইলা পাঠাইছে কিন্তু বুঝছো নাসার কিউরিসিটি রোবট ওকে তাহলে মানুষ যে
যে এক্সিডেন্ট তার ভয় থাকে না। রোবটিক্সের খারাপ দিক কি? খারাপ দিক কি? ধরো কল কারখানায় যেখানে আগে মানুষ কাজ
করতো। ওর একটা কর্মসংস্থান ওই কাজগুলা রোবট দিয়ে রিপ্লেস হয়ে গেছে। তাইলে কি? কর্মসংস্থান হারাইলো।যে বাংলাদেশের
গার্মেন্টস শিল্প। কিন্তু প্রচুর মানুষ কাজ করে। এখানকার অনেক কিছু রোবট দিয়ে রিপ্লেস করে ফেলা সম্ভব। তাহলে কি হবে? এই
মানুষগুলার কর্মসংস্থান চলে যাবে। বুঝতে পারছো? এরপর রোবট একটু এক্সপেন্সিভ। শুরুর দিকে একটু এক্সপেন্সিভ। তাহলে রোবটিক্স
গেল ভার্চুয়াল ভিলিটি গেল। আমরা পরের যে টপিকটা বলব সেটা হচ্ছে ক্রায়োসার্জারি। খুবই ইম্পর্টেন্ট একটা টপিক। এখান থেকে
প্রশ্ন আসবে। এখান থেকে প্রশ্ন ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে কাটাছেড়া বিহীন এক প্রকার চিকিৎসা পদ্ধতি। যার মাধ্যমে
অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয়। আচ্ছা তুমি একটা জিনিস
খেয়াল করছো আমরা ব্যথা পাইলে বরফ লাগাই কেন কারণ তুমি যখন বরফ লাগাও ওই জায়গাটা অবশ্য হয়ে যায় ব্যথাটা কম লাগে তাই না
বরফের তাপমাত্রা কত শূ ডিগ্রি সেলসিয়াস তুমি যদি তাপমাত্রাটাকে আরো কমায়ে দাও তাহলে এখানটায় কোন সেন্সই থাকবে না এটা
অবস হয়ে যাবে তোমরা ব্যাপারটা খেয়াল করছো কিনা তখন তুমি যদি ওখান থেকে কোন একটা টিস্যু ধ্বংস করে ফেলো তুমি ফিলই
করতে পারবা না ওই কাজটাই করা হয় ক্রায়োসার্জারি তোমরা একটা জিনিস খেয়াল করো বরফ বরফের
তাপমাত্রা কত? আইসের তাপমাত্রা কত? শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। তুমি যদি বরফের সাথে লবণ দাও ওটার তাপমাত্রা আরো কমে যাবে।
ওটার তাপমাত্রা আরো কমে যাবে। ঠিক আছে? নিম্ন তাপমাত্রায় বিভিন্ন অপারেশন করা অনেক সহজ হয়। তো আমাদের এই যে
ক্রায়োসার্জারি এখানে কি হয়? সেটা আমরা একটু দেখি। এই ক্রায়োসার্জারির প্রসেসটা জানা লাগবে। জানা লাগবে। সুন্দর করে আমরা
একটু রিডিং পড়ব। 1950 সালে কিছু একটা হইছে। ডক্টর ইরভিং কুপার আর্নলড হাত ধরে আধুনিক ক্রায়োসার্জারির যাত্রা শুরু।
তো এখানে কি করা হয়? তরল নাইট্রোজেন পর্যায়ক্রমে তরল নাইট্রোজেন এবং অন্যান্য ক্রায়োজেনিক এজেন্ট কে আমি বলতেছি। যেমন
তরল নাইট্রাস অক্সাইড তরল কার্বন ডাইঅক্সাইড এগুলার তাপমাত্রা দেওয়া আছে। তরল আর্গন, ইথাইল ক্লোরাইড, ডাইমিথাইল,
ইথার প্রোপেন এবং ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন। এগুলা ব্যবহার করে ক্রায়োসার্জিক্যাল চিকিৎসার আরো উন্নতি
করা হয়। তো আমাদের কয়েকটা জিনিস ফাস্টে বুঝতে হবে। ধরো এটা তোমার শরীরের কোন একটা
জায়গা। এখানে তুমি একটা অপারেশন করবা ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে। তহলে তুমি কি
করবা জানো? প্রথমত একটা সুচ। একটা সুচ বা নল। এটাকে বলা হয়
ক্রায়োপ্রব। ওই ক্রায়োপ্রবের মাধ্যমে তুমি এখানে এমন সব জিনিস দিবা যাতে করে এই জায়গাটার টেম্পারেচার অনেক কমে যায়। যেই
জিনিসগুলা দিবা সেটাকেই বলা হয় ক্রায়োজেনিক এজেন্ট। এটাকে কি বলা হয়? ক্রায়োপ্র বা ক্রায়োগান।
ঠিক আছে? ক্রায়োগানের পাত্রে থেকে ক্রায়োজেনিক এজেন্ট। ক্রায়োজেনিক এজেন্ট হলো উচ্চাপে তরলীকৃত গ্যাস। এগুলার
তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। ফর এক্সাম্পল তরল অক্সিজেন, আর্গন গ্যাস, তরল নাইট্রোজেন, ড্রাই কার্বন ডাইঅক্সাইড এগুলা কি?
ক্রায়োজনিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। ক্রায়োসার্জারির যে প্রসেসটা ক্রায়োসার্জারি কৌশল বা উপায় এটা মনে
রাখতে হবে। এটা পরীক্ষায় আসে। আমরা সুন্দর করে একটু দেখি। ক্রায়োসার্জারির কৌশল প্রয়োগ করে চিকিৎসা করাকে বলা হয়
ক্রায়োথেরাপি। তো ক্রায়োথেরাপিতে কি করা হয়? আমাদের যে টিউমার টিস্যু আছে যেখানে আমরা অপারেশনটা করব যেই টিস্যুটা রিমুভ
করতে চাচ্ছি সেখানে সেখানকার যে তাপমাত্রা খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আমরা অনেক কমায়ে ফেলব। দেখো 12 সেকেন্ডের মধ্যে
নাম্বারগুলো ইম্পর্টেন্ট। 12 সেকেন্ডের ভেতরে মাইনাস 41 থেকে মাইনাস 196 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নিয়ে আসা হয়। এই
সময় ক্রায়োপ্রভব বা একটা সুচার প্রান্ত দ্বারা আমাদের টিউমার টিস্যুর ভেতর খুব দ্রুত তরল আর্গন বা ক্রায়োজেনিক যে এজেন্ট
আছে এটা নিঃসরণ করায়। এর ফলে যেটা হইছে ওই টিস্যুটার তাপমাত্রা অত্যাধিক হ্রস পায়। দেখ 12 সেকেন্ডে মাইনাস 196 ডিগ্রি
সেলসিয়াস। এটার ফলে কোষের পানি জমাটবদ্ধ হয়ে ওই টিস্যুটা একটা বরফপিণ্ডে পরিণত হয়। বরফপিণ্ড কতটুকু বড় বা কতটুকু ছোট হবে
সেটার সাইজ তুমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবা। কি ক্রায় প্রবের মাধ্যমে সুচ দিয়ে ক্রায়োজেনিক এজেন্ট দিতেছো না ওটার পরিমাণ
বাড়ায়ে কমে তুমি সেটা করতে পার। ঠিক আছে? বরফপিন্ডের ভেতরে টিউমার টিস্যু আটকা পড়ে গেলে এতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহটা বন্ধ
হয়ে যায়। কারণ মাইনাস 196 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কি? আমাদের রক্ত ও অক্সিজেন পরিবহন সম্ভব না। এর ফলে ওই টিস্যুটা ওই
টিস্যুটা কি? ওটার ক্ষতি সাধন হবে। অবশ্যই। তারপর যেটা করা হয় প্রথমে কি? খুব তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করা হয়েছে। তারপর
ক্রায়োপ্র বা সুচের প্রান্ত দিয়ে টিউমার টিস্যুটির ভেতরে হিলিয়াম গ্যাস নিঃসরণ করা হয়। এরপর কি করা হয় বলতো? হিলিয়াম
গ্যাস নিঃসরণ করা হয়। এটার ফলে যেটা হয় ওই টিস্যুটার তাপমাত্রা আবার 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে 40 ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
তাইলে ফাস্টে ক্রায় প্রবের মাধ্যমে তুমি তরল নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস ঢুকাইছো। সেটার সাথে সাথে ওই টিস্যুর তাপমাত্রা কমে
মাইনাস 41 থেকে মাইনাস 196 ডিগ্রি হয়ে গেছে। মানে একটা বরফ হয়ে গেছে যেখানে কোন রক্ত বা অক্সিজেন যাইতে পারে না। এবং ওই
টিস্যুটার একটা ক্ষতি সাধনা। তারপর তুমি সেখানে কি করবা? একটা হিলিয়াম গ্যাস। হিলিয়াম গ্যাস
দিবা। এবং এটার ফলে হিলিয়াম গ্যাস দেওয়ার ফলে তাপমাত্রাটা 20 থেকে 40 ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যাবে এবং আমাদের
টিস্যুর যে বরফটা সেটা গলে যাবে এবং টিস্যুটা ধ্বংস হয়ে যাবে। আমার টার্গেট ছিল ওই টিস্যুটা ধ্বংস করা।
ধর এইযে এই টিস্যুটা এই টিস্যুটা কোন একটা ক্যান্সার কোষ বা টিউমার কোষ। ক্ষতিকর টিস্যু। এটা আমি কেমনে দূর করব? কিংবা
তোমাদের আচিল হয়, ব্রন হয় কিংবা বড় বড় তিল হয়। তিলগুলোও কি? এই ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে এভাবে রিমুভ করা সম্ভব। এভাবে
রিমুভ করা সম্ভব। ঠিক আছে? বুঝতে পারছো? এরপর জাস্ট একটু পড়ে নিবা। দেখ ক্রায়োসার্জারিতে চিকিৎসক
টিউমার টিস্যুর তাপমাত্রা হ্রাস বৃদ্ধি এবং বরফ খন্ডের আকার আকৃতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। হ্যা ক্রায়োসার্জারিতে তাপমাত্রা
হ্রাস বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি অন্তত দুইটা চক্রে সংঘটিত হয়। প্রথমে কি কমানো হয়? তারপর শীতলীকরণ প্রক্রিয়াটি ততক্ষণ যাবৎ
চলতে থাকে যতক্ষণ না পুরো টিউমারটি এবং আশেপাশের টিস্যু পা থেকে 10 মিলিমিটার পুরো বরফ দ্বারা ভালোভাবে আবৃত হয়। বড়
টিউমারের ক্ষেত্রে একাধিক শীতলীকরণ সুচ ব্যবহার করতে পারো যাতে করে এই সাইজটা বড় হয়। প্রয়োজন সাপেক্ষে এই প্রক্রিয়াটা
দুই থেকে তিনবার করা হয়। কাহিনী বুঝছো যে শীতলীকরণ যে প্রক্রিয়া তারপর আবার হিলিয়াম দিয়ে 20 থেকে 40 ডিগ্রি
সেলসিয়াস উঠানো এটা দরকার পড়লে দুই থেকে তিনবার করা হয়। বুঝতে পারছো? ঠিক আছে। এটা একটু রিডিং পড়ে নিও। ডান।
ক্রায়োসার্জারি ক্রায়োসার্জারির যেই প্রক্রিয়াটা এটা পরীক্ষায় আসার মত। ক্রায়োসার্জারির যেই প্রক্রিয়াটা পরীক্ষায়
আসার। ঠিক আছে? আমরা পরের জিনিসটায় যাই। এবার হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স। আমাদের পরের টপিকটা কি? বায়োমেট্রিক্স। তো
বায়োমেট্রিক্স কি? সুন্দর করে লেখা আছে। মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের পরিমাপের ভিত্তিতে
কোন একটা মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার প্রক্রিয়াটাই হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স। তোমাদের সবার ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস
আইডি আছে না? ওগুলার মাধ্যমে তুমি ফোনটা আনলক করতে পারো। তাহলে তোমার ফোনটা খালি তোমাকেই
চিনে। অন্য কেউ সেটা আনলক করতে পারবে না। কাহিনী বুঝছো? এই কাজটা যে টেকনোলজি দিয়ে করা হয় সেটাই কি? সেটাই কি? আমাকে বল
বায়োমেট্রিক্স। তো বায়োমেট্রিক্সের মূলত দুইটা কাজ। প্রথম হচ্ছে ব্যক্তি শনাক্তকরণ। এরপর হচ্ছে ব্যক্তির
ভেরিফিকেশন। শনাক্তকরণ কি? ধর তুমি যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাবা বা এনআইডি করতে যাবা
তোমার কি একটা ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে। এটাই কি? তোমাকে শনাক্ত করে রেখে দিল। ভেরিফিকেশন কি? পরবর্তীতে তুমি যখন আবার
চেক করতে যাবা এটা আসলেই তুমি ওই ভেরিফিকেশনের কাজটাও কি? বায়োমেট্রিক্স দিয়ে করা হয়। বায়োমেট্রিক্স দিয়ে করা
হয়। বুঝতে পারলাম? বায়োমেট্রিকে কি করা হয়? মানুষের কোন একটা দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের
উপর ভিত্তি করে ওকে ইউনিকভাবে চেনা হয়। ওকে ইউনিকভাবে চেনা হয়। বুঝতে পারছো? এখন এখন দৈহিক গঠন ও শারীরবৃভিত্তিক
প্রক্রিয়ায় বায়োমেট্রিক বায়োমেট্রিক টোটাল ছয় প্রকার। ছয় প্রকার দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তি ও বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক
পদ্ধতি। কয় প্রকার? ছয় প্রকার। প্রথমটা হচ্ছে আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসই বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট। প্রত্যেকটা মানুষের
ফিঙ্গারপ্রিন্ট ইউনিক। এই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে তাকে ইউনিকভাবে আইডেন্টিফাই করা যায়। তারপর হচ্ছে আঙ্গুলের শিরা বা
ফিঙ্গার ভেন। প্রত্যেকটা মানুষের ফিঙ্গার ভেন বা শিরার গঠনও কিন্তু ইউনিক। এরপর হচ্ছে হ্যান্ড জিওমেট্রি। হাতের জিওমেট্রি
সবার হাতের জিওমেট্রি কিন্তু আলাদা। হাত দেখে ভবিষ্যৎ বলে দেয় এ ভোগেই তোমরা দেখছো না। আচ্ছা তারপর আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান।
মানুষের চোখের সবার আইরিশ আর রেটিনা। এই দুইটা কিন্তু ইউনিক। এটার মাধ্যমেও কি? ইউনিকভাবে চেনা যায়।
ফেস রিকগনিশন। প্রত্যেকটা মানুষের ফেসের স্ট্রাকচার আলাদা। তোমাদের ফোনের যে ফেস আনলক সবার ফোনে আছে আশা করি ওখানে এই
টেকনোলজিটা ব্যবহার ডিএনএ প্রত্যেকটা মানুষের ডিএনএ কি ইউনিক বুঝতে পারই ডিএনএর মাধ্যমেও একটা মানুষকে
স্পেসিফিকলিভাবে স্পেসিফিক ভাবে চেনা যায় স্পেসিফিক ভাবে চেনা যায় ঠিক আছে এগুলা কি দৈহিক গঠন বা শারীরবৃত্তীয়
যে জিনিসপত্র আছে সেগুলা দিয়ে কি বায়োমেট্রিক সেগুলা দিয়ে বায়োমেট্রিক বুঝতে পারলাম তো আমরা একটু দেখি টিপসই বা
ফিঙ্গারপ্রিন্ট তোমরা সবাই জানো আঙ্গুলের শিরা বা ফিঙ্গার মেইন পড়ে নিও পড়ে নিও তারপর ফেস
রিকগনিশন বুঝাইলাম তো হ্যান্ড জিওমেট্রিক তারপর হচ্ছে ডিএনএ ডিএনএ তোমাদের বইয়ে খুব সুন্দর করে এগুলো দেওয়া আছে আমি যদি
একটু নিচে চলে যাই আমি যদি একটু নিচে চলে যাই দাড়াও
একটু নিচে চলে যাই কোথায় গেল কোথায় কোথায় গেল? জাস্ট একটা রিডিং পড়ে নিতে পারো। তোমার হাতে যদি টাইম থাকে অবশ্যই
রিডিং পড়ে নিলে ভালো হয়। বাট আমি স্লাইডে যতটুকু দেখাইছি অতটুকু। ঠিক আছে?
আচ্ছা এইযে দেখ বায়োমেট্রিক্সের দেহের গঠন আর শারীর ভিত্তীয় বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ছয় প্রকার। আচরণগত
বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তিন প্রকার হয়। ভয়েস রিকগনিশন আমার ভয়েস। এটা কিন্তু ইউনিক।
সবার ভয়েসই আলাদা আলাদা। কিন্তু এটার মানে নিরাপত্তা একটু কম। তুমি চাইলে অনেক কষ্ট করে আমার মত কথা বলতে পারবা। আমি চাইলে
অনেক কষ্ট করে অন্য একজনের মত কথা বলতে পারব। বুঝতে পারছো? নিরাপত্তা একটু কম। তারপর হচ্ছে সিগনেচার। সাইন। সবার সাইন
ইউনিক। বাট চাইলে কিন্তু কপি করা যায়। তারপর হচ্ছে টাইপিং কি স্ট্রোক। টাইপিং এর উপর ভিত্তি করেও মানুষকে ইউনিকভাবে চেনা
যায়। তবে এগুলার একটু দুর্বল। এগুলো সহজেই কপি করা সম্ভব। সহজেই কপি করা সম্ভব। ঠিক আছে? আঙ্গুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট যারা
এনআইডি বানাইছো তারা সবাই এক্সপেরিয়েন্সটা হইছে। তাই না? সুবিধা কি? এটার খরচ অনেক কম।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট খরচ অনেক কম। এবং শনাক্তকরণের জন্য খুব কম খরচ কম সময় লাগে। তুমি দেওয়ার সাথে সাথেই শনাক্ত। ঠিক আছে?
এন্ড সফলতা প্রায় শতভাগ। এটা একুরেট। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে মোটামুটি একুরেট রেজাল্ট পাওয়া যায়। অসুবিধা কি? আঙ্গুলে
যদি ময়লা থাকে তাইলে ঝামেলা। আর ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি উপযুক্ত না আর ছোট
বাচ্চাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট চেঞ্জ হয় খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে তারপর হচ্ছে ফিঙ্গারের ভেন বুঝছো তারপর কি
আমাকে বল আঙ্গুলের শিরা পর্যবেক্ষণ ঠিক আছে এটারও কিছু সুবিধা আছে এটারও কিছু অসুবিধা আছে
সুবিধাগুলো এখানে দেওয়া আছে বেশ নির্ভুল আর সূক্ষ ঠিক আছে আহা বা বয়স দ্বারা প্রভাবিত হয়
না। ফিঙ্গারপ্রিন্ট কিন্তু হইতো বাট এটা হয় না। তারপর হচ্ছে ফেস রিকগনিশন। যে তোমাদের ফেস লক বা ফেস আইডি দিয়ে যেটা
করে বুঝতে পারছো? এটার সুবিধা কি? সহজে ব্যবহারযোগ্য। খুব তাড়াতাড়ি রেজাল্টটা পাওয়া যায়। অসুবিধা কি? ক্যামেরা ছাড়া এটা
সম্ভব হয় না। হ্যা চুলার স্টাইল পরিবর্তন তুমি যদি মেকআপ করো বেশি। এমন মেকআপ করছে মানুষ চিনে না। তাইলে ক্যামেরা কেমনে
চিনবে? বুঝছো? এগুলা থাকলে ঝামেলা হতে পারে। ঝামেলা হতে পারে। তারপর হচ্ছে হ্যান্ড জিওমেট্রি।
মানুষের হাতের জিওমেট্রির উপর ভিত্তি করে চেনা যায়। সুবিধা অসুবিধা লেখা আছে। অসুবিধাটা কি? এটার যেই ডিভাইসটা এটার দাম
বেশি। ইনস্টলেশন খরচও বেশি। ঠিক আছে? এরপর আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য এটা অনুপযুক্ত। আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান। সুবিধা কি?
সুবিধা কি? খুব কম সময় লাগে। হ্যা সূক্ষতা। খেয়াল করো। শনাক্তকরণের ফলাফলের সূক্ষতা হাতের আঙ্গুলের ছাপ বা
ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকেও বেশি। এটা হচ্ছে সেন্সিটিভ জায়গায় ব্যবহার করা। এটার একুরেসি সবচেয়ে বেশি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট
থেকেও বেশি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকেও বেশি। অসুবিধাটা কি? এটা ব্যয়বহুল পদ্ধতি। ঠিক আছে? এটা ব্যয়বহুল পদ্ধতি। তারপর
এগুললা কিন্তু পার্থক্য আসে যে বায়োমেট্রিক গুলার মধ্যে কোনটা সবচেয়ে ভালো। এমন কেন? পরীক্ষায় কিন্তু আসে।
পরীক্ষা কিন্তু এরপর হচ্ছে ডিএনএ। ডিএনএ স ডিএনএ প্রক্রিয়ায় বায়োমেট্রিকের যে
সুবিধা অসুবিধা দেখো সুবিধা কি ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং তৈরি ও শনাক্তকরণে
কিছু সময় লাগে বেশি সময় লাগে ঠিক আছে পদ্ধতিগত কোন ত্রুটি না থাকলে এখানে সফলতার পরিমাণ প্রায় শতভাগ তাহলে বলতে
পারো যে সবচেয়ে বেশি একুরেসি হচ্ছে ডিএনএতে তারপর হচ্ছে আইরিস বা রেটিনা স্ক্যান তারপর হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিক
আছে? কিন্তু এটার একুরেসি সবচেয়ে বেশি। তার মানে এটার খরচও অনেক বেশি। বুঝতে পারছো?
এটার খরচ অনেক বেশি। এন্ড প্রসেসটাও কি? ভালোই ঝামেলার আছে। ভালোই ঝামেলার আছে। ঠিক আছে। তোমরা সিআইডি টিডিটিআইডি দেখছো।
ওগুলাতে এই ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে কি করা হয়? অপরাধী শনাক্তকরণ। পৃত্ত মাতৃত্ব নির্ধারণ। তারপর ধরো কেউ একজন কোন
একটা এক্সিডেন্টে মারা গেছে বা অনেকদিন আগে ওদের ডেড বডি পাওয়া গেছে। সো ওই লাশটা যে শনাক্ত করতে হবে সেই কাজগুলো এই
ডিএনএ এটা দিয়ে করা হয়। কারণ তখন তো তুমি ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিস স্ক্যান করে করতে পারবে না। তখন ওর বডি থেকে কোন একটা
ডিএনএ নিয়ে ওটা কি ম্যাচ করানো লাগবে। বুঝতে পারছো? তারপর ভয়েস রিকগনিশন। এটা অসুবিধা হচ্ছে এটার সূক্ষতা কম। এটার
একসি কম। তারপর সাইন সাইন এরও কিন্তু একুরেসি কম বুঝতে পারছো এখন এই যে বায়োমেট্রিক জিনিসপত্র কয়েকটা জিনিস
এদের মধ্যে কোনটা ভালো হ্যা এদের মধ্যে কোনটা ভালো আমরা শারীরভিত্তিক কয়টা দেখলাম আর হচ্ছে
আচরণগত দেখলাম দেখ কোনটা ভালো এটা ডিপেন্ড করে সিচুয়েশনের উপরে তুমি খুবই হাইলি সিড একটা জিনিস একটা
ভল্টে প্রবেশ করার জন্য একটা বায়োমেট্রিক সিস্টেম বানা ওখানে যদি তুমি সাইন দিয়ে দাও তলে তো হইলো না ওখানে দেওয়ার জন্য
খুবই সিকিউর একটা জিনিস হয়তো আইরিস বা রেটিনাস ক্যান ওটা ব্যবহার করতে হবে খরচ যত হোক প্যারা নাই ঠিক আছে আবার ধর তুমি
ডে টু ডে লাইফ তুমি অফিসের এটেন্ডেন্সটা কালেক্ট করবা সেটাতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিলেই হয়ে যায় সেখানে যদি আই স্ক্যান করাও
স্ক্যান করাও বা ডিএনএ করাও তাইলে তো খাজনার থেকে বাজনা বেশি হয়ে যাবে বুঝতে পারছো তলে এখানে দেখ এইদিকটাই হচ্ছে
সিকিউরিটি যেটা যত ডানে তার সিকিউরিটি তত বেশি যেটা যত ডানে তার সিকিউরিটি তত বেশি। যেটা
যত উপরে সেটা ব্যবহার করা তত সহজ। খরচ তত কম। তাহলে দেখো আইরিস স্ক্যান। এটার সিকিউরিটি অনেক বেশি। কিন্তু
এটা ব্যবহারযোগ্যতা কম। খরচ বেশি লাগে। তারপর ফিঙ্গারপ্রিন্ট। এটার সিকিউরিটি মাঝামাঝি। দেখছো? এটার
পরেই। কিন্তু এটা ব্যবহারযোগ্য। তারপর হ্যান্ডশেপ। বুঝতে পারছো? তো ইউজুয়ালি আমাদের
ব্যবহারযোগ্য কেসগুলার মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট কিংবা ফেস এই দুইটাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। তোমার
ফোনেও দেখবা এই দুইটাই আছে। তোমাদের ফোনেও কিন্তু এই দুইটাই আছে। সো পরীক্ষায় যদি প্রশ্ন আসে যে কোনটা ভালো ওটা ডিপেন্ড
করবে তোমার সিনারিওর উপর। ঠিক আছে? এরপর আমরা যেই টপিকটা দেখবো সেটা হচ্ছে বায়োইনফরমেটিক্স। দেখো এগুলো কিন্তু
কাছাকাছি। নাম কাছাকাছি। বায়োমেট্রিক বায়োইনফরমেটিক্স। বায়োমেট্রিক হচ্ছে মানুষকে ইউনিকভাবে চেনা। বায়োমেট্রিক কি?
মানুষকে ইউনিকভাবে চেনা। বায়ো ইনফরমেটিক্স কি? বায়ো ইনফরমেটিক্স হচ্ছে ধরো বায়োলজির অনেক তথ্য আছে। ফর
এক্সাম্পল তোমরা জিনোম জানো। পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশের একজন। হ্যাঁ? জিনোম সিকুয়েন্স তোমরা
বায়োলজিতে পড়ে আসছো। এ ইউ জি সি এরকম একটা জিনের যে স্ট্রাকচারটা। বুঝতে পারছ? এটা আসলে কিন্তু অনেক লম্বা হয়। সো
বায়োলজিতে এমন অনেক তথ্য আছে এমন অনেক তথ্য আছে যেগুলা বিশ্লেষণ করতে তোমার কম্পিউটার সফটওয়ার এবং প্রোগ্রামিং
ল্যাঙ্গুয়েজের হেল্প লাগে বুঝতে পারছো ধর কোন একটা জিনিসের তুমি জিনম সিকুয়েন্স উদ্ভাবন করবা সেটা মানে কি অনেক লম্বা
একটা সিকোয়েন্স বের করা এগুলোর মধ্যে অনেক কমন অংশ থাকে এই কাজটা কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়
যেই শাখায় যেই শাখায় কম্পিউটার সফটওয়ার ও পরিসংখ্যান কৌশল ব্যবহার করে জৈব ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জৈব গবেষণায়
ব্যবহার করা হয় সেই শাখাটাই হচ্ছে বায়োইনফারমেটিক্স। তাহলে কি? বায়োলজির বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে বায়োলজির
বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে কম্পিউটার সাইন্স এবং পরিসংখ্যান এই দুইটা ব্যবহার করে ওই তথ্যগুলো এনালাইজ করা। যে শাখায় করা হয়
সেটাই কি? আমাদের বায়োইনফরমেটিক্স। বুঝতে পারলাম? একটু জাস্ট পড়ে নিবা। একটু জাস্ট পড়ে নিবা। সো বায়োইনফরমেটিক্স এর
উদ্দেশ্য কি? লেখা আছে জৈবিক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুধাবন করা। বিশেষ করে জিন বিষয়ক তথ্যানুসন্ধান করে এগুলো দিয়ে
জ্ঞান তৈরি করা। দেখো প্রত্যেকটা প্রাণীর মেইন জিনিস কিন্তু জিন। ওর জিন জানতে পারলে ওর জীবনের সব রহস্য বের করে ফেলা।
বুঝতে পারছ? এইযে জিন উদ্ঘাটন। জিন উদ্ঘাটন করা মানে কি? আমাদের কয়েকটা ইয়ে ছিল না এটিজিসি এ ইউজিসি এডেনিসিন ইউরাসিল
সাইটোসিন থায়ামিন বুঝতে পারছো এটা একটা বিশাল স্ট্রাকচার জিন ওই স্ট্রাকচারটা উদ্ভাবন করার জন্য আসলে বায়োইনফরমেটিক্সের
হেলপ ঠিক আছে স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া ব্যহত হওয়ার কারণ অনুধাবন করা যায় স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া ব্যহত হওয়ার
কারণ কিন্তু এই জিন দ্বারা ইয়ে হয় জিনের মধ্যে যদি মিউটেশন হয় তাহলে ক্যান্সার কোষ থেকে শুরু করে অনেক কিছুই তৈরি ঠিক আছে
ঔষধের গুনাগুন উন্নত ও নতুন ঔষধ আবিষ্কারের প্রতিষ্ঠা করা। বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রধান কাজ হচ্ছে
জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত কাজে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞানকে বিকশিত করার জন্য সফটওয়্যার সামগ্রী তৈরি করা। বুঝতে
পারলাম? বুঝতে পারলাম? ঠিক আছে? এরপর এরপর দেখো জীববিজ্ঞানের অনেক ক্ষেত্রেই বায়োইনফরমেটিক্স এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ
অংশ। জৈব তথ্যকে সাজিয়ে গুছিয়ে সংরক্ষণ করার জন্য শক্তিশালী ডেটাবেস এবং ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহার করা। এটা
বায়োইনফরমেটিক্সের পার্ট। এই ধরনের ইনফরমেশন সিস্টেমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সফট কম্পিউটিং, ডেটা মাইনিং, ইমেজ
প্রসেসিং, সিমুলেশন ইত্যাদি দক্ষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়। বায়োইনফরমেটিক্স প্রক্রিয়ায় সফটওয়্যার
টুলস হিসেবে এই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলো ব্যবহার করা হয়। জাভা সিশারপ এক্সএমএল পারল সি পাইথন কুডা
ম্যাথল্যাব বুঝতে পারছো তাহলে বায়ো ইনফরমেটিক্স আমরা বুঝতে পারছি এরপর আসে জেনেটিক
ইঞ্জিনিয়ারিং তোমরা ক্লাস নাইনট বায়োলজি পড়ে আসছো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এটা কি নিয়ে কাজ করে জিন চেঞ্জ নিয়ে কাজ করে
ধরো দুইটা প্রাণী ঠিক আছে ওর জিন কি ওর সব বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে না
মুলা ঠিক আছে মুলা। তোমরা তো নরমালি মুলা কি সাদা মুলা হয় কিংবা বাধাকপি হালকা সবুজ হয়। পরে দেখছো রিসেন্টলি কিন্তু
গোলাপি গোলাপি মুলা বা ওই যে একটু বেগুনি কালারের মুলা বা বাধাকপিও পাওয়া যায়। এগুলা কেমনে করা হইছে। ধরো এটা হচ্ছে
আমাদের মুলার জিন। এখন আরেকটা প্রাণী আছে। সেই প্রাণীর মধ্যে ওর জিনে তুমি গবেষণা করে পাইছো। যে এই অংশটা ওর গোলাপি কালারের
জন্য দায়ী। এই অংশটা জিনের এই অংশটা ওর গোলাপি কালারের জন্য দায়ী। এখন তুমি দেখলা ওর
জিনের ওই অংশটা আসলে এই মুলার জিনেও প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। প্রতিস্থাপন করলে মূলার কালারটা সাদা থেকে গোলাপি বা বেগুনি
হয়ে যাবে। তুমি কি করলা? এটাকে এখান থেকে কাইটে অরজিনের সাথে লাগা দিলা। এর পরবর্তীতে কি হলো? এই মুলা থেকে যত মুলা
হবে। যত মুলার বীজ হবে সবগুলার কালার কেমন হয়ে যাবে? বেগুনি বা গোলাপি। এই কাজটাই হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার দেখো কি বলছে
জীবদেহের জিনমকে প্রয়োজন অনুযায়ী সাজিয়ে নেওয়া অথবা একাধিক জীবের জিনমকে জোড়া লাগিয়ে নতুন জীবকোষ সৃষ্টির কৌশলকে
বলা হয় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এটা খুবই বুমিং একটা ফিল্ড দেখো হ্যাঁ ক্রোমোজোম জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য জাস্ট পড়ে নিও
পড়ে নিও ক্রোমোজোমের মধ্যে আসলে জিন থাকে ওই জিন দ্বারাই কি যেকোন একটা জীবের যাবতীয় সব বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত হয় আমার
চুলের রং কেমন হবে আমার গায়ের রং কেমন হবে এ থেকে শুরু করে সবকিছু আমার চোখের কালার কেমন হবে সবগুলাই কি জিন দ্বারা
নির্ধারিত বুঝতে পারছো তোমরা ক্লাস নাইন এ পড়ছিলা রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ইকোলাই নামে একটা ব্যাকটেরিয়া ছিল এটা
কিন্তু তোমাদের ক্লাস নাইট এর বই থেকে ইকোলাই নামে একটা ব্যাকটেরিয়া ছিল ওটার জিনমে একটা পার্টে থাকে হচ্ছে প্লাজমিড
বুঝ আমরা এই প্লাজমিডে একটা প্রাণীকোষ থেকে একটা জিন কেটে নিয়ে জোড়া লাগা কেটে নেওয়ার কাজটা যে করে সে হচ্ছে
রেস্ট্রিকশন এনজাইম বুঝ তারপর আমি জোড়া লাগায় দিব যার মাধ্যমে জোড়া লাগাবো সেটাকে বলা হয় লাইন
জোড়া লাগানোর পর এই হচ্ছে দেখ এই একটা জিন সেখানে কি হইছে আমাদের এই জিনটা ছিল এমন একটা কাঙ্খিত জিন এনে আমি যোগ করছি এইটা
হচ্ছে কি আমাদের রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ আমি কম্বাইন করছি ওর ডিএনএ আর ওর ডিএনএ তারপরে এটা আবার কি আমি ওই ব্যাটেরিয়া
দেহে প্রবেশ করা এই কাজগুলা করা যায় বুঝতে পারছো ইনসুলিন যারা ডায়াবেটিস বা যাদের বাসায় ডায়াবেটিস রোগ আছে ওদের
দেখবা ইনসুলিন নেওয়া লাগে এখন ইনসুলিন কিন্তু অত দামি না কিন্তু শুরুর দিকে ইনসুলিন অনেক এক্সপেন্সিভ ছিল ইনসুলিন কই
থেকে পাওয়া যাইতো কোন একটা প্রাণী কোন একটা প্রাণীর দেহে এটা তৈরি হতো ওই প্রাণী থেকে ইনসুলিন কালেক্ট করা তো খুবই টাফ
এরপরে যেটা করা হইছে একটা ব্যাকটেরিয়া বুঝছো একটা ব্যাকটেরিয়া
আমার কাছে একটা ব্যাকটেরিয়া আছে বুঝ আমি কি করছি আমার কাছে একটা প্রাণী আছে এই প্রাণীর এই জিনটা ইনসুলিন তৈরি করে এটা
আমি জানি বুঝছো আমি কি করলাম ওই প্রাণীর ওই জিনটা দেখলাম
এই ব্যাকটেরিয়াতে নিয়ে আসা সম্ভব আমি কি করছি ইনসুলিন তৈরিকারী যে জিনটা সেটা এই ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএর জিনের মধ্যে আমি
ফলে কি হইছে? এখন এই ব্যাকটেরিয়াটাও ইনসুলিন তৈরি করতে পারে। এখন ব্যাকটেরিয়া তো তুমি হাজার হাজার কোটি কোটি কি বানাইতে
পারবা? তাই না? মানে ওদের ওদের প্রজনন হার অনেক বেশি। চাইলেই কি উপযুক্ত পরিবেশ দিলে হাজার হাজার কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া
নিমিষেই তৈরি হয়ে যাবে। খুব তাড়াতাড়ি। তখন এই ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে আমরা কি করা শুরু করলাম? ইনসুলিন তৈরি করা শুরু করলাম। এর
ফলে যেটা হইছে ইনসুলিনের দাম অনেক কমে গেছে। বুঝতে পারছ? তাহলে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাপারটা বুঝ জেনেটিক
ইঞ্জিনিয়ারিং এ সুবিধা বললে লিখতে পারবা না লিখতে পারবা না আমরা কাঙ্খিত অনেক কিছু করতে পারি ক্লাস নাইনট পড়ে আসছো এটার
সুবিধা অসুবিধা কি উল্টাপাল্টা কিছু একটা হয়ে গেছে এটা তুমি উপকারের জন্য করলা এটা একটা কি ডেডলি ব্যাকটেরিয়া হয়ে গেলড
একটা ভাইরাস হয়ে গেল বুঝতে পারছো এই ভাইরাস দেখা গেল যে পুরা বিশ্ব ছড়ায়ে গেছে কোভিডের মত এরকম একটা
ইয়ে কিন্তু হইছে যে অনেকে এখনো চায়নাকে ইয়ে করে যে দোষ দেয় ওরা আসলে এই আকাম করতে গিয়ে ভাইরাসটা বানা ফেলছে ভাইরাসটা ছড়
গেছে বুঝতে পার এরপর আমরা যেই টপিকটায় যাব সেটা হচ্ছে ন্যানোটেকনোলজি ন্যানোটেকনোলজি
আমাদের জাস্ট কিছু টপিক মনে রাখতে হবে যখন কোন একটা বস্তুর সংজ্ঞাটা ইম্পর্টেন্ট যখন কোন একটা বস্তুর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর
জন্য যে বিশেষ প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহার করে অনুপরমাণুগুলোকে ন্যানোমিটার স্কেলে বা ন্যানো পার্টিকেল
রূপে পরিবর্তন করা হয় তখন সেই প্রযুক্তিকে বলা হয় ন্যানো টেকনোলজি। অর্থাৎ এইখানে আমাদের একদম অনুপরমাণু
অর্থাৎ পার্টিকাল লেভেলে গিয়ে কাজ করা হয়। পার্টিকেল লেভেলে গিয়ে প্রপার্টি চেঞ্জ করা হয়। কোথায়? ন্যানোটেকনোলজিতে।
এখন দেখ ন্যানোটেকনোলজির কিছু তথ্য তোমার একটু মনে রাখতে হবে। আণবিক মাত্রা ন্যানোটেকনোলজি সাধারণত এক থেকে 100
ন্যানোমিটার এই স্কেলে কাজ করে। বুঝছ? ন্যানোটেকনোলজি সাধারণত এক থেকে 100 ন্যানোমিটার এই স্কেলে কাজ করে। কিছু
ন্যানো পার্টিকেলের উদাহরণ হচ্ছে 60 টা কার্বন পরমাণু নিয়ে গঠিত সিক্সবা এটাকে বলা হয় ফুলারিন ফুলারিন ন্যানো
পার্টিকেল। আরো কিছু ন্যানো পার্টিকেল আছে। লিপসমড্রাইমার তারপর গোল্ড ন্যানোশেল।
এখান থেকে জাস্ট এতটুকু মনে রাখলেই হবে। এখান থেকে জাস্ট এতটুকু মনে রাখলে এই হচ্ছে আমাদের ন্যানো স্কেল। এখানে কয়েকটা
ন্যানো পার্টিকল দেওয়া আছে। কয়েকটা ন্যানো পার্টিকেল দেওয়া আছে। বুঝছ এই হচ্ছে ন্যানো প্রযুক্তি এক ন্যানোমিটার
কতট টু দি পাওয়ার মাইনাস না এমসিকউ মাঝে মাঝে আসে ঠিক আছে ডিএনএ ডাবল হ্যালিক্সের ব্যাসার্ধ হচ্ছে প্রায়দ নোমিটার এটাও
মুখস্ত রাখ তারপর ন্যানো প্রযুক্তি ন্যানো প্রযুক্তি বুঝাবেন না দরকার নেই এটা জাস্ট মাইক্রোস্কেলে গিয়ে কাজ করে
একদম ন্যানো স্কেলে গিয়ে কাজ করে এটার ডিটেলস পড়তে গেলে অনেক টাইম চলে যাবে ন্যানো প্রযুক্তি দুই পদ্ধতিতে ব্যবহার
করা হয় একটা হচ্ছে বটম আপ আরেকটা হচ্ছে টপ ডাউন মুখস্ত রাখ ন্যানোটেকনোলজি দুই পদ্ধতিতে
একটা হচ্ছে বটম আপ আরেকটা হচ্ছে টপ ডাউন ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই ইম্পর্টেন্ট এটা সিকিউতেও আসতে পারে এখান
থেকে এমসিকিউ আসে প্রথম খেয়াল কর রাসায়নিক শিল্প সানস্ক্রিনে ব্যবহৃত টাইটানিয়াম
ডাইঅক্সাইড সানস্ক্রিনে সানস্ক্রিন দাও না তোমরা রোদে গেলে যেটা দিতে হয় সেখানে যে টাইটানিয়াম
ডাইঅক্সাইডটা ব্যবহার করা হয় সেটা ন্যানো পার্টিকেল এই টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডের ন্যানো পার্টিকেল ইউজ করা হয় ফলে
সানস্ক্রিনের পারফরমেন্সটা অনেক ভালো বুঝতে পারছো? খাদ্যশিল্পে খাদ্যশিল্পে প্যাকেজিং তৈরি করতে
দেখো সিলভার ন্যানো সিলভার ব্যবহার করা হয়। এটাতে ন্যানোটেকনোলজি কাজ করে। খাদ্যের স্বাদ ঠিক রাখতে বা তৈরিতে
বিভিন্ন ধরনের ন্যানোমিট মেটেরিয়াল তৈরি। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঔষুধ। ষুধ তৈরির ক্ষেত্রে আণবিক গঠনে যাতে রোগাান্ত সেলে
সরাসরি ঔষুধ প্রয়োগ করা যায় এমন কাজ করা যায়। ন্যানোটেকনোলজি জাস্ট পয়েন্টগুলা মনে রাখ ইলেকট্রনিক্সে অনেক ইলেকট্রনিক্স
শিল্পে ওই ন্যানো পার্টিকল গুলা ইউজ করা হয়। ঠিক আছে? তারপর হচ্ছে জ্বালানি তৈরিতে হাইড্রোজেন আয়নের জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতেও
কি ন্যানো টেকনোলজি ইউজ করা হয়। নবায়নযোগ্য শক্তির রাসায়নিক শিল্পে নবায়নযোগ্য শক্তি শিল্পেও কি? ন্যানো
টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। খেলাধোলা ও ক্রিকেট সরঞ্জাম। তোমরা টেনিস খেল। টেনিস যেই বলটা এটা কিন্তু জাস্ট কয়েকবার খেললেই
জাস্ট নষ্ট হয়ে যায়। টেনিস বলে যদি ন্যানো টেকনোলজি ইউজ করা হয় তাহলে ওটার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি হয়ে যায়। তোমরা ও
এভেঞ্জারস এন্ড গেম দেখছো ওখানে ওইযে টনিস্টারটা বানায় নানোটেক নিয়ে ভাবটা নিছিল
যখন এসে বলে এটা কি ন্যানোটেকনোলজি কম্পিউটার হার্ডওয়ার তৈরিতেও কি আমাদের এই ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে
রেফ্রিজারেটর তারপর হচ্ছে ভারী শিল্প বিমান শোধনাগার সব জায়গায় কি আমাদের ন্যানোটেকনোলজি ইউজ করা। হ্যাঁ টেনারি
শিল্পে শোধন করতে গিয়ে ন্যানো টেকনোলজি ইউজ করা। বুঝতে পারলাম? আমাদের লাস্ট টপিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এটার মাধ্যমে
কিন্তু অনেক কাজ সহজ হয়ে গেছে। তোমার কাছে অনেক পাওয়ারও আছে। সো তুমি কিন্তু সবকিছু অপব্যবহার করতে পারবা না। তোমাকে
এখানে কিছু নৈতিকতা মেনে চলতে হবে। তোমার ফেসবুক একাউন্ট আছে তুমি ইচ্ছা করে মানে ইচ্ছামত যা ইচ্ছা তা কিন্তু লিখতে পারবা
পোস্ট দিতে পারবা না কিংবা অন্য কাউকে এটাক করতে পারবা না অন্য কারো ছবি বিকৃত করে আপলোড করতে পারবে ঠিক আছে বুঝতে পারছো
তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা দেখ 1992 সালে কম্পিউটার ইথিক্স ইনস্টিটিউট
কম্পিউটার ইথিক্স এর বিষয়ে 10টা নির্দেশনা তৈরি করে অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই 10টা
নির্দেশনা মাথায় রাখা উচিত অন্যের ক্ষতি করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা যাবে না। অন্য ব্যক্তির কম্পিউটারের কাজের উপর
হস্তক্ষেপ না করা। অন্য ব্যক্তির ফাইল সমূহ হতে গোপনে তথ্য সরবরাহ না করা। চুরির উদ্দেশ্যে কম্পিউটার ব্যবহার না করা।
জাস্ট একটু দেখে নিবা। এগুলো কিন্তু বানায়ও লেখা যায়। আমরা এখন কিছু কাজ দেখব। যেগুলো আসলে কম্পিউটার ইথিক্সের
এগেন্স্টে যায়। সফটওয়ার পাইরেসি। একটা সফটওয়ার বানাইতে কিন্তু সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের ভালো পরিমাণ এফর্ট লাগে।
সো পাইরেসি করে যখন ওই সফটওয়ারটা ব্যবহার করা হয় এটা কিন্তু কম্পিউটার ইথিক্স এর এগেন্স্ট। কিন্তু বাংলাদেশে তোমরা যারা
গেম টাইম খেলছো আমি নিশ্চিত ম্যাক্সিমামই পাইরেসি করে গেমটা খেলছো। আমি নিজেও খেলছি। কিন্তু এটা আসলে ইথিক্স এর মধ্যে
পড়ে না। বুঝতে পারছ? সফটওয়ার পাইরেসি কি? সংজ্ঞাটা ইম্পর্টেন্ট। সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে অনুমোদিত মালিক বা
প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে তুমি কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা নিজের নামে বিতরণ করা বা কোন প্রকার পরিবর্তনের মাধ্যমে
নিজের নামে চালায় দেওয়াকে কি বলা হয় বুঝতে পারছ এরপর অনেক ধরনের সাইবার ক্রাইম বা আক্রমণ আছে জাস্ট একটু রিডিং পড় পড়ে
ঠিক আছে কিছু কিছু আক্রমণ কি কি আছে আমি একটু দেখাই প্রথমত হ্যাকিং তুমি অনুমতি ব্যতীত তো কোন একটা
কম্পিউটারের নেটওয়ার্কে ঢুকে যাওয়াই কি? হ্যাকিং। এখন অনেক ওয়েবসাইট হ্যাক হয়। তাইতো ওই ওয়েবসাইটটা তো কোন একটা
সার্ভারে থাকে। ওই সার্ভারটাকে একচুয়ালি হ্যাক করে ওই নেটওয়ার্কে ঢুকে যাওয়া। ওটাই হচ্ছে হ্যাকিং। এখন হ্যাকিং সাধারণত
হ্যাকাররা সাধারণত তিন প্রকার। একটা হচ্ছে হোয়াইট হ্যাড হ্যাকার। সাধারণত দুই প্রকার। হোয়াইট হ্যাড হ্যাকার। আরেকটা
হচ্ছে ব্ল্যাক হ্যাড হ্যাকার। হোয়াইট হ্যাড হ্যাকাররা কি করে? ওরা ওই নেটওয়ার্কের দুর্বলতা খুঁজে ওই
নেটওয়ার্কটাকে ধরায়। বুঝতে পারছো? কোন একটা কোম্পানির একটা ওয়েবসাইট আছে ধরো ওই ওয়েবসাইটটার
দুর্বলতা কোথায় আছে? হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা ওই ওই কোম্পানিটা দ্বারাই নিয়োগকৃত। ওটা খুঁজে বের করে ওদেরকে
ধরায় দেয়। আর ব্ল্যাক হ্যাড হ্যাকাররা কি করে? ওরা ওই নেটওয়ার্কটা হ্যাক করে বা ওই সার্ভারটা হ্যাক করে ওটাকে অপব্যবহার
করে। অন্য কাজে ব্যবহার করে। বুঝতে পারলাম? বুঝতে পারলাম? স্প্যামিং স্প্যামিং কি?
এটার শিকার তোমরা সবাই হইছো। ধরো তোমার কোন ইনফরমেশন তোমার ফোন নাম্বার তুমি কাউকে শেয়ার করো নাই কিন্তু কোনভাবে কেউ
তোমার ফোন নাম্বার নিয়ে গেছে তোমার ফোন নাম্বারে স্প্যাম করতেই আছে স্প্যাম করতে আছে তোমরা অনলাইনে লাইভ ক্লাসে স্প্যাম কর
স্পেশালি বাচ্চারা এটা করে বুঝছো স্প্যাম কি সুন্দর করে সংজ্ঞা লেখা আছে বুঝছো ধরো
দেখবা তোমাদের মেইলে মাঝে মাঝে অবাঞ্চিত মেইল আসে অথচ ওখান থেকে আসার কথা না আসতেছে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার থেকে
স্প্যাম মেসেজ আসে। বুঝতে পারছেন? দেখবে সারা জীবন আসতেছে। তুমি ইউনিভার্সিটিতে তখনও আসতেছে।
বুঝতে পারছেন? সো এগুলাই হচ্ছে স্প্যামিং। স্প্যামিং হচ্ছে অনুমতি বাদে যেই জিনিসটা পাঠালে একজন মানুষ বিরক্ত হবে তুমি ওকে
ওটা পাঠাচ্ছ। তুমি ওকে ওটা পাঠাচ্ছ। তারপর হচ্ছে সাইবার চুরি। অনলাইনের মাধ্যমে তুমি যখন চুরি করো এটা
কিন্তু করা যায় যে ব্যাংকের একটা ওয়েবসাইট হ্যাক করে ব্যাংক থেকে টাকা সরায় নিছে
ঠিক আছে তারপর সাইবার সন্ত্রাস বা সাইবার বুলি তুমি অনলাইনে এসে কাউকে বুলি করতেছো বা
সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম করতে কি সাইবার সন্ত্রাস জাস্ট সংজ্ঞাটা পড়ে নিবা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোন
ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কিছু করতে করা কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার সন্ত্রাস বা সাইবার বুলিং বলে এগুলো নিয়ে তোমরা একটু
সাবধানে থাইকো এন্ড এগুলা প্রটেস্ট করার ট্রাই করবা যদি কোথাও দেখো তারপর প্রতারণা বা স্পুফিং অনলাইনে অনেক
প্রতারণা হয়্যা তুমি অনলাইনে একটা পণ্য বেচবা তোমাকে একটা কথা বলে অন্য একটা দিয়ে দিছে বা টাকা
নিয়ে পণ্য দেয় নাই এগুলা হচ্ছে প্রতারণা প্রতারণা বা স্পোকিং ঠিক আছে এরপর হচ্ছে ফিশিং এন্ড ফিশিং ফিশিং কি? ধরো
ধরো তোমার ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড আর ইয়েটা লাগবে। তখন আমি কি করলাম? আমি একটা লিংক বানাইলাম।
এই লিংকটা পুরা দেখতেফেসবুক এর যে লগইন পেজ সেটা। তারপর আমি কি করলাম? তোমার ইমেইলে বা
তোমার ইনবক্সে আমি পাঠাইলাম। তোমার ফেসবুক আইডি কালকের মধ্যে ডিজেবল হয়ে যাবে। যদি সেটা রুকতে চাও এই লিংকে ক্লিক করে গিয়ে
আইডিটা ভেরিফাই করে আসো। এই লিংকে তুমি যখন ক্লিক করছো তুমি গিয়ে দেখলা ফেসবুক লগিনের উইং ওখানে তুমি ইউজারনেম দিছো
পাসওয়ার্ড দিছো। এই পেজটা তো আমি বানাইছি। তুমি দেওয়ার সাথে সাথে তোমার ফেসবুক আইডি পাসওয়ার্ড আমার কাছে চলে আসছে। তোমার
একাউন্টটা আমি হ্যাক করে ফেলব। তুমি যদি যথেষ্ট বোকা হও তাহলেই তো তুমি লিংকে ক্লিক করবা। এই কাজটাই হচ্ছে ফিশিং। আমি
একটা লিংক দিলাম। সেই লিংকে তুমি ক্লিক করছো। লিংকে ঢুকায় আমি কি করলাম? তোমার কিছু ইনফরমেশন নিয়ে গেলাম। এটাই কি?
ফিশিং। বুঝতে পারছো? আর ফিশিং এর কাজটা যখন অডিওর মাধ্যমে করা হয় তখন এটাকে ভিশিং বলে।
ঠিক আছে? ঠিক আছে। স্নিকিং? স্নিকিং কি? গোপনে বা সন্তপণে ব্যবহারকারীর চোখ এরিয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ
করে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে বলা হয় স্নিকিং। স্নিকিং। নাম শুনেই বুঝতে পারতেছে স্নিক
করা। আরি পেতে শোনা। বুঝছ? এরপর হচ্ছে প্লেজিয়ারিজম। প্লেজিয়ারিজম কি? সুন্দর
করে সংজ্ঞাটা লেওয়া আছে। অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে কি বলা হয়? প্লেজিয়ারিজম। কোন
ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনাকর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালায়
দেওয়া কি? প্লেজিয়ারিজম। বুঝতে পারলাম? এখন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কিছু কুফল আছে। দেখো পয়েন্টগুলো জাস্ট মনে রাখবা।
অশ্লীলতা। অশ্লীলতার প্রকাশ মানে প্রসার কিন্তু ঘটতেছে। গোপনীয়তা। গোপনীয়তা কিন্তু মানে প্রাইভেসির একটা ভালো ইস্যু হচ্ছে
কি? আমাদের এই তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি। দেখবা তোমার গ্যালারিতে যে ধরনের ছবি আছে ওটার উপর ভিত্তি করে ফেসবুক তোমাকে অ্যাড
দেখায়। তাহলে তোমার প্রাইভেসিও নষ্ট করতেছে না। ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব। জানোই তো কেন হচ্ছে? শারীরিক ও মানসিক সমস্যা।
এক্সপ্লেন করতে পারবা অবাধ তথ্য প্রবাহ মিথ্যাচার ফেসবুকে ঢুকে যে যার নামে মিথ্যাচার অনেক কিছুই তো হইছে তাই না
রিসেন্টলিও হইছে বুঝতে পারছো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কুফল দেখে অনেক সুফল আছে অনেক কুফল আছে আমাদের
এই চ্যাপ্টারটা ডান এখন আমরা জাস্ট কিছু এমসিকিউ আর সিকিউ প্র্যাকটিস করব আর পরীক্ষায় আসার মত কোশ্চেন দেখব আমরা সব
পারি জাস্ট প্র্যাকটিস জাস্ট প্র্যাটিস দেখানোর জন্য আমরা পারি ক্রায়োসার্জারিতে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়? বল আরগন আরগন।
তারপর নিচের কোনটা ক্রায়োজেনিক এজেন্ট না? মানে ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহার করা হয় না। কার্বন মনোক্সাইড। বাকিগুলা কিন্তু
ব্যবহার করা হয়। ক্রায়োজেনিক এজেন্ট কে কে? তরল নাইট্রোজেন? তরল হাইড্রোজেন না অক্সিজেন। তার মানে একট তার মানে এক। আমরা
পরেরটায় যাই। কোন তাপমাত্রায় কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মাই 41 থেকে মাইনাস 196।যে ক্রাসার্জারির সময় যে
তাপমাত্রাটা তৈরি হয়। বয়ে দেওয়া আছে। মুখস্ত অনলাইনে পারস্পরিক ইথোস্ক্রিয়ার শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকে কি বলা হয়
বলতো ই-লার্নিং তাই না? আমাকে বলো ই-লার্নিং। তো সবাই করছো অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্চিত
ইমেইল বা মেসেজ পাঠানোকে কি বলে? স্প্যামিং স্প্যামিং তাই না? আউটসোর্সিং এর জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস কোনটা?
ফ্রিল্যান্সার যেটা.com এইসারer.com তারপর ফিভার আছে আপওয়ার্ক আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ডের প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তক ওয়েবসাইট থেকে কোন আকারে ডাউনলোড করতে হয় বলতো ইবুক ফরমেটে ডাউনলোড করতে হয় পিডিএফ
টেলি প্রেজেন্সের প্রয়োগ ক্ষেত্র কোথায় বলতো টেলি প্রেজেন্স টেলি প্রেজেন্সের প্রয়োগ ক্ষেত্র কোথায় ভার্চুয়াল
রিয়ালিটি টেলি প্রেজেন্স টেলি মানে হচ্ছে দূরে দূর থেকেই তুমি কোন একটা জায়গায় প্রেজেন্স
থাকতে প্রেজেন্ট মনে অন্যের ডিভাইন পণ্যের ডিভাইন ডিজাইন সরি ডিজাইন ডিজাইন তৈরিতে কোনটা ব্যবহার করা হয় ক্যাড কম্পিউটার
এইডেড ড্রইং আমরা অটোক্যাড সলিড ওয়ার্ক এগুলার নাম শুনবো হচ্ছে সফটওয়ার কম্পিউটার এইডে ড্রং ভার্চুয়াল
রিয়ালিটির মাধ্যমে নিরাপদে কোন কাজটা করা সম্ভব মহাশূন্য অভিযান সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রশিক্ষণ পরিবেশ সুরক্ষা এইটা তো না
প্রথম প্রথম ঠিক আছে তারপর আমরা যাই ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতে ব্যবহিত এইচএমডি এইচএমডি কি বলতো বিশেষ চশমাটা
তাইতো হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে এইচএমডি মানে হচ্ছে হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে বিশেষ চশমা বুঝতে
পারা না এমবিবিএস পাস করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর ডিগ্রির জন্য ভর্তি হয় সেখানে সে কৃত্রিম পরিবেশে কোন রোগী
ছাড়াই সার্জারি প্রশিক্ষণ ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ভার্চুয়াল ঠিক আছে
উক্ত পদ্ধতি বাস্তবায়নের প্রয়োজন কম্পিউটার সিমুলেশন ত্রিমাত্রিক ইমেজ একচুয়েটের কি দরকার
একচুয়েট কিন্তু রোবটিক্সে লাগে একচুয়েট লাগতেছে না একার দুই হলেই কি আমাদের হয়ে যাচ্ছে একদ
প্রতাপ একটা প্রতিষ্ঠানের একটা কক্ষে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে প্রবেশ করে এবং সেখানে কার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রতাপের
প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত এটা কি কার ড্রাইভিং ঘরে বসে কি করছে ভার্চুয়াল বলতো এটা কোথায় ব্যবহার করে শিক্ষা ও গবেষণায় নিরাপত্তাও
কিন্তু ব্যবহার করা যায় ব্যবসা বাণিজ্য ব্যবহার করা তিনটাতেই কি আমাদের মানুষের মস্তিষ্কের মত কাজ করার প্রতি নিউরাল
নেটওয়ার্ক হ্যা মেশিন লার্নিং এর যে নেটওয়ার্ক ঠিক আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ব্যবহৃত হয় কোন প্রোগ্রামিং ভাষা বলতো
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রলগ প্রলগ এটা প্রোগ্রামিং ভাষায় আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে বারবার ভুল থেকে
সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয় কিসের সাহায্যে রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং বলছিলাম না ভুল
করলে সে একটা পানিশমেন্ট পাই তারপর সঠিক ন্সার দিলে একটা পুরস্কার পাই তাহলে ভুল করতে করতেই তো সে শিখে এটা হচ্ছে
রিইনফোরসমেন্ট লার্নিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আওতাধীন ক্ষেত্র কোনটা মেশিন লার্নিং কম্পিউটার ভিশন ন্যাচারাল
ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে কোন প্রোগ্রামিং কোন প্রোগ্রামিং আমাকে বলতো
কোন প্রোগ্রামিং মেশিন লার্নিং অপ্লিকেশন পাইথন পাইথনটা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা পাইথনটা কি আমাদের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার
করা ওকে তারপর রোবট গঠনে কয়টা নির্দিষ্ট বিশেষত্ব আছে একটা রোবটের কয়টা পার্ট আমাকে বলতো একটা রোবটের কয়টা পার্ট জাস্ট
দেখে আইসো কয়টা পার্ট দাগ দিলেই হবে ঠিক আছে কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী কামাল রোবটের কয়টা পার্ট একটু আগেই কিন্তু লেখা
আছে একটা যন্ত্র তৈরি করে যেটা উঁচু নিচু স্থানে চলাফেরা করতে পারে এবং ভিডিও ধারণ করে অন্যদের নিকট পাঠাইতে পারে কি বানাইছে
রোবট বানাইছে তাই না সে একটা কি বানাইছে রোবট বানাইছে আচ্ছা কামালের যন্ত্রটার ব্যবহার চিকিৎসা
ক্ষেত্রে গৃহ ব্যবস্থাপনায় শিল্প কারখানায় তিনটা জায়গায় ব্যবহার তিনটা জায়গায় বায়োমেট্রিক্স ব্যবহার করা হয়
ব্যক্তি শনাক্তিকরণ বায়োমেট্রিক্স কি বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য দিয়ে ব্যক্তিকে ইউনিকভাবে শনাক্ত আর 10
টু দি পাওয়ার মাইনাস না মিটার স্কেল ন্যানোমিটার স্কেল পণ্য উৎপাদন নিয়ে গবেষণা করে তাদের উৎপাদিত পণ্য সূক্ষ ছোট
হলেও মজবুত টেকশই হয় হাজিরার জন্য অফিসে তাকে একটা ডিভাইসে হাতের আঙ্গুলের ছাপ উদ্দীপকের ডিভাইসটা কোনটা বলতো
বায়োমেট্রিক ডিভাইসটা ছাপ দিয়ে কি ওকে চেনানো লাগে তাইতো মিস্টার মাসুদ একজন চিকিৎসক তার
স্পর্শ ছাড়া তার মোবাইল ফোনটা চালু হয় তিনি রোগীদের জন্য চিকিৎসা ক্ষেত্রে অতি ক্ষুদ্র যন্ত্র ব্যবহার মিস্টার মাসুদের
মোবাইলে ব্যবহৃত প্রযুক্তি কি বলতো ফিঙ্গার প্রিন্ট স্পর্শথা স্পর্শ ক্যাপচার
এক্সটেনশন কম্পারিজন ম্যাচিং কোন ক্ষেত্রে বলতো বায়োমেট্রিক্স বুঝছো বায়োমেট্রিক্স তুমি যখন ফিঙ্গারপ্রিন্টটা দিবা তোমার
ফিঙ্গারপ্রিন্টটা ক্যাপচার করবে সেখান থেকে ডেটাটা এক্সট্র্যাক্ট করবে তারপর তোমার আগের যে ফিঙ্গারপ্রিন্টটা
সংরক্ষিত আছে তার সাথে কম্পারিজন করবে তারপর ম্যাচ করলে কি বলবে যে ও আসলেই রাকিব ও আসলেই রাকিব প্রোটিনের সিকোয়েন্স
তৈরিতে বলতো বায়ো ইনফরমেটিক্স বায়ো ইনফরমেটিক্স তারপর প্রতাপ একটা প্রতিষ্ঠানের সেখানে কার ড্রাইভিং বল
কক্ষে প্রবেশের প্রযুক্তি কি বায়োমেট্রিক্স বায়োমেট্রিক্স ডিএনএর নতুন বিন্যাস তৈরি করতে বলতো রিকম্বিনেট
ডিএনএ কোনটা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম বাংলাদেশের
একজন বিজ্ঞানী যিনি হচ্ছে পাঠের ডিনোম সিকুয়েন্স বা ডিন রহস্য নিয়ে গবেষণা করে ভালোই খ্যাতি কামাইছে
তোমরা আমরা যখন যখন স্টুডেন্ট ছিলাম ওনাকে নিয়ে অনেক নিউজ আসছে। দেখো টেনারি শিল্পের বর্যকে দূষণমুক্ত করতে কোনটা
বলতো? ন্যানোটেকনোলজি। এই যে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহৃত হয় ডিএনএ সজ্যা
পরিবর্তনে, বংশগতির ধারা অনুসন্ধানে স্বাক্ষর শনাক্তকরণ। একাত। স্বাক্ষর শনাক্তকরণের বায়োম্যাক। তারপর
বর্তমান সময়ে পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্যাকেটজাত পণ্যে বিশেষ ধরনের
মরক্ক। পড়ছিলাম না ওই মোরক ব্যবহার করতে সিলভার কোনটা ন্যানো টেকনোলজি কোনটা ন্যানো টেকনোলজি তারপর ন্যানো পার্টিকেলের
আকৃতি কত বলছিলাম না এক থেকে 100 ন্যানোমিটার মুখস্ত রাখতে হবে পরীক্ষায় আসবে পরীক্ষায় আসবে টপডাউন পদ্ধতি
ন্যানোটেকনোলজি দুই ধরনের পদ্ধতি টপ ডাউন বটম আপ টপডাউন বটমপ ন্যানো প্রযুক্তিতে কয়টা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় দুইটা টপডাউন
বটমপ টপডাউন বটমপ সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে ন্যানো টেকনোলজি টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড
এটা ন্যানো পার্টিকল মিস্টার এক্স তুলার উন্নত জাত উদ্ভাবনে গবেষণা করেন তিনি খরা সহিষ্ণু অধিক ফলনশীল ও আগাম জাতের তুলা
উদ্ভাবনে সাফল্য লাভ করেন কোনটা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কোনটা আমাকে বল জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ঠিক আছে আমরা পরেরটায় যাই
পরেরটায় যাই হ্যা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রস পাবে জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন সাধন হবে
জীববিধ্বংসী ভাইরাসের উদ্ভব হতে পারে তিনটাই কিন্তু হওয়া সম্ভব। বুঝতে পারছো? রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসও হইতে পারে
আবার বৃদ্ধও হইতে পারে। কাহিনী বুঝছো? তবে এটা আমরা না দিই। যেহেতু ওটা বাজে দিক জাস্ট দুই আটটি।
ঠিক আছে? আচ্ছা এবার আমরা কিছু জ্ঞানমূলক কোশ্চেন দেখব। জাস্ট দেখাবো যে এগুলা পড়ানো হইছে। ইলার্নিং বিশ্বগ্রাম
ক্রায়োসার্জারি ক্রায়োপ। এইযে ক্রায়োসার্জারি খুবই ইম্পর্টেন্ট। ক্রায়োজেনিক এজেন্ট টেলিমেডিসিন কি? খুবই
ইম্পর্টেন্ট। ভিডিও কনফারেন্সিং ই-কমার্স কি? খুবই ইম্পর্টেন্ট। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি রোবটিক্স কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি
রোবটক্স খুব ইম্পর্টেন্ট নিউরাল নেট কি রোবট কি বায়োম্যাট্রিক্স কি বায়োমেট্রিক্স কি বায়ো ইনফরমেটিক্স কি
ন্যানোটেকনোলজি কি খুবই ইম্পর্টেন্ট তারপর হ্যাকিং প্লেজিয়ারিজম মহাকাশ অভিযান ক্যাড কম্পিউটার এডেড ড্রইং স্মার্ট হোম
কি বুঝতে পারছো বুঝতে পারছো এবার অনুধাবনমূলক কোশ্চেন কানেক্টিভিটি বিশ্বগ্রামের মূল তালিকা
ইন্টারনেট তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বই বিশ্বগ্রাম এগুলা দেখে নিবা এগুলা সবাই পারবা আমি জানি আমি জানি বিশেষ
প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদে ড্রাইভিং কোনটা ভার্চুয়াল তাইতো ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে রক্তপাথীন অপারেশন সম্ভব এ কোন
রক্তপাত হয় না কিন্তু জাস্ট শীতল করে তারপর আবার করে ফেল সিমুলেটর মডেলিং সফটওয়ারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ সম্ভব
ভার্চুয়াল এটা ভার্চুয়ালটি বাস্তবে অবস্থা অবস্থান করেও কল্পনা কিছু দেখা সম্ভব ভার্চুয়াল কি সাহিত্য নিয়ে আসছে
বর্তমানে চিকিৎসকদের পাশাপাশি যন্ত্রেও সার্জারির কাজ করতেছে রোবটিক্স বর্তমানে ড্রাইভার বিহীন গাড়িওদেখ দেখা
যায় রোবটিক্স রোবটিক্স টেসলা কিন্তু ওই ড্রাইভার বিহীন গাড়িও রোবটিক্স ঠিক আছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে মানুষ ব্যবহৃত যন্ত্রটি
কিভাবে মানুষের বিকল্প হিসেবে কাজ করে রোবটিক্স ঠিক আছে বুঝতে পারছো প্রযুক্তির ব্যবহারের
মাধ্যমে ব্যক্তির শনাক্তকরণ করা যায় বায়োমেট্রিক বায়োমেট্রিক কন্ঠস্বর যাচাইকরণের প্রযুক্তি কি বায়োমেট্রিক্স
আচরণিক ডেটা কন্ঠস্বর সাইন কি স্ট্রোক বুঝ বায়ো ইনফরমেটিক্সে ব্যবহিত ডেটা কি্যা বায়োলজির বিভিন্ন তথ্য ঠিক আছে ওকে
টপ টু ডাউন পদ্ধতিতে বল কি ন্যানোটেকনোলজি ঠিক আছে এটা কি ন্যানোটেকনোলজি আগামী বিশ্বে হবে ন্যানোটেকনোলজি
ন্যানোটেকনোলজি সম্পর্কে ভালো জিনিস বলে দিবা আণবিক পর্যায়ে গবেষণার প্রযুক্তি কি ন্যানোটেকনোলজি
ঠিক আছে দেখে নিগ এগুলো সবাই পারবা এবার চল আমরা সিউতে যাইউ ম্যাক্সিমাম এইযে কয়টা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি
ক্রায়োসার্জারি, ন্যানোটেকনোলজি, বায়োমেট্রিক্স এই চারটা তারপর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োমেটিক্স এই দুইটা কম
বাট এই চারটাই। বাংলাদেশে পোশাক তৈরির একটা প্রতিষ্ঠান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে
চলতে চলতে বিশ্বমানের একটা কারখানা স্থাপন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেখানে মানুষের সহায়তা ছাড়াই একচুয়েটর ও
কম্পিউটারের সাহায্যে। তাহলে এটা আসলে কি? রোবটিক্স। বুঝছো? অধিকাংশ কাজ করা সম্ভব। কারখানাটি স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রকৌশলীগণ
কৃতিম সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে কারখানাটার ত্রিমাত্রিক মডেল স্থাপন করেন। এটা কি বলতো? ভার্চুয়াল রিয়ালিটি।
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি। ই-লার্নিং কি? প্রথম দুইটা তো শেষ। নকশা প্রণয়নে প্রকৌশলীগণের ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি
ব্যাখ্যা কর। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ব্যাখ্যা করবা। এটার যে চারটা পার্টটা ভালো করে। ঠিক আছে? উদ্দীপক উল্লেখিত
পোশাক শিল্পের বর্ণিত প্রযুক্তি শ্রমবাজারের উপরে মানে রোবটিক্স শ্রমবাজারের উপরে কেমন ইফেক্ট ফেলবে?
বুঝতে পারতেছো? সব যদি রোবট করে ফেলে তাইলে অনেক মানুষের চাকরি চলে যাবে না। সো একটু ব্যাখ্যা করবা সুন্দর করে। আমরা পরের
সিকিউতে যাই। ক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে অগ্নিসংযোগ অগ্নিসংযোগে নিহত শ্রমিকের পরিচয় শনাক্ত
করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। আরে রাকিব। রাকিব এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কথা মাথায় রেখে এমন একটা যন্ত্র আবিষ্কার করছে যে
একই সময়ে অগ্নিনির্বাপন ও উদ্ধার কাজে সহায়তা। রোবটিক্স ঠিক আছে উদ্দীপকে নিহত শ্রমিক সমানতের প্রযুক্তি ব্যাখ্যা করো
বায়োমেট্রিক্স ব্যাখ্যা করব ঠিক আছে রাকিবের আবিষ্কৃত যন্ত্রটিকে কিভাবে আমরা দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার রোবটিক্স রোবটকে
দৈনন্দিন কি কি কাজে ব্যবহার করা যায় শিল্পকারখানায় বাসাবাড়িতে সবকিছু ডাক্তার রতন তক ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন
রোগীর চিকিৎসা নিম্ন তাপমাত্রা প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পন্ন করে কিন্তু চিকিৎসার পূর্বে তিনি একটা সিমুলেটেড অপারেশনের
মাধ্যমে অভিজ্ঞতা লাভ করেন ক্রায়োসার্জারি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ডাক্তার রতনের চিকিৎসা পদ্ধতি ক্রায়োসার্জারির চিকিৎসা পদ্ধতি
বর্ণনা করবা শিখেছি বলে দিছি এটা ইম্পর্টেন্টটা আসবে ডাক্তার রতনের অপারেশনের অভিজ্ঞতা লাভের প্রযুক্তিটি
শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবসা বাণিজ্যে কিভাবে ব্যবহৃত হয় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এই তিনটা ক্ষেত্রে কিভাবে ব্যবহার করা স্লাইডেই আছে
বাসার বাসার সাহেব কম্পিউটার মেলায় গিয়ে একটা হার্ডডিস্ক হার্ডডিস্কটি আকারে খুব ছোট কিন্তু এর ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি
ন্যানোটেকনোলজি তিনি বন্ধু প্রিন্সকে হার্ডডিস্কটি দেখানোর জন্য তার অফিসে গেলেন। প্রিন্সের
অফিসে গিয়ে দেখলেন উক্ত অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ একটা যন্ত্রের দিকে তাকালেই অফিসের দরজা খুলে যাচ্ছে। বায়োমেট্রিক্স
ফেস রিকগনিশন। বুঝতে পারছো? ওই ডিভাইসটা বল। ন্যানোটেকনোলজি। ন্যানোটেকনোলজি। বায়োমেট্রিক্স। বায়োমেট্রিক্স সুন্দর করে
এক্সপ্লেন কর। ঠিক আছে? সুন্দর করে পয়েন্ট করে বা চিত্র দিয়ে এক্সপ্লেন করলে সবচেয়ে ভালো। ডাক্তার মনিরা মেডিকেল কলেজে তার
শিক্ষার্থীদের কোন ধরনের কাটা ছাড়া কাটা ছেড়া ছাড়াই অত্যাধিক নিম্ন তাপমাত্রায় বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার নিরাময় সম্পর্কে
ক্রায়োসার্জারি ডক্টর মামুন বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত জাতের উদ্ভিদ ও প্রাণী উদ্ভাবনের লক্ষ্যে প্রান্তিক
পর্যায়ে কাজ করছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার তাই দেখ যে চিকিৎসা পদ্ধতি ক্রায়োসার্জারি
আলোচনা করবা ঠিক আছে তারপর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কেমনে খাদ্য স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন করতে হেল্প করতে পারে
সেটা জেনেরিক ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে 12 মাসি টমেটো বানানো 12 মাসিক বিভিন্ন জিনিসপাতি বানানো সম্ভব ফলন কি অনেক বেশি
করা সম্ভব বর্তমান যুগে সৈনিকরা একটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসেই কৃত্রিম পরিবেশের যুদ্ধের বিভিন্ন কৌশল
রপ্ত করতে পারে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রবেশের জন্য একটা ডিভাইসে আঙ্গুলের ছাপ অপর একটা ডিভাইসের দিকে তাকাইতে হবে
তাইলে বলতো প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি কি? ভার্চুয়াল মেডিটি। প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রবেশের জন্য দেখো
দুইটা প্রযুক্তির তুলনামূলক বিশ্লেষণ। একটা হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আরেকটা হচ্ছে ফেস স্ক্যান। দুইটার তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
এটা সুবিধা অসুবিধা বলবা। বইয়ে কিন্তু সুন্দর করে দেওয়া আছে। আমি বইয়ের পিডিএফটা দিয়ে মেডিকেল কলেজের
শিক্ষক ডাক্তার রিফাত তার শিক্ষার্থীদের নূনতম ধকল সহিষ্ণু রক্তপাথীন চিকিৎসা পদ্ধতি।
ক্রায়োসার্জারি। এটার জন্য একটা সিমুলেটেড পরিবেশে অপারেশন ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ক্রায়োসার্জারি ব্যাখ্যা করো
দেখ সবগুলো জায়গায় আসতেছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রাত্যহিক জীবনে এটার প্রভাব সরাসরি
বিমান চালনা না করেও প্রযুক্তির কল্যাণে মিস্টার এক্স একজন বৈমানিক কৃষিবিজ্ঞানী মিস্টার ওয়াই
উন্নত জাতের পাঠবীজ উদ্বোধন করে উদ্ভাবন করে এবং সেখানে রিডিং পড়তে পড়তে অবস্থা খারাপ হয়ে যেতেছে সেগুলো চাষ করে কৃষকরা
উপকৃত হয়। তিনি তার গবেষণাক্কর্মের ডেটা সমূহ প্রযুক্তির মাধ্যমে কাহিনী কি হইছে। প্রথমটা কি? ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। উন্নত
পাঠ বীজ উদ্ভাবন করে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। সেগুলো চাষ করে উপকৃত হয়। তিনি তার গবেষণা করবেন। ডেটা সম
প্রযুক্তির মাধ্যমে সংরক্ষণ। এটা হচ্ছে বায়োইনফরমেটিক্স। বিমান প্রশিক্ষণ ভার্চুয়াল রিয়ালিটি।
মিস্টার ওয়াই এর কর্মকাণ্ডে যে প্রযুক্তি সমূহ নির্দেশিত হয়েছে। একটা কি? জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। আরেকটা কি?
বায়োইনফরমেটিক্স। তারা একে অপরের পরিপূরক বিশ্লেষণ করবে একে অপরের আসলে পরিপূরক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে একটা
জিন কি করো দেখ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে তুমি কি একটা ভালো জিন একটা প্রাণীর আগের জিনের মধ্যে প্রবেশ করা আর
বায়োইনফরমেটিক্স এর মাধ্যমে জিনের তথ্যগুলা নিয়ে কাজ করো জিনোম সিকোয়েন্সিং একটা কিন্তু আরেকটার পরিপূর
তুমি জিনোম সিকোয়েন্সিং যদি না করতে পারো কোনটা ভালো জিন কোনটা খারাপ জিন কেমনে জান এরপরেরটা এর পরেরটা দেখো।
সম্প্রতিকালে আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে পৃথিবীতে বসেই কৃতিম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। হ্যাঁ। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ
উন্নয়নে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ং। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার।
রাহবার উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলো। সে তার এক বিদেশী বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারল। সে
দেশে কিছু গাড়ি আছে যেগুলো চলাচলে চালকের প্রয়োজন হয়। রোবটিক্স এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাস্তায় চলাচলে সম্ভব।
রাহবার তার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করে দেখলো ক্যাম্পাসের একটা
নির্দিষ্ট কক্ষে একদল শিক্ষার্থী ক্যান্সারের উপরে গবেষণা করতেছে। এটা কি বায়োমেট্রিক্স? রোবটিক্স।
ঠিক আছে। বল ক্যান্সারের উপরে গবেষণা করতেছে। হ্যাঁ। ক্যাম্পাসের একটা নির্দিষ্ট কক্ষে
ক্যান্সারের উপরে গবেষণা প্রবেশের প্রযুক্তি এটা কি বলতো বায়োমেট্রিক বায়োমেট্রিক এটা হচ্ছে
বায়োইনফরমেটিক্স ক্যান্সারের উপর গবেষণা করা কি বায়োফরমেটিক্স ঠিক আছে একজন যন্ত্র প্রকৌশলী বিশেষ
প্রযুক্তির মাধ্যমে একটা মেমোরি ডিভাইস আকারে ছোট কিন্তু ন্যানোটেকনোলজি ডিভাইসটি উন্নত করার জন্য আরো একটা বিশেষ
প্রযুক্তির সাহায্যে সীমাত্রিক মডেল ভার্চুয়াল ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ঠিক আছে একটি কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে
উপস্থিতির সময় আঙ্গুল রেখে উপস্থিতি নিশ্চিত করে বায়োমেট্রিক্স কলেজের আইসিটি ল্যাবে প্রবেশের সময় বিশেষ
যন্ত্রের দিকে তাকালে এটা বায়োমেট্রিক্স এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এটা হচ্ছে কি ফেস রিকগনিশন ফেশিয়াল রিকগনিশন কোনটা অধিক
নির্ভরযোগ্য তুমি এক্সপ্লেন কর ফিঙ্গারপ্রিন্ট অধিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট না ফেশিয়াল আমাদের ওই
চিত্রটা দেখে এক্সপ্লেন করবা ফিঙ্গারপ্রিন্টটা বেশি ঠিক আছে বুঝতে পারলাম তো আরো কয়েকটা কিউ
আছে বেসিক্যালি ঘুরে ফেরে এই কয়টাই এগুলার বাইরে আর কিছু নাই তো শেষ আমাদের এই চ্যাপ্টারটাও শেষ তো সবার পরীক্ষার জন্য
অনেক অনেক শুভকামনা রইল এই চ্যাপ্টার থেকে আসলে তুমি ফাস্ট একদম পিনপয়েন্ট গুলা কালেক্ট করে নিবা ব্যাপারটা আসলে কি
ক্রায়োসার্জারি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ন্যানোটেকনোলজি বায়োমেট্রিক্স নাকি বায়োইনফরমেটিক্স তারপর ওটা নিয়ে সুন্দর
করে একটু এক্সপ্লেন করে এই কয়টা জিনিস একটু ভালো করে দেখে রাখলেই হয় কি কি জিনিস প্রথমত ভার্চুয়াল রিয়ালিটি।
এরপর হচ্ছে ক্রায়োসার্জারি। এরপর হচ্ছে ন্যানোটেকনোলজি। এরপর হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স। খুবই
ইম্পর্টেন্ট। খুবই ইম্পর্টেন্ট। বায়োমেট্রিক্স, বায়ো ইনফরমেটিক্স আর হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার। এই ছয়টা
সিকিউ আসলে এই ছয়টা থেকেই আসবে। সবগুলার প্রসেস, সুবিধা, অসুবিধা কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? সিমিলার। তুমি কোর
পয়েন্টগুলা মনে রাখলে বাকিটা বানায়া লিখতে পয়েন্টগুলা ঠিক আছে আল্লাহ হাফেজ বিদায় নিচ্ছি
Keep this summary
Save it to LunaNotes and it becomes a real note in your library — editable, searchable, and ready to turn into flashcards or a diagram. Free to start.
Save to LunaNotesOr summarise for another video.
32K+ people have turned 65K+ videos into notes
“Very useful tool. I'm using it for the last couple weeks and I'm loving it so far. Makes learning on YouTube a great experience.”
This summary and transcript were automatically generated using AI with the Free YouTube transcript summary tool by LunaNotes.
Found this summary useful?
Take it with you. One click puts it in your own LunaNotes library.
Save to LunaNotes